ভালুকা পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন ও সেবার মান বৃদ্ধিকে সামনে রেখে কাজ করছেন পৌর প্রশাসক ইকবাল হোসাইন। দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজের অভিজ্ঞতা, মূল্যায়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি কথা বলেছেন।
দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, এর আগে তিনি ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন। ভালুকা একটি শিল্পাঞ্চল হওয়ায় এখানে নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। নতুন আরেকটি পৌরসভায় এসে কাজ শুরু করেছি। এখানে রাজনৈতিক চাপ তুলনামূলক বেশি, পাশাপাশি এটি একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকা। তারপরও আলহামদুলিল্লাহ, কাজ করতে পেরে ভালো লাগছে, বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, মহান আল্লাহর ইচ্ছাতেই এই দায়িত্ব পেয়েছেন এবং শুরু থেকেই লক্ষ্য ছিল ভিন্নধর্মী কিছু করা। আমার লক্ষ্য ছিল এমন কিছু করা, যা পৌরসভার ইতিহাসে আগে হয়নি। আলহামদুলিল্লাহ, সে লক্ষ্যের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি, যোগ করেন প্রশাসক।
পৌরসভার বর্তমান অবস্থা মূল্যায়ন করতে গিয়ে তিনি বলেন, ভালুকা ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভা হলেও সেবার মান ও অবকাঠামো সেই মান অনুযায়ী উন্নত নয়। কাগজে-কলমে এটি ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভা। কিন্তু কাজকর্ম, সেবার মান ও অবকাঠামো অনেক ক্ষেত্রে ‘খ’ শ্রেণির মতো। ফলে এখানে সেবার মান বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে, বলেন তিনি।
সমস্যার জায়গাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় হিসেবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকেই চিহ্নিত করেছেন তিনি। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো ময়লা-আবর্জনা। আমাদের কোনো স্থায়ী ল্যান্ডফিল নেই। ফলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যকরভাবে করা কঠিন হয়ে পড়ছে, বলেন ইকবাল হোসাইন।
তিনি জানান, টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত ডাম্পিং ব্যবস্থা, আধুনিক বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ চলছে।
পৌরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সান নিউজ/আরএ