ছবি: সংগৃহীত
জাতীয়

বিশ্ব বসতি দিবস 

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজধানীতে মানুষের বসবাসের চাপ বাড়লেও সে অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা বাড়ছে না। মানুষের চাপ বাড়ার পাশাপাশি সবুজ ও জলাভূমির পরিমাণ কমে আসা, বায়ুদূষণ, যানজট ও আবাসনের স্বল্পতার ফলে ক্রমেই বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে ঢাকা।

আরও পড়ুন: শিশুরা গড়ে উঠলে বিশ্ব শান্তিময় হবে

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি স্বাস্থ্যকর নগরের জন্য আয়তন অনুযায়ী জনসংখ্যা সীমিত রাখাসহ গাছপালা ও জলাভূমি রক্ষা করা, বায়ু ও মাটিদূষণ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। এসবগুলো ক্ষেত্রেই ঢাকার অবস্থার দ্রুত অবনতি হচ্ছে।

বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার ৩১.৫১ শতাংশ মানুষ নগরবাসী। সে হিসেবে, ২০৫০ সালে নগরবাসী হবে দেশের মোট জনসংখ্যার ৫৮.৪ শতাংশ মানুষ। ১৯৭৪ সালে নগরে বসবাসকারী মানুষের হার ছিল মোট জনসংখ্যার মাত্র ৯ শতাংশ।

আরও পড়ুন: ঢাকার বায়ু মানের অবনতি

নগরায়ণের সবচেয়ে বড় চাপ পড়েছে ঢাকার ওপরে। জনসংখ্যার বিচারে ঢাকা এখন বিশ্বের নবম বৃহত্তম নগর। জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, ২০৩০ সালের মধ্যে এ তালিকায় ঢাকার অবস্থান হবে তৃতীয়।

কেবল ঢাকাকে নগরায়ণ পরিকল্পনায় প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। ঢাকার বাইরেও জেলা ও উপজেলা শহর এবং বাজার কেন্দ্রিক অনেক মফস্বল শহর রয়েছে। এসব দিকে তেমন একটা দৃষ্টি দেওয়া হচ্ছে না।

আরও পড়ুন: ঢাকায় বিএনপির কৃষক সমাবেশ আজ

নগরায়ণের শর্ত হলো- নগরে বসবাসের সুযোগ তৈরি, অর্থায়ন, নগর দারিদ্র্য, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও মানুষের কর্মসংস্থান।

ঢাকা শহরের বয়স ৪০০ বছর। সাম্প্রতিক কিছু পর্যবেক্ষণে দেওয়া যায়, প্রায় ১০০০ বছর। দেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থান ও চারপাশে নদ-নদী থাকায় ঢাকা ছিল একটি স্বাস্থ্যকর এলাকা। তবে এখন তা কেবল কল্পচিত্র মাত্র।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৮৯ সালেও ঢাকায় ১৭ শতাংশ এলাকা সবুজ গাছপালায় ঘেরা ছিল। কিন্তু ২০২০ সালে, অর্থাৎ মাত্র ৩০ বছরের মাথায় তা মাত্র ২ শতাংশে নেমে এসেছে।

আরও পড়ুন: এলপিজি গ্যাসের নতুন মূল্য ঘোষণা আজ

২০০৯ সাল থেকে ঢাকা শহরের সবুজ ও জলাভূমি এলাকা সবচেয়ে দ্রুত হারে কমে যায়। জনসংখ্যার ব্যাপক চাপ ও নগর ব্যবস্থাপনায় পরিকল্পনা ও সঠিক বাস্তবায়নের অভাবে শহরটির সামগ্রিক পরিবেশের দ্রুত অবনতি হচ্ছে।

সোমবার (২ সেপ্টেস্বর) বিশ্ব বসতি দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘স্থিতিশীল নগর অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ও পুনরুদ্ধারে টেকসই নগর সমূহই চালিকা শক্তি’।

১৯৮৫ সালে বাসযোগ্য ও নিরাপদ আবাসস্থলের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতিসংঘ বিশ্ব বসতি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।

আরও পড়ুন: ৮ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৯৮৬ সাল থেকে সারা বিশ্বে অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার ‘বিশ্ব বসতি দিবস’ পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আজ সকাল ১০ টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব বসতি দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এবং সভাপতিত্ব করবেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন।

সান নিউজ/এনজে

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

মুন্সীগঞ্জে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন 

মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহাবুব আলম বাবুর বিরুদ্ধে দায়ের করা...

নিরাপদ অভিবাসনে প্রতারণার ঝুঁকি কমে: জেলা প্রশাসক নুরমহল আশরাফী

নিরাপদ, নিয়মিত ও বিধিসম্মত অভিবাসনের মাধ্যমে বিদেশগামী কর্মীদের প্রতারণার ঝুঁ...

আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ আদালতের সিদ্ধান্তে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে সংঘটিত...

কুষ্টিয়ায় ক্যান্সার সচেতনতামূলক সেমিনার

কুষ্টিয়ার মিরপুরে ক্যান্সার সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে প্রা...

লাখ টাকার ফল-নাস্তা নিয়ে সাবেক ইউএনওকে ঘিরে প্রশ্ন

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল ইসলামের বিরু...

দখল-দূষণে বিপন্ন দেশের নদী

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত হলেও দেশের অধিকাংশ নদী এখন দখল, দূষণ, নাব...

নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, চাপে মানুষ

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে দেশের নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানু...

নোয়াখালীতে জিও ব্যাগ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, এলাকাবাসীর মানববন্ধন

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের সেলিম বাজার ও কালাদুর এলাকায়...

শহীদ আহসান জুলাই যোদ্ধা নন: বিএনপি নেতা

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হকের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জু...

হাসিনা দিল্লিতে, পরিবারের অন্য সদস্যরা কে কোথায়?

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর তাঁর পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা