ছবি-সংগৃহীত
রাজনীতি

ছাত্রলীগের কাজে মানুষের উপকার হয়েছে

সান নিউজ ডেস্ক: ছাত্রলীগের দুয়েকটি ঘটনা নেতিবাচকভাবে আলোচনা হয়। অথচ কোভিডের সময় ছাত্রলীগের অসংখ্য নেতাকর্মী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিল। প্রথমদিকে যখন ধানকাটা শুরু করল, অনেকে লোক দেখানো বলে ব্যাপক নেতিবাচক সমালোচনা শুরু করে। লোক দেখানো হলেও কিন্তু মানুষ তাদের কাজের উপকার পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।

আরও পড়ুন: মানুষের কল্যাণে কাজ করতে এসেছি

শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম সিনিয়রস ক্লাবে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের নিয়ে মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আমিনুল ইসলাম বলেন, একজন বক্তা বলেছেন— এখন লাঠিচালান দিলেও আওয়ামী লীগবিরোধী লোক খুঁজে পাওয়া যায় না। এখন সবাই আওয়ামী লীগ করতে চায়, রাজনীতি করতে চায় না। যখন মানুষ রাজনীতি করতে চাইবে তখন শুদ্ধতা ও সৃজনশীলতার প্রতিযোগিতা হবে। আমি কোনো যুক্তি বিশ্বাস করি না। আমি এটাও বিশ্বাস করি না, একজন একটা অন্যায় করেছে, সেটা আমিও করব। ভুল-ভ্রান্তি সবার আছে। আওয়ামী লীগেরও আছে, ছাত্রলীগেরও আছে। তবে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ কিন্তু অ্যাকশন (অনিয়মের বিরুদ্ধে) নিচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের যে ভুল-ভ্রান্তি হচ্ছে না তা নয়। কিন্তু সেগুলোর লিমিট কতটুকু ও কাজের পরিমাণ কতটুকু? প্রতিদিন বলা হচ্ছে— সরকার কাউকে কথা বলতে দিচ্ছে না। কথা যদি বলতে না দেয় প্রতিদিন মিডিয়ায় আওয়ামী লীগ, সরকারের কিংবা অনেক বড় বড় নেতাদের দুর্নীতির কথা কীভাবে আসছে? বলা হচ্ছে— মেগাপ্রকল্প, মেগাদুর্নীতি। যদি মেগাদুর্নীতি হয় তাহলে তো কোনো বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগই নেই। প্রধানমন্ত্রী মুজিববর্ষে তিন লাখ পরিবারকে গৃহদান করলেন। পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী, ৩৫০ থেকে ৪০০ বাড়ি ভেঙে পড়ল। এসব বাড়ি ভেঙে পড়লেও বাকি লোকের তো উপকার হলো।

আরও পড়ুন: অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পাকিস্তান

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫১ বছর হয়ে গেল। কেন এত বছর পর চট্টগ্রামে ফ্লাইওভার বানাতে হলো? কেন এতদিনে হয়নি? দক্ষিণ এশিয়ায় কোনো টানেল নেই, অথচ বাংলাদেশে হচ্ছে। এখন তারা বলছে লোক দেখানো হচ্ছে। লোক দেখানো হলেও মানুষ তো উপকৃত হচ্ছে। দুর্নীতির মামলায় আওয়ামী লীগের তিন-চারজন সাংসদ এখনো কোর্টে হাজিরা দিচ্ছেন। সরকার যদি অ্যাকশন না নেয়, তারা কেন কোর্টের বারান্দায় দৌড়াচ্ছেন? অনিয়ম করলে শেখ হাসিনা কাউকেই ছাড়ছেন না।

আমিনুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন আগে পত্রিকায় দেখলাম হাজী সেলিমের ছেলে ইরফানের জামিন ক্যান্সেল। পরে আবার জামিন দেওয়া হলো। কেন জামিন দিলো এটা নিয়েও সমালোচনা ঝড়। একজন মানুষকে ঘুষি মারলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কতদিন হতে পারে? একটা ঘুষি মারার কারণে ইরফান সেলিম আট মাস জেলে ছিল। এরপরও যদি জামিন দেয়, বলা হচ্ছে— বিচার বিভাগকে আমরা নিয়ন্ত্রণ করছি। একটা ঘুষির সাজা আট মাসের জেল হতে পারে কি না?

সান নিউজ/এনকে

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

সাংবাদিকতায় সেরাদের অ্যাওয়ার্ড দিচ্ছে ডিএমএফ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী জুন মাসে...

এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় আত্মহত্যা

নোয়াখালীর প্রতিনিধি: নোয়াখালীর সদ...

বিশ্বকাপের দল ঘোষণা মঙ্গলবার

স্পোর্টস ডেস্ক: সব জল্পনা-কল্পনার...

ভালুকায় কৃষকদের মাঝে উন্নয়ন সহায়তা প্রদান

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ভালুকায় ২০২৩-২৪ অ...

পরীক্ষার ফল আশানুরূপ না হলে করণীয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক: পরীক্ষার ফল ভালো না হলে তা মানসিক চাপ ও উদ...

চীন যাচ্ছেন পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চীন সফরে যাচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্...

বিএনপি ইসরায়েলের দোসর

নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ...

হরিপুরে একদিনে ২ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: এসএসসি পরীক্...

বাংলাদেশের দল ঘোষণা

স্পোর্টস ডেস্ক : আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণা...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা