সংগৃহীত ছবি
আন্তর্জাতিক

জান্তার ৪৩ শতাংশ এলাকা হাতছাড়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: স্বাধীনতার পর থেকে সাত দশকেরও বেশি সময় মিয়ানমারে দ্বন্দ্ব-সংঘাতের ইতিহাস রয়েছে। কিন্তু এবারের সংকট সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে দেশটির জান্তা বা সামরিক শাসকরা। বিশেষ করে, অন্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সমর্থন নিয়ে সরকারের বিরোধিতা করা শান রাজ্যের তিনটি জাতিগত বিদ্রোহী গোষ্ঠীর একজোট হয়ে চালানো একের পর এক হামলায় ক্রমাগত নাস্তানাবুদ হচ্ছে সামরিক বাহিনী।

আরও পড়ুন: নাইজেরিয়ার সংঘাতে নিহত ৩০

সামরিক জান্তার নতুন করে ক্ষমতা দখলের তিন বছর পূর্ণ হতে চলেছে। তবে প্রথম আড়াই বছর সামরিক বাহিনী দমন-পীড়নের মাধ্যমে যতটা সহজে ক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছিল, এখন সেই দৃশ্য অনেকটাই বদলে গেছে।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের এপ্রিলে ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) নেতৃত্বে নির্বাচনে জয়ী সদস্যরা জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করে, যাকে সংক্ষেপে বলা হয় এনইউজি। বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সদস্যরাও এতে যোগ দেয়। এরপর সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে থাকা বিদ্রোহী বাহিনীর সাথে মিলে তারা প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করে এবং সব গোষ্ঠীর সমন্বয়ে তৈরি করে ‘পিপলস ডিফেন্স ফোর্স’।

আরও পড়ুন: তাইওয়ান প্রণালীতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবরের শেষের দিকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ওপর একজোট হয়ে হামলা চালায় দেশটির উত্তরের জাতিগতভাবে সংখ্যালঘু তিনটি বিদ্রোহী বাহিনী, যাদের একসাথে ডাকা হচ্ছে ‘থ্রি গ্রুপ অ্যালায়েন্স’ নামে। ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (এমএনডিএএ), তায়াং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) এবং আরাকান আর্মি (এএ) নিয়ে এই জোট গঠন করা হয়েছে। তারা এই অভিযানের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন ১০২৭’

আরও পড়ুন: মালিতে খনি ধস, নিহত ৭৩

অক্টোবরে হামলা শুরুর পর থেকে হাজার হাজার সৈন্য তাদের সরঞ্জাম নিয়ে বিদ্রোহী বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। সারা দেশে বিদ্রোহী বাহিনীর কাছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ৪০০ এর বেশি সীমান্ত চৌকি হারিয়েছে এবং এর মধ্যে সামরিক বাহিনীর আঞ্চলিক কার্যক্রম চালানোর অফিসও রয়েছে।

এদিকে, রাস্তায় অতর্কিত হামলা থামাতে ব্যর্থ সামরিক বাহিনী তাদের সীমিত সংখ্যক হেলিকপ্টারের ওপর নির্ভর করে ঘাঁটিগুলোতে রসদ পাঠাচ্ছে। তবে তাতেও শেষ রক্ষা হচ্ছে না। সূত্র: বিবিসি বাংলা

সান নিউজ/এএন

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

নোবিপ্রবির মাহামুদুল এখন অ্যামাজনের সিনিয়র ম্যানেজার ‎ 

‎বিশ্ববিখ্যাত প্রযুক্তি ও রিটেইল জায়ান্ট 'অ্যামাজন'-এর সিনিয়র ম...

আলফাডাঙ্গায় কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বড়ভাগ গ্রামে দীর্ঘদিনের পূর্ব শত্রুতা ও গ্রাম্য...

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত, কবে ম্যাচ?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত হয়েছে। গ্রুপ...

বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার সহায়তা বিশ্বব্যাংকের

বাংলাদেশকে প্রায় প্রায় ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা (১ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)...

মালয়েশিয়া-চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর কূটনীতির প্রশংসায় অর্থমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের স্বাধীন, ভারসাম্যপ...

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা 

আগামী সোমবার (২৯ জুন)প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি&...

আইসিসিকে দেওয়া চিঠিতে যা লিখেছেন বুলবুল 

বিসিবির পরিচালক সিরাজউদ্দিন আলমগীর আইসিসিকে দেওয়া বুলবুলের সেই চিঠি নিয়ে বলেন...

তিস্তায় যৌথ কারিগরি সমীক্ষা করবে বাংলাদেশ ও চীন

তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ও চীন যৌথভাবে একটি কারিগরি...

সাড়ে ৬ বছর পর শেষ হচ্ছে মোংলা বন্দরের মেগা ড্রেজিং প্রকল্প   

মোংলা বন্দরকে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্ষম ও সচল রাখতে অবশেষে সমাপ্তির পথে আউটার বারের...

মুন্সীগঞ্জ সদরে ৩০ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার 

মুন্সীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৩০ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারি কে গ্রেপ্তার করেছে...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা