ফেনীর সোনাগাজীর একটি খামার থেকে চুরি হওয়া ১৬টি গরুর মধ্যে ১১টি উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার চাঁদপুরের কচুয়া ও কুমিল্লার চৌয়ারা এলাকা থেকে চুরি যাওয়া গরুর বড় অংশ উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ফেনী জেলা পুলিশ গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা ও চাঁদপুর—এই চার জেলার বিভিন্ন স্থানে টানা অভিযান চালিয়ে এসব গবাদিপশু উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোহাগ (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সোনাগাজী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুর রহমান জানান, পুলিশের বিশেষ দল এ অভিযান পরিচালনা করে। গত ৬ জানুয়ারি কুমিল্লার বরুড়া থানার আকুসাইর এলাকা থেকে প্রথমে একটি গরু উদ্ধারসহ একজনকে আটক করা হয়। এরপর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ১২ জানুয়ারি সোনাগাজী মডেল থানার মতিগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে আরও একটি গরু উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার চৌয়ারা গরু বাজার থেকে একটি গরু উদ্ধারসহ সোহাগকে আটক করা হয়। আটক সোহাগ চাঁদপুরের কচুয়া থানার সানন্দকড়া গ্রামের ইদ্রিসের ছেলে। পরবর্তীতে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি ও তথ্যের ভিত্তিতে কচুয়ার সানন্দকড়া এলাকার লতিফের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আরও ৮টি চোরাই গরু উদ্ধার করে পুলিশ।
সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, চুরি যাওয়া অবশিষ্ট ৫টি গরু উদ্ধার এবং চোরচক্রের বাকি সদস্যদের আটকে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে, ৩১ ডিসেম্বর ভোর রাতে চর দরবেশ ইউনিয়নের পূর্ব চর সাহাভিকারী এলাকার মো. শাহ আলমের খামার থেকে অজ্ঞাতনামারা ১৬টি গরু চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী খামারি বাদী হয়ে ২ জানুয়ারি সোনাগাজী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তায় আন্তঃজেলা চোরচক্রের সন্ধান পায়।
সাননিউজ/আরআরপি