গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় ব্যক্তিগত জমির দাবি করে শত বছর ধরে মানুষের চলাচল করা রাস্তা কেটে নালা খননের অভিযোগ উঠেছে সাবেক এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এতে স্বাভাবিক চলাচল বন্ধ হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে অন্তত তিন শতাধিক পরিবার। একই সঙ্গে বিপাকে পড়েছে সাঁকোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীগণ।
জানা যায়, প্রতিদিন হাজারও মানুষের চলাচলের পথ কেটে তৈরি করা হয়েছে একটি সরু নালা। খনন করা নালা গ্রামসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সাঘাটা উপজেলার ভরতখালি ইউনিয়নের সাঁকোয়া গ্রামে। শত বছরের পুরনো যোগাযোগ রাস্তাটির জায়গা নিজের জমি দাবি করে সাঁকোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুল মজিদ শ্রমিক লাগিয়ে কেটে বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এলাকাবাসী বলেন, এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন গ্রামের তিন শতাধিক পরিবারের মানুষ যাতায়াত করে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীগণ প্রতিদিন এ পথ ব্যবহার করে বিদ্যালয়ে যায়। রাস্তা কেটে দেয়ায় শিশু শিক্ষার্থীদের যাতায়াত চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ। জরুরি প্রয়োজনে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয়রা প্রতিবাদ করতেও ভয় পাচ্ছে বলে অভিযোগ ঊঠেছে। সাঁকোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা. রোখছানা পারভিন বলেন, রাস্তা কেটে ফেলায় শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসা-যাওয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বর্ষা মৌসুমে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাবে ও ছোট শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি আরও বেড়ে যাবে। সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম বলেন, সরকারি বিদ্যালয়সহ সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রæত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সান নিউজ/আরএ