৬৬০ শিক্ষকের ভাগ্য ফাইল বন্দি
শিক্ষা

৬৬০ শিক্ষকের ভাগ্য ফাইল বন্দি

সান নিউজ ডেস্ক : মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কম্পিউটার শিক্ষা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদ সৃষ্টির অনেক আগেই নিয়োগ প্রদান করা হয়।

আরও পড়ুন : শ্রীলঙ্কায় কারফিউ জারি

এদিকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে (স্কুল ও কলেজ) জনবল ও এমপিও ২০১০ সালের (সংশোধিত ২০১৩) নীতিমালা অনুযায়ী মাধ্যমিক স্তরে একজন কম্পিউটার শিক্ষক পদে এমপিওভুক্তির সুযোগ পান।

কিন্তু নিয়োগপ্রাপ্ত কম্পিউটার শিক্ষকরা নীতিমালা অনুযায়ী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এমপিওভুক্তির সুযোগ পাননি। ফলে বছরের পর বছর ধরে এসব শিক্ষকের ভাগ্য অনিশ্চয়তায় মাঝে ঝুলছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।

অপরদিকে ২০১৮ সালের নতুন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল ও এমপিও নীতিমালায় কম্পিউটার শিক্ষক পদ না রেখে করা হয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের পদ সৃষ্টি করা হয়।

আরও পড়ুন : বিশ্বজুড়ে মৃত্যু বেড়েছে

ওই নীতিমালায় নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক দুটি স্তরেই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। কম্পিউটার শিক্ষক পদটি সমন্বয় করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের শিক্ষক পদে মাধ্যমিক স্তরে এমপিওভুক্তির সুযোগ দেওয়া হয়।

নীতিমালা অনুযায়ী নিম্ন মাধ্যমিক স্তরে কম্পিউটার শিক্ষক এমপিওভুক্তির সুযোগ পাওয়ার কারণে নিম্ন মাধ্যমিকে কম্পিউটার শিক্ষকের পদ তৈরির আগেই প্রতিষ্ঠানগুলো কম্পিউটার শিক্ষক নিয়োগ দেয়।

ফলে ২০১০ সালের নীতিমালা বা ২০১৮ সালের নীতিমালা অনুযায়ী পদ সমন্বয় করে নিম্ন মাধ্যমিক স্তরের কম্পিউটার শিক্ষক পদের শিক্ষকরা এমপিওভুক্তি থেকে বাদ পড়েন।

আরও পড়ুন : শ্রীলঙ্কা সংকটের পেছনে রাশিয়া দায়ী

এমন পরিস্থিতিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে ভুক্তভোগী শিক্ষকদের পক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন জানানো হয়। ২০১৯ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের অধীন দেশের বিভিন্ন নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কম্পিউটার শিক্ষক পদে এমপিওভুক্তির আবেদন করেন।

২০১৮ সালের নীতিমালার আলোকে পরিস্থিতি বিবেচনা করে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) পদে ২০১৯ সালের ২৬ নভেম্বর বিশেষ বিবেচনায় এমপিওভুক্তির জন্য মতামত চাওয়া হলে প্রস্তাবে ২০১২ সালের আগে নিয়োগ পাওয়া নিবন্ধনধারী ও নিবন্ধনবিহীন সব কম্পিউটার শিক্ষকের এমপিওভুক্তির জন্য মতামত দিতে বলা হয়।

সিনিয়র সচিব বরাবর মতামত চেয়ে পত্র দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের ওই সময়ের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক।

প্রসঙ্গত, অধিদফতরের পত্রের আলোকে মন্ত্রণালয়ে ফাইল উত্থাপনের পর ২০২০ সালের ফাইল অনুমোদন দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। কিন্তু রহস্যজনক কারণে এ বিষয়ে কোনও মতামত অধিদফতরকে জানায়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে ৬৬০ জন শিক্ষকের ভাগ্য এভাবেই ফাইলে আটকে আছে।

আরও পড়ুন : ১৩৯ অতিরিক্ত ডিআইজিকে বদলি

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীক বলেন, ‘এগুলো পুরাতন বিষয়, সুবিধাভোগীরা আবেদন করলে আমি দেখবো। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবো।’

ভুক্তভোগী শিক্ষকদের পদ সমন্বয় করে এমপিও দেওয়ার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর যে পত্র দেয়, তার কোনও অগ্রগতি জানেন না শিক্ষকরা।

অপরদিকে ভুক্তভোগী শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।

সান নিউজ/এইচএন

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

সিরাজগঞ্জে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত 

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় একটি...

ঈদুল আজহায় কোটি পশু কোরবানির সম্ভাবনা: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

পবিত্র ঈদুল আজহায় এবার সারা দেশে প্রায় এক কোটি পশু...

হাম ও উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছ...

কাবা শরিফ ঢেকে রাখা হয় কেন, কিসওয়া কী

সৌদি আরবের স্থানীয় সময় ৮ জিলহজ থেকে পবিত্র হজের আন...

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি কার গায়ে থাকবে

ফুটবলে ১০ নম্বর জার্সি একটি গুরুত্ব বহন করে। কিছু...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা