লাইফস্টাইল

শীতের রোগ ও প্রতিকার

লাইফস্টাইল ডেস্ক : রাজধানীসহ সারা দেশে তীব্র শীতে নাকাল জনজীবন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের মাত্রা রেকর্ড ছাড়িয়েছে। এতে করে মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। বেড়েছে ঠান্ডা জনিত বিভিন্ন রোগের প্রকোপ। কিছু কিছু রোগ ঠান্ডা থেকে তৈরি হয়ে মারাত্মক আকার ধারণ করছে। বিশেষ করে প্রান্তিক পর্যায়ে শীতের মাত্রা বেশি হওয়া এবং মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও চিকিৎসার সার্মথ্য কম থাকায় তাদের দুর্ভোগ বেড়েছে।

শীতে সচরাচর কিছু রোগ ব্যাধি দেখা দেয় কিন্তু এর বাইরে কিছু রোগ হলে অবশ্যই ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হওয়া উচিত। শীতের এই নানাবিধ রোগ নিয়ে বাংলা ইনসাইডারকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও মেডিসেন বিশেষজ্ঞ ডা. এবিএম আবদুল্লাহ।

শীতে কী কী রোগ হতে পারে?
শীতে সচরাচর কিছু রোগ ব্যাধি দেখা দেয় কিন্তু এর বাইরে কিছু রোগ হলে অবশ্যই ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হওয়া উচিত। শীতকালে সাধারণত সর্দি-কাশি হতে পারে। এরসঙ্গে টনছিল, মাথাব্যাথা, এজমা, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টের মতো রোগ প্রকট হচ্ছে। আবার যাদের এই রোগগুলো নেই তারা শীতের সময় নতুন করে এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

বাতের ব্যাথা থাকলে তা শীতের সময় বাড়ছে। আবার অনেকের বাত ছাড়াই ব্যাথাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। শিশুরা এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তারা ঠান্ডা জনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।

শীতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য কী কী খাবার গ্রহণ করা উচিত?
এসব রোগের প্রতিষেধক অপেক্ষা প্রতিরোধ বেশি দরকার। ঠান্ডা জনিত রোগগুলো যেন না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে। শীতে স্বভাবত মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। সেজন্য পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা জরুরি। যেমন-ভালো মাছ-মাংস, ফলমূল ইত্যাদি।

কিন্তু আমাদের গ্রামগুলোতে শীত যেমন বেশি তেমনি আর্থিক অসংগতির জন্য সবার জন্য প্রতিরোধক ব্যবস্থা হিসেবে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তাই গ্রামের মানুষের মধ্যে এ ধরণের রোগ বেশি হয়।

এসব রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা কী হতে পারে এবং কোন পর্যায়ে গেলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত?
ঠান্ডা জনিত সাধারণ রোগের জন্য বেশি চিন্তিত হওয়ার কোন কারণ নেই। সর্দি-কাশিজনিত রোগের জন্য প্যারাসিট্যামল জাতীয় ওষুধ খেলেই হয়। কিন্তু এজমা, টনসিল কিংবা শ্বাসকষ্টজনিত রোগের জন্য আলাদ আলাদা চিকিৎসা আছে এবং রোগ হয়ে গেলে অবশ্যই চিকিৎসা নিতে হবে। তবে চেষ্টা করতে হবে যেন ঠান্ডা লেগে এই রোগগুলো না হয়। কারণ সামর্থ্য না থাকার কারণে অনেকের পক্ষে সময়মত চিকিৎসা নিতে পারে না।

এই রোগ গুলোর জন্য কী ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত?
শীতের তীব্রতার উপরে আমাদের নিয়ন্ত্রণ থাকে না। তাই শীতের জন্য প্রয়োজনীয় লেপ,তোশক, কম্বল ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া যাদের সামর্থ্য আছে তাঁরা ঘর গরম রাখার হিটার ব্যবহার করতে পারেন। যারা বাইরে কাজ করেন তাদের গরম পোশাক ব্যবহার করা উচিত।

যাতে দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের শীতের কারণে বড় ধরণের রোগব্যাধি না হয় সেজন্য সরকার ও প্রসাশনের পাশাপাশি দেশের বিত্তবানদের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত। বিশেষ করে শিশুদের প্রতি সরকারের পাশাপাশি সকলেরই নজর দিতে হবে।

সান নিউজ/পিডিকে

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

নোয়াখালীতে আবাসিক হোটেলে ডিবির অভিযানে গ্রেপ্তার ১২  

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী বাজারের একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অ...

ইসলামী ব্যাংকের বাংলা কিউআর লেনদেনে স্মার্টফোন জেতার সুযোগ

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর উদ্যোগে দেশব্যাপী বাংলা কিউআর জনপ্রিয় করার ল...

উলিপুরে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

কুড়িগ্রামের উলিপুরে পৃথক ঘটনায় পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃ...

সরকারি মনিটরিংয়ের আওতায় আসছে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়

দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারি মনিটরিং ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া...

বাবাজি আমার যৌবন বা শোবার ঘর নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখবেন না: কঙ্গনা

বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাওয়াতকে নিয়ে মন্তব্য করে নতুন...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা