ফাইল ফটো
আন্তর্জাতিক

ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনের ক্ষমতাসীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শাতায়েহ পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগের মধ্যে দিয়ে কার্যত পুরো মন্ত্রিসভার পতন ঘটল।

আরও পড়ুন: এমএলএসহ ৩ জনকে গুলি করে হত্যা

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মোহাম্মদ শাতায়েহ বলেন, আমি প্রেসিডেন্ট বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসন ও পশ্চিম তীর-জেরুজালেমে সহিংসতা বৃদ্ধির প্রতিবাদে আমি এ পদক্ষেপ নিয়েছি।

গাজা ভূখণ্ডের পরিস্থিতি এখন আর আগের মতো নেই। নতুন একটি বাস্তবতা সেখানে সৃষ্টি হয়েছে। সেই বাস্তবতায় ফিলিস্তিনের অখণ্ডতা ও ঐক্য ধরে রখাতে হলে নতুন সরকার ও নতুন রাজনীতি প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: বুরকিনা ফাসোতে হামলা, নিহত ১৫

তিনি আরও বলেন, আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ পরিবর্তিত অবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে নেয়া এবং এমন একটি সরকারকে ক্ষমতায় বসানো, যে সরকার পুরো ফিলিস্তিনের ঐক্য দৃঢ় করতে পারবে। আমার পদত্যাগের মূল কারণ এটাই।

উল্লেখ্য, পশ্চিম তীর, গাজা ও পূর্ব জেরুজালেম- ৩ ভূখণ্ডের সমন্বয়ে গঠিত ফিলিস্তিন। এই ৩ অঞ্চলই একসময় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী রাজনৈতিক দল ফাতাহ এবং অন্যান্য গোষ্ঠীগুলোর জোট প্যালেস্টাইন অথরিটির (পিএ) অধীনে ছিল।

২০০৫ সালে গাজার নিয়ন্ত্রণ চলে যায় স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের হাতে। এরপর থেকে ফিলিস্তিনে ২ টি সরকার ক্রিয়াশীল- পিএ এবং হামাস। পশ্চিম তীর ও জেরুজালেম এখনও পিএ’র অধীনে রয়েছে।

আরও পড়ুন: নালিশ করাই বিএনপির রাজনীতি

প্রসঙ্গত, ১৯৫৮ সালে পশ্চিম তীরের নাবলুস জেলার তেল শহরে জন্ম নেয়া শাতায়েহ ব্যবসায় প্রশাসন ও অর্থনীতে উচ্চতর ডিগ্রিধারী। ‍যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সাসেক্স থেকে ১৯৮১ সালে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর উচ্চতর ডিগ্রি নেন তিনি।

পশ্চিম তীরের বিরজেইত বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার মধ্যে দিয়ে তার কর্মজীবন শুরু। ১৯৮৯ -১৯৯৩ সাল পর্যন্ত তিনি সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ছিলেন।

১৯৯৫-১৯৯৮ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনের নির্বাচন কমিশনের সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন শাতায়েহ। ২০০৫-২০১০ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনের সরকারের কর্মসংস্থা ও আবাসন বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন। মোহাম্মদ শাতায়েহ ২০১৯ সালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হন। সূত্র: আল জাজিরা

সান নিউজ/এনজে

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

অর্থায়নের উৎস বৈচিত্র্যময় করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

ব্যাংক ঋণ ও সরকারি কোষাগারের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে অর্থায়নের উৎস বৈচিত্র্যময়...

বিনিয়োগে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম গন্তব্য হতে চায় ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জ্বালানি সংকটকে বিনিয়োগে বড় বাধা বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।...

বিজিবির বাধায় নদীপথে ১৫ জনের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ বিএসএফের 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রোকনপুর সীমান্ত দিয়ে নদীপথে ১৫ জনকে বাংল...

বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৯২০১

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপ এমসিকিউর (নৈবর্ত্তিক)...

মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫৮৬ জন

গত মে মাসে দেশে ৫৭৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৮৬ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ৭০৫...

সংরক্ষিত নারী আসন ও রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বের সংকট

প্রাচীন গ্রিসের এথেন্স নগর-রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি বিকাশের ক্ষেত্রে পের...

মুন্সীগঞ্জে টাকা লেনদেনের বিরোধে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার পূর্ব শিলমান্দি (জসিমনগর) এলাকায় টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র কর...

৪০০ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত কারবারি বাবু আটক

মুন্সীগঞ্জে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে হত্যা, অস্ত্র ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে এ...

পোশাকের আড়ালে অপরাধ : কেবল ‘প্রত্যাহার’ই কি যথেষ্ট?

নোয়াখালীর হাতিয়ায় ১২ বছর বয়সী এক অবুঝ শিশুকে দিনের পর দিন ধর্ষণের যে ভয়ংকর অভ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা