ছবি-সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

খেরসনে ৪০০ যুদ্ধাপরাধ করেছে রাশিয়া

সান নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন ফিরে পাওয়ার পর রাশিয়ার বিরুদ্ধে আবারও যুদ্ধাপরাধের এ অভিযোগ তুলেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ফের ভূমিকম্পে কাঁপল ভারত

রাশিয়া তাদের সেনা প্রত্যাহারের পর ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ খেরসনের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং এর পর থেকে তদন্তকারীরা খেরসন অঞ্চলে গণকবরসহ ৪০০টিরও বেশি যুদ্ধাপরাধের আলামত উন্মোচন করেছে বলে অভিযোগ করেছেন জেলেনস্কি।

রুশ এই আগ্রাসনের কারণে ইউরোপজুড়ে যুদ্ধের দামামা, একই সঙ্গে চলছে সামরিক-বেসামরিক লোকজনের প্রাণহানিও। এ পরিস্থিতিতে রাশিয়া ও প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ উঠেছিল আগেই।

আরও পড়ুন: ‘গাংচিল’ বাহিনীর প্রধান গ্রেফতার

তার দাবি, এ অঞ্চলে বেসামরিক ও সৈন্যদের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। তবে রুশ সৈন্যদের ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক নাগরিকদের হামলার টার্গেট করার বিষয়টি বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে মস্কো।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে আগ্রাসন শুরুর পর মার্চের প্রথম সপ্তাহে ইউক্রেনের অন্যতম প্রধান শহর এবং বন্দরনগরী খেরসন দখল করে নেয় রাশিয়া।

এ ছাড়া প্রথম বড় কোনো ইউক্রেনীয় শহর হিসেবে খেরসন দখল করেছিলেন রুশ সেনারা। এর প্রায় দুই মাসের মাথায় খেরসনের পুরো অঞ্চলটি দখলে নেয় মস্কোর বাহিনী।

প্রায় তিন লাখ বাসিন্দার খেরসন শহর ও অঞ্চলটি রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর দখলে যাওয়া মস্কোর জন্য বড় ধরনের বিজয় বলে মনে করা হয়েছিল। মূলত রুশ সামরিক বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিও ছিল এ শহর।

আরও পড়ুন: বৃদ্ধ মাকে বের করে দিল সন্তানরা

তবে গত শুক্রবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক ব্রিফিংয়ে বলা হয়, ইউক্রেনের দক্ষিণের খেরসন অঞ্চলের দিনিপ্রো নদীর পশ্চিমতীর থেকে রাশিয়ার সব সৈন্য প্রত্যাহার শেষ হয়েছে। শুক্রবার রুশ সেনারা সেটি পরিত্যাগ করার পর শহরের বাসিন্দারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং শহরের কেন্দ্রে ইউক্রেনীয় সৈন্যদের স্বাগত জানান।

প্রসঙ্গত, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে পূর্ব ইউক্রেনের রুশপন্থী বিদ্রোহী ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি বিদ্রোহীদের দুই রাষ্ট্র ‘দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিক’ ও ‘লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিক’কে স্বীকৃতি দিয়ে শান্তি রক্ষায় ওই অঞ্চলে সেনাবাহিনী পাঠায় রাশিয়া।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশপন্থী বিদ্রোহীদের সহায়তার লক্ষ্যে মস্কো স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীকে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার অভিযানের নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী নিত্য পণ্যের দাম বেড়ে যায় যা এখন পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে জার্মানিসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর থেকেই পাল্টে যেতে শুরু করে জার্মানিসহ পশ্চিমা দেশগুলোর অর্থনীতির চেহারা। নিষেধাজ্ঞার বিপরীতে রাশিয়া থেকে জ্বালানি, ভোজ্য তেল, গ্যাস ও কয়লাসহ খাদ্যশস্যের আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। বিভিন্ন দেশে দেখা দিয়েছে মূল্যস্ফীতি।

৬ মাসের বেশি সময় ধরে চলছে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ। সম্প্রতি খারকিভে পাল্টা প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তোলে ইউক্রেনের সেনারা।

সান নিউজ/এনকে

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

শিক্ষার্থীদের আটকাতে ব্যারিকেড

নিজস্ব প্রতিবেদক: কোটা সংস্কারের ১ দফা দাবি আদায়...

কোপার শিরোপা আর্জেন্টিনার

স্পোর্টস ডেস্ক : কোপা আমেরিকার ফাইনালে লাউতারো মার্টিনেজের গ...

সোনার রেকর্ড দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের বাজা...

টিভিতে আজকের খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক: প্রতিদিনের মতো আজ রোববার (১৪ জুলাই) বেশ কিছু...

ক্যাম্পাসে ফিরেছেন শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি চাকরিতে...

বাফুফের জন্মদিন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালের (১৬...

২ বিভাগ- ১ জেলায় তাপপ্রবাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে দেশের ২ বিভ...

বহিরাগতদের জন্যই পুলিশ মোতায়েন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্য...

ঢাবিতে রাতেও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ সারা দিনভর দ...

অনুরোধ প্রত্যাখ্যান শিক্ষার্থীদে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীর...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা