মূল্যস্ফীতি (ছবি: প্রতীকী)
মতামত

গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতির উচ্চহার উদ্বেগজনক

আবদুল লতিফ মন্ডল: বাংলাদেশে পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যের বরাত দিয়ে ৩০ এপ্রিল পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক বছরের বেশি সময় ধরে মূল্যস্ফীতির হার শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি।

প্রতিবেদনে মার্চে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত খাতে শহর ও গ্রামে মূল্যস্ফীতি হারের একটি তুলণামূলক বিবরণী দেওয়া হয়েছে। এতে দেখা যায়, মার্চে শহর ও গ্রামে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৬৯ এবং ৬ দশমিক ৫২ শতাংশ। অর্থাৎ শহরের চেয়ে গ্রামে মূল্যস্ফীতির হার বেশি হয়েছে দশমিক ৮৩ শতাংশ।

আর খাদ্য খাতে যখন শহরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ, তখন গ্রামে এ খাতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত খাতে শহর ও গ্রামে মার্চে মূল্যস্ফীতির হার ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯০ এবং ৬ দশমিক ১৫ শতাংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু মার্চে নয়, বরং গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এ বছরের মার্চ পর্যন্ত টানা ১৪ মাস শহরের চেয়ে গ্রামে মূল্যস্ফীতির হার বেশি হয়েছে। গ্রামাঞ্চলের মানুষের আয়ের উৎস খুবই সীমিত। তাই মূল্যস্ফীতির উচ্চহার তাদের জীবনে দুঃখ-কষ্ট আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। গ্রামাঞ্চলে উচ্চ মূল্যস্ফীতি কীভাবে সেখানকার মানুষের দুঃখ-কষ্ট বাড়িয়ে দিয়েছে এবং কীভাবে তা কিছুটা লাঘব করা যেতে পারে, তা আলোচনা করাই এ নিবন্ধের উদ্দেশ্য।

মার্চ এবং পূর্ববর্তী ১৬ মাসে মূল্যস্ফীতির হার পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি ছিল মার্চে। এ হার ছিল ৬ দশমিক ২২ শতাংশ। এর আগের মাসে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারিতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৬ দশমিক ১৫ শতাংশ। এদিকে যখন মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, তখন কমেছে সাধারণ মানুষের আয়। আর এটি ঘটছে গত এক দশক ধরে।

বিবিএসের তথ্যের বরাত দিয়ে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান সম্প্রতি দেখিয়েছেন, ২০১০-১১ অর্থবছরে বিবিএসের মজুরি সূচক ছিল ১০০ পয়েন্ট, যা ২০২০-২১ অর্থবছর শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮০ দশমিক ৮৩ পয়েন্টে। এর মানে হলো, ২০১০ সালে মানুষের গড় মজুরি যদি ১০ হাজার টাকা হয়, তাহলে ২০২০-২১ সালে তা বেড়ে হয়েছে ১৮ হাজার ৮৩০ টাকা। এক যুগে মজুরি বেড়েছে ৮১ শতাংশের মতো। অন্যদিকে বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, ২০০৫-০৬ সালে মূল্যস্ফীতি সূচক ছিল ১০০, যা প্রতিবছর বাড়তে বাড়তে ২০১০-১১ অর্থবছরে দাঁড়ায় ১৫৬ পয়েন্টে।

আর ২০২০-২১ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি সূচক ২৮৮ পয়েন্টে উন্নীত হয়। মূল্যস্ফীতির ভিত্তি পুনর্বিন্যাস করলে দেখা যায়, ২০১০-১১ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি সূচক যদি ১০০ পয়েন্ট হয়, তাহলে ২০২০-২১ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮৪ পয়েন্টে। অর্থাৎ ২০১০-১১ অর্থবছরে যেখানে জিনিসপত্র কিনতে ১০০ টাকা খরচ হতো, সেখানে তা কিনতে এখন কমপক্ষে ১৮৪ টাকা খরচ হয়।

এ সময়ে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে ৮৪ শতাংশ, যা মজুরি বৃদ্ধির (৮১ শতাংশ) চেয়ে কিছুটা বেশি। এর মানে হলো, মানুষের গড় মজুরি যে হারে বেড়েছে, তার চেয়ে বেশি হারে বেড়েছে জিনিসপত্রের দাম। ফলে মূল্যস্ফীতির বাড়তি চাপ গত এক যুগে মানুষের গড় ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে। এটা জাতীয় পর্যায়ের সার্বিক চিত্র হলেও গ্রামের সাধারণ মানুষের অবস্থা আরও করুণ। কর্মক্ষম মানুষের ৪০ শতাংশের বেশি কৃষিতে নিয়োজিত। কৃষি শ্রমিকরা বছরের সবসময় কাজ পায় না।

বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষি শ্রমিকরা ভাদ্র ও আশ্বিনে কাজ পায় না। এ সময় তাদের সংসারে দুঃখ-কষ্ট চরম আকার ধারণ করে। তাছাড়া শহরের নির্মাণ শ্রমিক, রিকশাওয়ালা, ঠেলাগাড়িওয়ালা, কুলি, বন্দরশ্রমিক প্রমুখের তুলনায় গ্রামের কৃষি শ্রমিকদের মজুরি অনেক কম। তাই খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যাদির মূল্যস্ফীতি তাদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।

শহরের চেয়ে গ্রামে মূল্যস্ফীতির হার বেশি কেন? গবেষকদের বরাত দিয়ে যুগান্তরের উপর্যুক্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রামাঞ্চলে নিত্যপণ্যের জোগানে খরচ বেশি। বেশিরভাগ পণ্যই শহর থেকে যাচ্ছে গ্রামে। কৃষিভিত্তিক নিত্যপণ্যের উৎপাদন গ্রামে হলেও মজুত গড়ে উঠছে শহরে। উৎপাদনের পরপরই সেগুলোর বেশিরভাগই কৃষকের হাত থেকে চলে যাচ্ছে মজুতদারদের নিয়ন্ত্রণে। তারা কম দামে কিনে বেশি দামে গ্রামের মানুষের কাছে বিক্রি করছে। এতে পরে নিজের উৎপাদিত পণ্যই বাড়তি দামে কিনছে কৃষক।

এসব কারণেই মূল্যস্ফীতির হার গ্রামে অধিক হারে বাড়ছে। এ ছাড়া রেমিট্যান্সের অর্ধেকের বেশি যাচ্ছে গ্রামে। এগুলোর ৫৩ শতাংশই ভোগ বিলাসে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে অনুৎপাদনশীল খাতে টাকার প্রবাহ বাড়ছে। মূলত এ দুটি কারণেই গ্রামে মূল্যস্ফীতির হার বেশি হচ্ছে। প্রথম যুক্তিটির সমর্থনে আমরা দেশের প্রধান খাদ্য চালের উদাহরণ দিতে পারি।

খাদ্যের বেশ কয়েকটি উপাদান থাকলেও বাংলাদেশে খাদ্য বলতে মূলত চাল থেকে রূপান্তরিত ভাতকে বোঝায়। শহরাঞ্চলের চেয়ে গ্রামাঞ্চলের মানুষ বেশি পরিমাণে ভাত খায়। বিবিএসের সর্বশেষ হাউজহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেন্ডিচার সার্ভে (হায়েস) ২০১৬ থেকে দেখা যায়, জাতীয় পর্যায়ে মাথাপিছু দৈনিক চাল ভোগের পরিমাণ ৩৬৭ দশমিক ২ গ্রাম। আর শহরে যখন মাথাপিছু দৈনিক চাল ভোগের পরিমাণ ৩১৬ দশমিক ৭ গ্রাম, তখন গ্রামে এর পরিমাণ ৩৮৬ দশমিক ১ শতাংশ।

২০১০ সালের হায়েসে জাতীয় পর্যায়ে মাথপিছু দৈনিক চাল ভোগের পরিমাণ ছিল ৪১৬ গ্রাম। আর শহর ও গ্রামে এর পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৩৪৪ দশমিক ২ এবং ৪৪১ দশমিক ৬ গ্রাম। শহরের চেয়ে গ্রামে মাথাপিছু দৈনিক চাল ভোগের পরিমাণ বেশি হওয়ার পেছনের কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে-এক. আর্থিক সামর্থ্যরে অভাবে গ্রামাঞ্চলের তিন-চতুর্থাংশ মানুষের পক্ষে খাদ্যের অন্যান্য উপাদান যেমন- মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, ফলমূল প্রয়োজন অনুযায়ী সংগ্রহ করা সম্ভব হয় না। দুই. গ্রামের অধিকাংশ মানুষকে জীবিকা নির্বাহের জন্য শারীরিক পরিশ্রম করতে হয়। ভাত কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারের অন্যতম প্রধান উৎস হওয়ায় এটি তাদের শারীরিক পরিশ্রমের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায়। গ্রামে ধান উৎপাদিত হলেও আমন ও বোরো ধান কাটা-মাড়াইর মৌসুমে চালকল মালিকরা সিন্ডিকেশনের মাধ্যমে কম দামে বাজারের প্রায় সব ধান ক্রয় করেন এবং মৌসুম শেষে এসব ধান চালে রূপান্তর করে মজুত করেন। উৎপাদনের তুলনায় সরকার অতি সামান্য পরিমাণ ধান ধানচাষিদের কাছ থেকে ক্রয় করায় ধানচাষিরা, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ধানচাষিরা তাদের সংসারের বিভিন্ন চাহিদা মেটাতে এবং ঋণদাতার ঋণ পরিশোধ করতে চালকল মালিকদের কাছে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হন। তাছাড়া এসব ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ধানচাষিদের বেশিরভাগ ধান কাটা-মাড়াইর মৌসুম শেষ হওয়ার কিছুদিনের মধ্যে চালের ক্রেতায় পরিণত হন।

চালকল মালিকরা সিন্ডিকেশনের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে কম দামে কেনা চাল (ধান থেকে রূপান্তরিত চাল) সময়মতো উচ্চদামে বিক্রি করে লাভবান হন। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যাদির জন্য গ্রামের মানুষকে পুরোপুরি শহরের ওপর নির্ভর করতে হয়। পরিবহণ ব্যয়সহ অদৃশ্য খাতে ব্যয়ের জন্য শহরের চেয়ে গ্রামে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যাদির দাম বেশি।

এখন দেখা যাক, শহরের তুলনায় মূল্যস্ফীতির উচ্চহারে গ্রামের মানুষের দুঃখ-কষ্ট কীভাবে আরও বাড়ছে। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, শহরের মানুষের চেয়ে গ্রামের মানুষ বেশি পরিমাণে ভাত খায়। বিবিএসের উপর্যুক্ত হায়েসের ফাইন্ডিংস অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে একটি পরিবারের মাসিক মোট ব্যয়ের ৪৭ দশমিক ৭০ শতাংশ খরচ হয় খাদ্যে। গ্রামাঞ্চলে খাদ্যে ব্যয় হয় ৫০ দশমিক ৪৯ শতাংশ। অন্যদিকে শহরাঞ্চলে খাদ্যে ব্যয়ের পরিমাণ ৪২ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর গ্রামের সাধারণ মানুষ খাদ্যে যে ব্যয় করেন, তার কম-বেশি ৮০ শতাংশ চালে।

তাই চালের মূল্যস্ফীতিতে গ্রামের বেশিরভাগ মানুষকে খাবারের চাল সংগ্রহ করতে বেশি পরিমাণে অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে, যা তাদের জন্য বিরাট আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাছাড়া তাদের সীমিত আয়ের বেশিরভাগ চাল সংগ্রহে ব্যয় হওয়ায় তারা পুষ্টিকর খাদ্যগুলো যেমন-মাছ, মাংস, ডিম, দুধ সংগ্রহ করতে পারছেন না। তাই এসব পরিবারে পুষ্টিহীনতা প্রকট আকার ধারণ করছে। যারা আর্থিক সামর্থ্যরে অভাবে প্রয়োজনীয় চাল কিনতে পারছেন না, তাদের খাদ্যনিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে। আর খাদ্যবহির্ভূত পণ্যাদির দাম গ্রামের সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে হওয়ায় তারা জীবনধারণের এসব মৌলিক উপকরণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের গ্রামের মানুষের আয়ের উৎস শহরবাসীর তুলনায় অনেক কম। তাই শহরের চেয়ে গ্রামে মূল্যস্ফীতির উচ্চহার উদ্বেগের বিষয়। এ সমস্যা মোকাবিলায় যা প্রয়োজন তা হলো গ্রামের মানুষের আয় বাড়ানো। দেশের ৭০ শতাংশ মানুষের আবাসস্থল গ্রামে। বেশি পরিমাণে সরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙা করে তুলতে হবে। গ্রামের মানুষের, বিশেষ করে শিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত যুবকদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তাদের মধ্যে সব ধরনের ব্যবসার উদ্যোগ সৃষ্টিতে সরকারকে আর্থিক সহায়তা দিতে হবে। দেশের জিডিপিতে এখন সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি। তবে এটি এখন পর্যন্ত মূলত শহরকেন্দ্রিক।

আরও পড়ুন: ভোজ্যতেল আমদানির পথ উন্মুক্ত রাখতে হবে

গ্রামাঞ্চলে সেবা খাতের কার্যক্রম, বিশেষ করে ব্যবসা, পরিবহণ, টেলিকম, রিয়াল এস্টেট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, হোটেল, রেস্তোরাঁ ইত্যাদির ব্যাপক প্রসারের ব্যবস্থা নিতে হবে। রেমিট্যান্সের অর্থ উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’-সরকারের এ ধারণাটি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙা করা গেলে গ্রামের মানুষ মূল্যস্ফীতির উচ্চহার মোকাবিলায় অনেকটা সক্ষম হবে।

আবদুল লতিফ মন্ডল : সাবেক সচিব, কলাম লেখক

সাননিউজ/এমএসএ

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

মানবাধিকার নিয়ে ইইউ'র উদ্বেগ

সান নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের মানবাধ...

ঠাকুরগাঁওয়ে সাপের কামড়ে একজনের মৃত্যু 

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় গর...

পানিবন্দি সুনামগঞ্জের লাখো মানুষ

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে হাওরের পানি উ...

পদ্মা সেতুতে দাঁড়িয়ে মানুষ পূর্ণিমার চাঁদ দেখবে

সান নিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও...

নিজেকে সব সময়ই নায়িকা ভাবি

সান নিউজ ডেস্ক: ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নূত...

পুলিশের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

আমিরুল হক, নীলফামারী: বাংলাদেশ পুলিশের সকল সদস্যের পদমর্যাদা...

বিএনপিকে নির্বাচনে আসতে হবে

সান নিউজ ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সাধ...

কারাগারে হাজী সেলিম

সান নিউজ ডেস্ক: দণ্ডপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাজী সেল...

নিখোঁজ দুই শ্রমিকের সন্ধান মেলেনি

মো. নাজির হোসেন, মুন্সীগঞ্জ: মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় পদ্ম...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা