সারাদেশ

গাইবান্ধায় লোকসানের মুখে পোল্ট্রি খামারিগণ

গাইবান্ধা জেলা, প্রতিনিধি: দফায় দফায় পোল্ট্রি ফিড, বাচ্চা এবং ঔষধের দাম বেড়েই চলেছে। ফলে লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে গাইবান্ধার প্রান্তিক খামারিদের।

আরও পড়ুন : বিএনপির কেউ গ্রেফতার হয়নি

নীতিনির্ধারকরা যদি স্থানীয় পর্যায়ে খামারি, খাদ্য বিক্রেতাদের মধ্যে সমন্বয় করে সব কিছুর মূল্য নির্ধারণ করে তাহলে এ শিল্পটি টিকে থাকবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রানিসম্পদ সংশ্লিষ্টগণ।

খামারিরা বলেন, পোল্ট্রি শিল্প কয়েক বছর আগেও লাভজনক ছিল। প্রশিক্ষণ আর স্বল্প পুঁজি নিয়ে এ শিল্পে উৎসাহী হয়ে উঠেছিল বেকার তরুণরা। এ শিল্পে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মুরগির বাচ্চা ও খাবারের দাম। সে অনুপাতে বাড়ছে না উৎপাদন। ব্যয়ের সঙ্গে আয়ের সংকুলান করতে না পারায় ধ্বংসের মুখে পড়েছে এ শিল্প। প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ছোট বড় অনেক খামার। আর এতে বাড়ছে বেকারত্ব।

ব্যবসায়ী মামুন মিয়া বলেন, যে হারে সবকিছুর দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে, যদি সরকার সময়মতো কোনো পদক্ষেপ না নেয় তাহলে পোল্ট্রি শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। যে কয়টি খামার চালু রয়েছে তাও ধীরে ধীরে বন্ধ হবে। খুচরা বিক্রেতা মজনু মিয়া বলেন, দেশের সিংহভাগ পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা পূরণ করে থাকে এ পোল্ট্রি শিল্প। বর্তমানে এ শিল্প ধুঁকে ধুঁকে চলছে।

এ শিল্প বন্ধ হয়ে গেলে দেশে আমিষের সংকট দেখা দিতে পারে। এ শিল্প টিকিয়ে রাখতে গেলে সরকারকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। এ শিল্পে প্রতিটি জিনিস আমদানি করতে হয়। আর কোম্পানিগুলো তাদের ইচ্ছেমতো মূল্য নির্ধারণ করে থাকে। মূল্য নির্ধারণে সরকারি নীতিমালা এবং নজরদারি বাড়ালে পোল্ট্রি শিল্প ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পাবে।

জেলা প্রানিসম্পদ অফিসের তথ্য অনুযায়ী ২৮০০ বাণিজ্যিক খামার রয়েছে। গত দুই মাস আগের জরিপ অনুযায়ী বর্তমানে বন্ধ হয়ে গেছে ৮০০টি খামার। ক্রমান্বয়ে এ সংখ্যা আরও বাড়বে বলে তাদের ধারণা। গাইবান্ধা জেলা

আরও পড়ুন: আবারও ক্ষমতায় জিনপিং

প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা মাসুদার রহমার বলেন, পোল্ট্রি খাদ্যের মূল্য বাড়ানো বা কমানোর ক্ষমতা আমাদের নেই। যদি খামারি, খাদ্য ব্যবসায়ী সবার সঙ্গে সমন্বয় করে সব কিছুর মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া যায় তাহলে পোল্ট্রি শিল্প ধ্বংসের দিকে যাবে না আর খামারগুলো বন্ধ হবে না।

সান নিউজ/এসআই

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

চাঁদাবাজির অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ যুবদল নেতা গ্রেপ্তার, পরে বহিস্কার

মুন্সীগঞ্জ সদরে দৈনিক মানবজমিনের এক সাংবাদিকের বাব...

‘যিনি ৪০ বছরের সংসার ভাঙছেন, স্রষ্টা তাকে দেখে নেবেন’, গোবিন্দের স্ত্রী

দীর্ঘ ৪০ বছরের দাম্পত্য জীবন। কৈশোরের প্রেম, মাত্র ১৫ বছর বয়সে আং...

বিয়েতে এখনই রাজি নন কৌশানি, জানালেন কারণ

দীর্ঘদিন ধরে অভিনেতা বনি সেনগুপ্তের সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন টলিউড অভিনেত্রী কৌশ...

পদত্যাগ করে যা বললেন ভারতের নারী বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক

গত বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রথমবার ভারতকে শিরোপা জেত...

জেনে নিন দীর্ঘদিন সুগন্ধি ভালো রাখার সহজ উপায়

প্রিয় পারফিউমটি কিছুদিন ব্যবহারের পর আগের মতো ঘ্রাণ ছড়াচ্ছে না—এমন অভিজ...

বিশ্বের সেরা শহর নিউইয়র্ক

লন্ডন, প্যারিস, সিয়াটল ও সান ফ্রান্সিসকোর মতো বিশ্বখ্যাত ও প্রভাবশালী মেট্রো...

হাম ও উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও উপসর্গে ছয়জনের মৃত্যু...

গাজায় ধ্বংসস্তূপের মাঝে বেঁচে থাকার সংগ্রাম

ইসরায়েলি চেকপয়েন্টে স্বামী নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই চরম অনিশ্চয়তা, অভাব আর একাক...

বিজিবির বীরত্বে বিএসএফের পিছুটান, ফের পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের মালকাডাঙ্গা স...

রামপাল সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা