জাতীয়

‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে অন‌্যায় করছে মিয়ানমার’

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মিয়ানমারের সঙ্গে কোনো সংঘাতে যায়নি বাংলাদেশ। তবে রোহিঙ্গা ইস্যুতে তারা অন‌্যায় করে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে মিরপুর সেনানিবাসে ২০২০-২১ কোর্সের গ্রাজুয়েশন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ‌্যমে অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কারও সঙ্গে দ্বন্দ্ব নয়, আলোচনার মাধ‌্যমেই আশ্রিত ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে চায় বাংলাদেশ।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘মুজিববর্ষে আমাদের অঙ্গীকার, এ দেশে একটি মানুষও ভূমিহীন থাকবে না, গৃহহারা থাকবে না। প্রতিটি মানুষের ঠিকানা হবে। প্রতি ঘরে ঘরে আলো জ্বলবে। প্রতিটি মানুষ শিক্ষা এবং স্বাস্থ‌্য সেবা পাবে। উন্নত জীবন পাবে, সুন্দরভাবে বাঁচবে। প্রতিটি গ্রাম শহরে রূপান্তরিত হবে। প্রত‌্যেকে গ্রামে বসে নাগরিক সুবিধা পাবে। সেভাবেই আমরা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাই।’

গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে আপনাদের জীবনের একটি বিশেষ দিন। এ দিনটির জন্য দীর্ঘ ১১ মাস আপনাদের কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায় করতে হয়েছে। আপনারা সমর জ্ঞান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে উচ্চতর জ্ঞান লাভ করেছেন। আমার বিশ্বাস এ প্রশিক্ষণ লব্ধ জ্ঞান, আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন ও নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়ক হবে। কারণ মনে রাখতে হবে, পৃথিবীটা একটা ভিলেজ। এখানে কেউ এককভাবে চলতে পারে না। সবাইকে নিয়ে চলতে হয়। এজন্য জ্ঞানের পরিধি অনেক বিস্তৃত করতে হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, এ প্রতিষ্ঠানের গ্র্যাজুয়েটগণ তাদের অর্জিত জ্ঞান, ইচ্ছাশক্তি ও অঙ্গীকারের মাধ্যমে দেশকে একটি স্থিতিশীল, টেকসই, আত্মনির্ভরশীল, সর্বোপরি গৌরবময় অবস্থানে নিয়ে যাবে। মনে রাখতে হবে, এদেশ লাখো শহীদদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন করেছি। আমরা দেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করতে চাই।

তিনি বলেন, উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়তে ২০২১-২০৪১ পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছি। যার মাধ্যমে দেখতে চাই, কেমন হবে ৪১-এর বাংলাদেশ। এটি বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হবে। আজকের গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করা কর্মকর্তারাই আমার ওই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সৈনিক হবে। তারা দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে কাজ করবে।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক গ্রামে শহরের সুবিধা নিশ্চিত করতে চাই। আমরা দেখতে চাই ২১০০ সালের বাংলাদেশ কেমন হবে। সেজন্য ডেল্টা প্ল্যান করেছি। যাতে আমাদের এই ব-দ্বীপ জলবায়ুর পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পায়। চিরদিন হয়ত আমরা থাকবো না। তারপরও পরিকল্পনা টা করে দিয়ে যাচ্ছি। যাতে প্রজন্মের পর প্রজন্ম উন্নত জীবন পায়।

সেনাবাহিনীর ধর্মীয় শিক্ষক আবদুল মান্নানের কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। স্বাগত বক্তব্য দেন সামরিক বাহিনীর কমান্ড ও স্টাফ কলেজের কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল মো. জুবায়ের সালেহীন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকীসহ সামরিক বাহিনীর কমান্ড ও স্টাফ কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ।

সান নিউজ/এম

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

তাইওয়ান নিয়ে ট্রাম্প-শি ফোনালাপ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট...

২০ ফেব্রুয়ারি থেকে অমর একুশে বইমেলা-২০২৬ শুরু

অমর একুশে বইমেলা-২০২৬ শুরু হবে ২০ ফেব্রুয়ারি। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় বাংলা এক...

নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন কে?

আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সাবেক স্প...

নিখোঁজ ওয়ালিউল্লাহ-মোকাদ্দাসের সন্ধানের দাবি ইবিতে

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী ওয়ালিউল্লাহ ও আল-মোকাদ্দাস...

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কুষ্টিয়ায় বিজিবির প্রেস ব্রিফিং

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা