অপরাধ

ওসিসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

সান নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ, ওসি তদন্ত মহিউদ্দিন ফারুক, ওসি অপারেশন গোলাম আজম ও দুই এসআইসহ ১৩জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ আইনে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা ধর্ষণের কোনো প্রতিকার না করে উলটো ধর্ষণকারীদের সহায়তা করেছেন বলেও মামলায় অভিযোগ আনেন ওই নারী।

আরও পড়ুন: বাল্যবিবাহ হলে শিশু নিজেই রুখে দাঁড়ায়

মঙ্গলবার (১ মার্চ) নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এ মামলা দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অ্যাডভোকেট মো. জাকির হোসেন হাওলাদার। তিনি বলেন, আজ (মঙ্গলবার) সকালে নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল নং ৭-এ মামলাটি করা হয়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- তানিম রেজা বাপ্পি, পান্নু হাওলাদার, ইউসুফ রিপন, কাজী তোফাজ্জল হোসেন, জাভেল হোসেন পাপন, মোহাম্মদ জামাল, রাকিবুল হাসান, এসআই শরিফুল, এসআই চয়ন ও মোসাম্মৎ আলেয়া।

জানা গেছে, তানিম রেজা বাপ্পি নামের এক যুবকের সঙ্গে স্বামী ‘পরিত্যক্তা’ এক নারীর পরিচয় হয় ২০২০ সালে। একপর্যায়ে তানিম ওই নারীকে বিয়ে করে সংসার করতে শুরু করেন। পরে ওই নারী জানতে পারেন ‘বিয়ে ভুয়া’ ছিল। পরে তানিন ওই নারীকে হাতিরঝিল থানা এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যান। সেখানে দলবেঁধে ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় হাতিরঝিল থানায় মামলা করতে গেলে ওসিসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা তা গ্রহণ না করে ১ লাখ টাকা দিয়ে আপস করতে চাপ দেন ভিকটিমকে। উপায় না পেয়ে ওই নারী এখন আদালতের দারস্থ হয়েছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বাদী একজন স্বামী ‘পরিত্যক্তা’ নারী। তিনি খিলগাঁওয়ে বাবার বাড়িতে থাকেন। প্রায় এক বছর আগে তার সঙ্গে রাজধানীর ডেমরা রসুলপুরের তানিম রেজা বাপ্পির পরিচয় হয়। ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর আসামি তানিম তার সহযোগীদের নিয়ে মামলার বাদীর ভাড়া বাসায় আসেন। সেখানে তানিম বাদীকে বিয়ে করেন। বিয়েটা ছিল সাজানো। দুই মাস ঘর-সংসার করেন। এরপর বাদীর সন্দেহ হয়। তিনি কাবিননামা চান। তারা বিয়ের কাজী তোফাজ্জল হোসেনের বাড়িতে যান। বাদী জানান, তাদের বিয়ের কোনো কাগজপত্র নেই। বিয়ের নাটক সাজিয়ে তানিম রেজা বাপ্পি বাদীকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

মামলায় ভিকটিম আরও অভিযোগ করেন, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি মামলার তানিম রেজা হাতিরঝিলের পাশের একটি বাসায় নিয়ে যান ভিকটিমকে। সেখানে নিয়ে জাভেল হোসেন পাপন ও মোহাম্মদ জামাল মিলে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এ সময় ভিকটিম ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে সুস্থ হয়ে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি হাতিরঝিল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। থানার ওসিসহ অন্য পুলিশ কর্মকর্তারা কয়েকজন আসামিকে আটক করেন। কিন্তু আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশ করে তারা এই মামলা গ্রহণ না করে বাদীকে (ভিকটিম) এক লাখ টাকা নিয়ে আপস করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।

সান নিউজ/এমকেএইচ

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

হ্যাঁ না নিয়ে বিপাকে ভোটাররা

গণভোটের ভোটপ্রদান করতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন অনেক ভোটার। কেউ কেউ হ্যাঁ না ব্যালটে...

ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ককে ‘অগ্রাধিকার’ দেবে জামায়াত

ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ককে ‘অগ্রাধিকার’ দেবে জামায়াত। সেই সঙ্গে বাং...

বাংলাদেশ গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠেছে : সিইসি

বাংলাদেশ গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠেছে। গণতন্ত্রের ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছাবে ইনশাআল্লা...

নোয়াখালীতে নারী ভোটারদের উপচে পড়া ভিড়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালীর ছয়টি সংসদীয় আসনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ...

কঠোর নিরাপত্তায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ চলছে

পটুয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা রাঙ্গাবালিতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে সুষ্ঠ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা