বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ–শরণখোলা) আসনে জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও জেলা শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, সৎ, যোগ্য ও মানবিক—গরীবের বন্ধু হিসেবে পরিচিত অধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলীম বলেছেন, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি জুলাই আন্দোলনের সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার জন্য সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
শনিবার বিকেলে মোরেলগঞ্জ উপজেলার রামচন্দ্রপুরে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের উদ্যোগে এক বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন জামায়াত ইসলামীর আমির আবুবকর শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াত ইসলামের মোরেলগঞ্জ উপজেলা আমির মাওলানা শাহাদাৎ হোসাইন, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মাকসুদ আলী খান, পেশাজীবী সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল মান্নান খান, জামায়াত নেতা সুপার মাওলানা আব্দুল মোতালেব হোসাইন, খিলাফতে ইসলামী মজলিসের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাসুম বিল্লাহ তালুকদার, যুব জামায়াত নেতা নাইম শিকদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
জনসভা পরিচালনা করেন রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি হাবিবুর রহমান শেখ।
জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলীম বলেন, জামায়াত ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী হলে মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলাকে আধুনিক ও পরিকল্পিত শহরে রূপান্তর করা হবে। সুপেয় পানির স্থায়ী ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে উপকূলবাসীকে দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা করা হবে। লুটপাট, ঘের দখল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের রাজনীতি থেকে জনগণকে মুক্ত করে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বৈষম্যহীন সমাজ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানাচ্ছি।
নিজের নির্বাচনী অঙ্গীকার তুলে ধরে অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম বলেন, নির্বাচিত হলে মোরেলগঞ্জ উপজেলার পূর্বাঞ্চলের নদীর এপাড়ের ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে সেলিমাবাদ থানার প্রতিষ্ঠা করা হবে। শরণখোলা থেকে ঘষিয়াখালী পর্যন্ত স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ, সুন্দরবনে পরিকল্পিত পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন, পানগুছি নদীতে সেতু নির্মাণ এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও ঘোষণা দেন, নির্বাচিত হলে তিনি সরকারি গাড়ি শুল্কমূল্যে গ্রহণ করবেন না। আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জানমাল ও অধিকার সুরক্ষিত করা হবে।
জনসভায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
সান নিউজ/আরএ