আজ বৃহস্পতিবার মাদারীপুর শহরের অধিকাংশ এলাকায় এলপি গ্যাসের সংকট দেখা গেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
জানা যায়, প্রতি মাসে এলপিজির মূল্য সমন্বয় করে বিইআরসি। সর্বশেষ ৪ জানুয়ারি নতুন মূল্য ঘোষণা করে কমিশন। এ নিয়ে সকালে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, বিইআরসি পরিবেশকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই মূল্য সমন্বয় করেছে।
এলপিজি সিলিন্ডারের সংকট দূর করার দিকে জোর না দিয়ে বাড়তি দাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। ভোক্তা অধিকার অভিযান চালিয়ে আতঙ্ক তৈরি করছে। এতে অনেকে ব্যবসা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। জ্বালানি বিভাগ, বিইআরসি ও এলপিজি কোম্পানি মিলে আমদানি সমস্যা দূর করা ছিল সঠিক সমাধান। তা না করে অভিযান চালিয়ে পরিবেশকদের হয়রানি করা হচ্ছে বলে মাদারীপুর গ্যাস পরিবেশক সমিতি জানায়। পরিবেশকদের কমিশন ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫ টাকা করার দাবি জানালেও বাস্তবে কোনো সুরাহা হচ্ছে না। তারা তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারা দেশের ন্যায় মাদারীপুরে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন ব্যবসায়ী নেতারা।
এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার থেকে মাদারীপুরে বন্ধ রয়েছে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ।
জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে মাদারীপুরে গ্যাস সিলিন্ডারের চাহিদা বেশ বেড়েছে। কয়েকটি দোকানে কিছু সংখ্যক মজুদ থাকলেও তা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছিল। অধিকাংশ সরবরাহকারী কোম্পানির ডিলারদের কাছে এ বিষয়ে উপযুক্ত কোনো জবাব নেই।
কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মেনে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ বন্ধ রেখেছেন তারা। পরবর্তী নির্দেশনা এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডিলাররা।
মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের জানান, অতিরিক্ত মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির খবর পেয়ে গত কয়েক দিন ধরে জেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।