জাতীয়

শহীদ মিনারের মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নে হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক: কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মর্যাদা পুরোপুরি রক্ষায় ব্যবস্থা নিতে ২০১০ সালে আদেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। ওই আদেশ বাস্তবায়নে কী কী পদক্ষেপে নেয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য আগামী ২৫ এপ্রিল দিন ধার্য করা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত আদালত অবমাননার মামলার শুনানি নিয়ে রোববার (১৪ মার্চ) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আদালতে এদিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

এর আগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মর্যাদা রক্ষায় হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) দায়ের করা রিট মামলায় ২০১০ সালের ২৫ আগস্ট হাইকোর্ট বেশ কিছু নির্দেশনাসহ আদেশ দেয়।

তবে ওই রায় সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন না হওয়ায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে বাদিপক্ষ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ চলতি বছরের ৪ মার্চ হাইকোর্টে আবেদন জানায়।

এ বিষয়ে রিটকারীদের পক্ষের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, ওই রায় দেয়ার পরে ১০ বছর অতিক্রান্ত হলেও বাস্তবায়নের জন্য একাধিকবার আদালতের শরণাপন্ন হতে হয়েছে। এমনকি কতিপয় নির্দেশনা বাস্তবায়ন হলেও যাদুঘর প্রতিষ্ঠা, ভাষা সৈনিকদের প্রকৃত তালিকা তৈরির কাজ এখনও শেষ হয়নি। তাই আদালত আদেশে বিবাদীদেরকে তাদের পদক্ষেপ এফিডেভিট আকারে জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার বিবাদীরা হলেন- মন্ত্রী পরিষদ সচিব, মুক্তিযোদ্ধা এবং সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যন্সেলর, দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র, চিফ ইঞ্জিনিয়ার, পূর্ত মন্ত্রণালয়, চিফ আর্কিটেক্ট, আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্ট প্রমুখ।

প্রসঙ্গত হাইকোর্টের সেই নির্দেশনায় বলা হয়েছিল-

ক. ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি রক্ষার্থে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পবিত্রতা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় পাহারার ব্যবস্থা নেয়া যাতে ভবঘুরে ঘোরাফেরা কিংবা অসামাজিক কার্যকলাপ করতে না পারে।

খ. মূল বেদীতে কোনো মিটিং-সমাবেশ থেকে বিরত রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তবে বেদীর পাদদেশে মিটিং-সভায় কোনো বাধা-নিষেধ থাকবে না।

গ. ভাষা আন্দোলনে শহীদদের মরণোত্তর পদক ও জীবিত ভাষা সৈনিকদের জাতীয় পদক দিতে হবে।

ঘ. জীবিত ভাষা সৈনিকদের কেউ সরকারের কাছে কোনো আর্থিক সাহায্য চাইলে তা দিতে হবে।

ঙ. বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ এবং মর্যাদা রক্ষা করতে হবে।

চ. শহিদ মিনারের পাশে একটি লাইব্রেরিসহ যাদুঘর প্রতিষ্ঠা এবং সেখানে ভাষা আন্দোলন তথ্য সংক্রান্ত ব্রুশিয়ার রাখা, যাতে পর্যটকরা তথ্য জানতে পারেন।

ছ. ভাষা সৈনিকদের প্রকৃত তালিকা তৈরির জন্য বিবাদীদেরকে একটি কমিটি গঠন এবং ২০১২ সালের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ।

জ. ভাষা সৈনিকদের সব রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো এবং সাধ্যমতো সরকারি সুযোগ নিশ্চিত করা।

সান নিউজ/এসএস

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৫৩৪১০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী

চলতি বছর হজ করতে বাংলাদেশ থেকে মঙ্গলবার (১২ মে) দি...

পটুয়াখালীর বিভিন্ন রুটে বাড়ছে যাতায়াত ব্যয়

সারাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথে চলাচলকারী স্পিডবোটের যা...

সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আর নেই

আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা, মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক গৃহা...

একনেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্প অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্র...

বন্ধুদের সঙ্গে আজ আড্ডা দেবেন কবি মজিদ মাহমুদ 

কয়েক বছর ধরে জন্মদিনে ঢাকায় থাকেন না সব্যসাচী লেখক...

হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু

হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা...

তাপপ্রবাহের ঝুঁকিতে বিশ্বকাপের এক-চতুর্থাংশ ম্যাচ

বিশ্বকাপে প্রতি চারটি ম্যাচের একটি প্রচণ্ড গরমের ম...

সূর্য থেকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী শিখা

সূর্য থেকে অত্যন্ত শক্তিশালী সৌর শিখা পৃথিবীর দিকে...

পদ্মায় ঝাঁপ দিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেছেন ফোরকান

গাজীপুরে কাপাসিয়া উপজেলায় একই পরিবারের পাঁচজনকে খু...

আইসিসির মাসসেরা খেলোয়াড় নাহিদ রানা

বাংলাদেশের ফাস্ট বোলার নাহিদ রানার সময় এখন। এপ্রিল...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা