সারাদেশ

ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরতে নেই স্বাস্থ্যবিধির বালাই

নিজস্ব প্রতিবেদক:

করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে গ্রামে গিয়েছিলেন হাজারও কর্মজীবী মানুষ। ছুটি শেষে আবারও তারা কর্মস্থল ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন। এ কারণে দেশের সড়ক-মহাসড়ক, নৌ-বন্দরসহ অন্যান্য টার্মিনালে রাজধানীমুখী মানুষের চাপ দেখা গেছে। ফেরি ঘাটগুলোতেও দেখা গেছে মানুষের ভিড়। তবে অধিকাংশ পরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর সদরঘাট, সায়েদাবাদ, কল্যাণপুর-গাবতলী ও মহাখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সকালে সদর ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে ঢাকায় ফেরা অধিকাংশ লঞ্চেই ছিল কর্মজীবী মানুষের ভিড়। লঞ্চের ডেক থেকে শুরু করে কেবিন এমনকি কেবিনের সামনের গলিপথেও মানুষের চাপ দেখা গেছে। টার্মিনালের প্রতিটি পন্টুনে ছিল উপচেপড়া ভিড়। স্বাস্থ্যবিধির কোনও নমুনা দেখা যায়নি। অধিকাংশ যাত্রীর মুখে ছিল না মাস্কও।

হাতিয়া থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চ এমভি তাশরীফের কর্মীরা বলেন, ‘গতকাল সাড়ে ১২টার দিকে লঞ্চ ছাড়ার পর মনপুরা ও ভোলার কয়েকটি ঘাট থেকে যাত্রী নেওয়ার পরপরই পুরো লঞ্চ ভর্তি হয়ে যায়। মানুষের ভিড়ে কোথাও কোনও জায়গা ফাঁকা ছিল না। তবে, আজকের তুলনায় আগামীকাল মানুষের ভিড় আরও বাড়বে।’

একই চিত্র দেখা গেছে গাবতলী বাস টার্মিনালেও। তবে অধিকাংশ বাসে স্বাস্থ্যবিধি পালন করতে দেখা গেছে। যারা বাসে পরিবার-পরিজন নিয়ে এসেছেন তারা পাশাপাশি দুই সিট দখল করেই এসেছেন। বিষয়টি নিয়ে পরিবহন চালকরা জানিয়েছেন, যাত্রীরা মানতে রাজি হননি। তারা বলছেন, তারা আত্মীয়-স্বজন। সে কারণেই তারা পাশাপাশি সিটে বসেছেন।

পরিবহন চালকরা জানিয়েছেন, ঈদের আগ মুহূর্তে অধিকাংশ কর্মজীবী মানুষ প্রায় একসঙ্গেই ঢাকা ছাড়লেও ফেরার সময় আলাদা আলাদাভাবে ফেরেন। অনেকেই ঈদের ছুটির সঙ্গে বাড়তি ছুটি যোগ করে নেন। কেউ কেউ ঈদ শেষে অফিস ধরতে ঢাকায় ফিরলেও তাদের পরিবার বাড়িতে রেখে আসেন। সে কারণে ফেরার সময় সাধারণত যাত্রীদের চাপ কিছুটা কম থাকে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, ‘যাত্রীদের চাপ কিছুটা বাড়ছে। তবে ফেরিঘাটগুলোতে ভিড় থাকার কারণে জট লেগে যাচ্ছে। আমরা সব পরিবহন মালিকদের বলে দিয়েছি কোথাও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করে পরিবহনে যাত্রী নেওয়া যাবে না।’

সান নিউজ/ এআর

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

বন্ধুদের সঙ্গে আজ আড্ডা দেবেন কবি মজিদ মাহমুদ 

কয়েক বছর ধরে জন্মদিনে ঢাকায় থাকেন না সব্যসাচী লেখক...

ওমানে গাড়ির ভেতর চট্টগ্রামের চার ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ওমান প্রবাসী চার ভা...

সিভিল এভিয়েশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ব...

সৌদি পৌঁছেছেন ৫৫,২৯৮ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী, ১৪ মৃত্যু

চলতি মৌসুমে বাংলাদেশ থেকে হজ পালনের উদ্দেশে বুধবার...

লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে মো. খাদেমুল (২৫)...

ধানমণ্ডি ক্লাবে পালিত হলো বহুমাত্রিক মজিদ মাহমুদ

কয়েক বছর ধরে জন্মদিনে ঢাকায় থাকেন না সব্যসাচী লেখক...

হাম ও উপসর্গে আরও ১২ শিশুর মৃত্যু

হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল...

রাজধানীর বাজারে অস্থিরতা, নাখোশ ক্রেতা

রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের দামে আবারও অস্থিরতা দে...

পাঠ্যবইয়ে ইতিহাস সংশোধন হচ্ছে

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে থাকা ইতিহা...

চীনের সড়কে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বে রোবট

রোবট প্রযুক্তির উন্নয়নে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে চীন। সম...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা