কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে পাল্টে গেছে নির্বাচনী সমীকরণ। এ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক ও জামায়াত-এনসিপি জোটের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ।
তবে ঋণ খেলাপির কারনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ বিষয়ে একটি আদেশ দেন। আইনজীবীদের মতে, এই আদেশের ফলে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণখেলাপি হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ হারাবেন।
জানা গেছে, ঋণখেলাপির তালিকা থেকে কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম বাদ দেওয়ার বিষয়ে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছিলেন, তা চেম্বার আদালত স্থগিত করেছেন। বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই আদেশ দিয়েছিলেন। পরে সেই আদেশ স্থগিত চেয়ে প্রিমিয়ার ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেম্বার আদালতে আবেদন করে।
এদিকে, রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী বলেন, একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক ও সংসদ সদস্য প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহকে তিনি চেনেন না।
তিনি বলেন, “হাসনাত আব্দুল্লাহকে আমি চিনি না। তার সঙ্গে আমার কখনো দেখা হয়নি, কোনো পরিচয়ও নেই। আগে যেমন ছিল না, এখনো তেমনই আছে। কাজেই তাকে নিয়ে মন্তব্য করার সুযোগও আমার নেই।”
নির্বাচনী সমীকরণ প্রসঙ্গে তিনি তখন বলেন, “দ্বিমুখী বা ত্রিমুখী প্রতিযোগিতার হিসাব আমি করি না। আমি সব সময় চ্যালেঞ্জ নিয়েই নির্বাচন করেছি। এবারও সেই চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখেই মাঠে কাজ করছি।”
বিএনপির এই হেভিওয়েট প্রার্থীর মনোনয়ন যদি বাতিল হয়ে যায়, তবে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে হাসনাত আব্দুল্লাহর নির্বাচনী মাঠে তেমন প্রতিযোগিতা থাকবে না বলে অনেকেই ধারণা করছেন এবং নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পথ আরও সহজ হতে পারে।
সাননিউজ/আরআরপি