জাতীয়

সংগ্রামের সারথি ছিলেন আমার মা

সান নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশ ও দেশের মানুষের জন্য আমার মায়ের যে আত্মত্যাগ, তা খুব কমই উঠে এসেছে। দেশের স্বাধীনতার জন্য আমার বাবার যে সংগ্রাম, সেই সংগ্রামের সারথি ছিলেন আমার মা। সবসময় আমার মা সাহস যুগিয়েছেন। আন্দোলন সংগ্রামের জন্য বাবা বেশিরভাগ সময় বাইরে থাকলেও কখনোই বিরক্ত করতেন না। বলতেন ‘আমি দেখব তুমি চিন্তা করো না’। সংসার সামলানোর পাশাপাশি জাতির পিতার অনেক সময়োচিত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বঙ্গমাতার পরামর্শ আন্দোলন-সংগ্রামে গতির সঞ্চার করেছিল।

আরও পড়ুন: ফের চলন্ত বাসে গণধর্ষণ

রোববার (৭ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে ‘বঙ্গমাতা: এ প্যারাগন অব উইমেন লিডারশিপ অ্যান্ড ন্যাশন-বিল্ডিং ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে সম্মেলনটি শুরু হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খ্যাতিমান কথা সাহিত্যিক ও বাংলা একাডেমির সভাপতি মিসেস সেলিনা হোসেন।

আরও পড়ুন: রিকশা গ্যারেজে বিস্ফোরণ, নিহত ৩

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. তানিয়া হক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমার মা খুনিদের কাছে নিজের জীবন ভিক্ষা চান নাই। তিনি নিজে জীবন দিয়ে গেছেন। জাতির পিতার সিঁড়িতে পড়ে থাকা মৃতদেহ দেখে সোজা বলে দিয়েছেন, ‘তোমরা ওনাকে মেরেছ, আমাকেও মেরে ফেলো’। সেখানেই আমার মাকে তারা নির্মমভাবে হত্যা করে।

আরও পড়ুন: ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, আমার মায়ের কোনো চাওয়া-পাওয়া ছিল না। দেশের জন্য, মানুষের জন্য, দলের জন্য তিনি সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছেন। পৃথিবীর যেকোনো মেয়ে তা অনুসরণ করতে পারবে।

শেখ হাসিনা বলেন, মাতৃভাষা থেকে শুরু করে দেশের সব আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল অবদান রয়েছে। স্বাধীনতার পর দেশ গঠন এবং সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাবি মুখ্য ভূমিকা পালন করছে। আজ আমরা যে স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি, তারও সবচেয়ে বড় অবদান এ বিশ্ববিদ্যালয়ের। তাই আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হিসেবে গর্ববোধ করি। আমাদের পরিবারের প্রায় সবাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।

আরও পড়ুন: চীনের সঙ্গে ৪ সমঝোতা স্মারক সই

সম্মেলন এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ উদ্বোধন ঘোষণা করে তিনি বলেন, আমার মায়ের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেজন্য আমি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আপনাদের এই উদ্যোগ সফল হোক, আমি আমার পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার আশ্বাস দিচ্ছি।

সান নিউজ/কেএমএল

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

পুলিশের বিরুদ্ধে নাটকীয়তার অভিযোগ

বদরুল ইসলাম বিপ্লব, ঠাকুরগাঁও: ঠা...

ফের বেড়েছে ডিমের দাম

সান নিউজ ডেস্ক: গত আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে প্রতি ডজন ডিমের দাম...

রোহিঙ্গা সংকট গ্রহণযোগ্য নয়

সান নিউজ ডেস্ক: রোহিঙ্গা সংকট কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন...

হত্যার রাজনীতি করে বিএনপি 

বিনোদন ডেস্ক: তথ্য ও সম্প্রচার মন...

উলিপুরে গৃহবধূর আত্মহত্যা!

কামরুজ্জামান স্বাধীন, উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প...

যুদ্ধ বন্ধে ব্যক্তিগত অনুরোধ

সান নিউজ ডেস্ক: পোপ ফ্রান্সিস প্রথমবারের মতো সরাসরি রাশিয়ার...

সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার

আমিরুল হক নীলফামারী : নীলফামারীর ডোমারে মাদক মামলায় সাজাপ্রা...

জামিন পেলেন ইমরান খান

সান নিউজ ডেস্ক: গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির একদিন পরই জামিন পেলে...

শিক্ষককে পিটিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা

ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মো. ইব্রাহীম লিটন নামে...

প্রবাসী আয়ে বড় ধাক্কা

সান নিউজ ডেস্ক : সদ্য বিদায়ী সেপ্টেম্বর মাসে ১৫৩ কোটি ৯৫ লাখ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা