খেলা

ম্যাচ ফিক্সারদের ফাঁসি চান মিঁয়াদাদ

স্পোর্টস ডেস্ক:

স্পট ফিক্সিং বা পাতানো ম্যাচের সঙ্গে জড়িতদের ফাঁসি দাবি করেছেন পাকিস্তানের সাবেক ব্যাটসম্যান জাভেদ মিঁয়াদাদ। তিনি মনে করেন শুধু নিষেধাজ্ঞার শাস্তি দিয়ে লাভ হবে না, ক্রিকেটকে পরিচ্ছন্ন রাখতে স্পট ফিক্সারদের ফাঁসিই হবে উপযুক্ত শাস্তি।

নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফিরেছেন পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান শারজিল খান। করোনাভাইরাসের কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে খেলেছেন পাকিস্তান সুপার লিগেও (পিএসএল)। এ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল, কিন্তু পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) তার জন্য ‘জাতীয় দলের দরজা খুলে রাখার’ কথা জানানোর পর বিতর্কের জন্ম। আপত্তি তুলেছিলেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজ। সাবেক অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদিও ম্যাচ পাতানো কিংবা স্পট ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে না ফেরানোর পক্ষে।

পাকিস্তানের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান জাভেদ মিঁয়াদাদ তার ইউটিউব চ্যানেলে জানান, ‘যে সব খেলোয়াড় স্পট ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকবে, তাদের কঠোর শাস্তি দেওয়া উচিত। স্পট ফিক্সারদের ফাঁসি দেওয়া উচিত, কারণ এটি কাউকে হত্যা করার মতোই অপরাধ। তাই শাস্তিটা একই হওয়া উচিত। আর এটি একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে, যাতে আর কোনও খেলোয়াড় এই ধরনের কাজ করার কথা চিন্তাও করতে পারবে না।’

মিঁয়াদাদ আরো বলেন, ‘স্পট ফিক্সিংয়ের মাফ করে দেওয়া ঠিক হচ্ছে না পিসিবির। যে সব লোকজন তাদের ফিরিয়ে আনছে, তাদের নিজেদের প্রতি লজ্জা হওয়া উচিত।’

স্পট ফিক্সিংয়ের সঙ্গে যুক্ত খেলোয়াড়দের ধিক্কার দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার মতে যে সব খেলোয়াড় এই ধরনের অপরাধ করে তারা তাদের পরিবার ও বাবা-মার প্রতিও আন্তরিক নয়। ওদের আত্মাই ভালো না। মানুষের সঙ্গে ওদের কর্মকাণ্ডই ভালো না, তাই এই ধরনের মানুষের বেঁচে থাকা উচিত নয়।’

উল্লেখ্য, ম্যাচ পাতানো কিংবা স্পট ফিক্সিংয়ের ঘটনা নতুন নয় পাকিস্তানের ক্রিকেটে। সবচেয়ে বড় উদাহরণ হয়ে আছে ২০১০ সালের লর্ডস টেস্ট। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তিও পেয়েছেন মোহাম্মদ আমির, মোহাম্মদ আসিফ ও সালমান বাট। এরপরও পাকিস্তানের ক্রিকেট থেকে ফিক্সিং নামক ভাইরাস মুছে যায়নি।

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৯ ইউনিট

গাজীপুরের ডেগির চালা এলাকায় একটি তৈরি পোশাক কারখান...

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান ১ দিনের রিমান্ডে

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রল...

মাদকসহ আটক খুবির ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

মাদকদ্রব্য (গাঁজা)সহ আটকের ঘটনায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) গণযোগাযোগ ও সাং...

প্রকাশ্যে বৃদ্ধের বুকে লোহার শিক ঢুকিয়ে হত্যা

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় মধু মিয়া (৬২) নামে এক ভ্রাম্যমাণ ফল...

ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে গুড়িয়ে দিল আবাহনী

বাংলাদেশ ফুটবল লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হোঁচট খাওয়ার পর অবশেষে জয়ের দেখা পেয়...

বাংলাদেশের সংবিধানে সংস্কারে রাজনৈতিক ঐকমত্য প্রয়োজন: ইইউ রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্র...

অবৈধভাবে সার মজুত করে সব পদ হারালেন জামায়াত নেতা

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে নিয়মবহির্ভূতভাবে সার মজুত ক...

মার্কিন আক্রমণ মোকাবেলায় কানাডার প্রস্তুতি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি সশস্ত্র সংঘাতের সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ হলেও, মার্...

পাকিস্তানে কেন্দ্রীয় সরকার ও পাখতুনখোয়া প্রদেশ মুখোমুখি অবস্থানে

পাকিস্তানের রাজনীতিতে নতুন করে তীব্র সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে। কারাবন্দী সাবেক...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা