জাতীয়

বিএনপির ৭ মার্চের কর্মসূচিতে আ.লীগের সমর্থন

নিজস্ব প্রতিবেধক : স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীকে মজিববর্ষ ঘোষণা করে সে উপলক্ষে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার পক্ষকালব্যাপী বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে।

অন্যদিকে, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপিসহ সমমনা ২০ দলীয় জোট। প্রতিদিনই হচ্ছে সভা-সেমিনার।আগামীকাল বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের দিন, যেদিন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রকে মুক্ত করার চুড়ান্ত দালিলিক ঘোষণা দেওয়া হয়, সেদিনও বিএনপি ও সমমনা জোটের রয়েছে রাজধানীসহ সারাদেশে আলোচনা সভা।

এ নিয়ে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক ও সচেতন মহলে নতুন কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিএনপি’র ৭ মার্চের এই কর্মসূচিকে স্বাগত জানিয়েছেন। খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও দলের স্বাধীনতা উদ্‌যাপন জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব আব্দুস সালাম জানান, আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করছি। এরই ধারাবাহিকতায় ৭ মার্চ নিয়ে আলোচনা সভা হবে। আমরা এই দিনটির তাৎপর্য এবং গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করবো।

বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির এক সদস্য এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপি’র দুই নেতা জানান, বিএনপি যে কর্মসূচি আগে কখনো করেনি, তা এবার করছে। সেগুলো দেশবাসী বা আওয়ামী লীগ যেন ইতিবাচকভাবে নেয় সেটাই হবে আমাদের প্রত্যাশা।

সম্প্রতি বিএনপি’র এই কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ঐতিহাসিক ৭ই মার্চকে যারা এতদিন নিষিদ্ধ করে রেখেছিল, তারাই এখন ৭ই মার্চ পালন করবে। বিএনপি’র এই সিদ্ধান্তকে আওয়ামী লীগ স্বাগত জানায়। বিএনপি’র এ প্রচেষ্টা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে ইতিবাচক আবহ তৈরি করবে বলে আমি মনে করি।

গত শনিবার গুলশানে এক মতবিনিময় সভায় একাত্তরের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ অবশ্যই একটি ইতিহাস বলে মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আমরা শুধু ৭ই মার্চ নয়, ২ মার্চ, ৩ মার্চ পালন করছি। ২ মার্চ প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন আ স ম আবদুর রব।

এটা স্বাধীনতার ইতিহাসের অংশ। ৩ তারিখ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেছেন শাজাহান সিরাজ। এটাকেও অস্বীকার করা যাবে না। ঠিক একইভাবে ৭ই মার্চ যে ভাষণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের, সেটা অবশ্যই ইতিহাস। অবশ্যই তার মর্যাদা তাকে দিতে হবে। একইসঙ্গে ২৬শে মার্চ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যে ঘোষণা জাতিকে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিল এবং সমগ্র জাতি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, এটাও ইতিহাস।

সুতরাং এগুলো কোনোটাই অস্বীকার করা যাবে না। বিএনপি মহাসচিব বলেন, কাউকেই খাটো করার কোনও রকম ইচ্ছা আমাদের নেই এবং আমরা বিশ্বাস করি সেটা উচিতও না। বিশেষ করে স্বাধীনতার ব্যাপারে প্রকৃত সত্য সবাইকে উদ্‌ঘাটন করতে হবে।

সান নিউজ/এসএ

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

শীর্ষ ইরানি নেতাদের হত্যা অগ্রহণযোগ্য: চীন

ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানির নিহত হওয...

দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির

দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা...

ঈদে আসছে নতুন সিনেপ্লেক্স

সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে সিনেমা দেখার অভ্যাসও। এক সময় দর্শকদের প্রধান ভরসা ছিল স...

ঈদুল ফিতরে নেতৃবৃন্দের সিডিউল

দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে অংশ নিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী...

ঈদ আনন্দ উপভোগের কেন্দ্রসমুহ

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে কর্মব্যস্ত ঢাকা নগরী অনেকটাই যানজটমুক্ত হয়ে প...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা