ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

৭ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ফাঁসি

সান নিউজ ডেস্ক : মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকার দেশটিতে আরও অন্তত সাত জনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে। চলতি সপ্তাহে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ওই সাত জনই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।

আরও পড়ুন : দুপুরে বিএনপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন

জাতিসংঘ জানিয়েছে, গত সপ্তাহেও সাতজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে মিয়ানমার। সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিরোধী দলকে দমন করতে মৃত্যুদণ্ডকে কৌশল হিসাবে ব্যবহার করছে জান্তা সরকার, যা নিষ্ঠুরতা ছাড়া কিছুই নয়।

এপ্রিলের চলতি বছরে ইয়াঙ্গুনভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থীদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে একটি ব্যাংকের ঘটনায় গোলাগুলিতে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়।

আরও পড়ুন : মালয়েশিয়ায় ২ বাংলাদেশি গ্রেফতার

ড্যাগন ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের বরাতে স্থানীয় গণমাধ্যম ইরাবতি ওই সাতজনের নামও প্রকাশ করেছে-কো খাস্তা জিন উইন, কো থুরা মং মং, কো জাও লিন নায়িং, কো থিহা হতেত জাও, কো হেইন হাট, কো থেত পাইং ওও এবং কো খান্ত লিন মং মং।

প্রতিশোধ নিতে ছাত্রদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেছে সামরিক বাহিনী । জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক এক বিবৃতিতে বলেন, বুধবার গোপনে সাতজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে সামরিক আদালতে ফাঁসি দিয়েছে।

আরও পড়ুন : যুবদল সভাপতি টুকু গ্রেফতার

বর্তমানে মিয়ানমারে যা হচ্ছে, এই সংকট সামরিক সরকার সৃষ্টি করেছে। বিরোধী মত দমন করার জন্য রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে মৃত্যুদণ্ড চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

তুর্ক বলেন, সামরিক বাহিনী আসিয়ান দেশগুলোর মতামতকে অগ্রাহ্য করে সহিংসতা চালিয়ে যাচ্ছে।এমনকি আন্তর্জাতিক কোনো আইন তারা মানছে না। জাতিসংঘের মতে, জান্তা সরকার এ পর্যন্ত ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, জান্তার মুখপাত্র এএফপির কাছে এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। স্থানীয় পর্যবেক্ষক গোষ্ঠীর মতে, সামরিক জান্তার অভিযানে এ পর্যন্ত ২ হাজার ২৮০ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন এবং ১১ হাজার ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

সান নিউজ/এফই

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসের স্টেনোটাইপিস্ট মিজানের ঘুষ বাণিজ্য

ঘুষ, অনিয়ম ও প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে কার্যত জিম্মি হয়ে আছে মুন্সীগঞ্জ...

সংবিধান সংস্কার আদৌ হবে কি?

নির্বাচনের ফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বানের যে...

ঈদের পরে বিরোধী জোটের বড় কর্মসূচি আসছে

হ্যাঁ জয়ী হওয়ায় আদেশ অনুযায়ী, ত্রয়োদশ সংসদ দ্বৈত ভূমিকা পালন করবে। নির্বাচিত...

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল অভিযানের প্রস্ততি!

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে প্রথমবারের মতো মেরিন স্থল সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে যুক্তর...

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল অভিযানের প্রস্ততি!

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে প্রথমবারের মতো মেরিন স্থল সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে যুক্তর...

ঈদের পরে বিরোধী জোটের বড় কর্মসূচি আসছে

হ্যাঁ জয়ী হওয়ায় আদেশ অনুযায়ী, ত্রয়োদশ সংসদ দ্বৈত ভূমিকা পালন করবে। নির্বাচিত...

সংবিধান সংস্কার আদৌ হবে কি?

নির্বাচনের ফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বানের যে...

মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসের স্টেনোটাইপিস্ট মিজানের ঘুষ বাণিজ্য

ঘুষ, অনিয়ম ও প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে কার্যত জিম্মি হয়ে আছে মুন্সীগঞ্জ...

শক্ত অবস্থানে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় এখনো ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব অক্ষত আছে। দেশট...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা