জাতীয়

বিএনপির রূপরেখা ‘ভাঁওতাবাজি’

সান নিউজ ডেস্ক: বিএনপির মুখে মানবাধিকারের বুলি ‘ভাঁওতাবাজি’ মন্তব্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, যারা সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে তারাই নাকি এসবের (গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড) বিচার করবে। এটা আমাদের কাছে হাসির খোরাক ছাড়া আর কিছু নয়।

আরও পড়ুন: ইভিএমে ভোটের সিদ্ধান্ত জানুয়ারিতে

মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজে (বিআইআইএসএস) আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

সোমবার বিএনপির পক্ষ থেকে টানা দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্ব পালন না করার নিয়ম চালুসহ বর্তমান রাষ্ট্র ব্যবস্থার পরিবর্তনে ২৭ দফা কর্মপরিকল্পনা উত্থাপন করা হয়। ২৭ দফার ১৪তম দফায় বলা হয়েছে, গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িতদের বিচার করা হবে। এ বিষয়ে আজ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল মোমেন।

আরও পড়ুন: বিনামূল্যে সার পাবে ২৭ লাখ কৃষক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত তারা দেশব্যাপী সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। এক দিনে এক যুগে দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬৩ জেলায় বোমা হামলা করেছিল। একজন রাষ্ট্রদূতের ওপর বোমা হামলা হয়, তিনি তখন প্রাণে বাঁচলেও অনেকেই মারা যান। ২০১৩-১৪ সালে অসংখ্য লোককে গাড়িতে পুড়িয়ে মেরেছে তারা। এসব ঘটনা অমানবিক। আবার তারা মানবিকতার কথা বলে।

মন্ত্রী বলেন, মাইনরিটি গ্রুপের বারোটা বেজেছে, তারা আতঙ্কে ছিল। পরপর পাঁচবার দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ চিহ্নিত হলো। তখন তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী একটা সভা করলেন। সেখানে গ্রেনেড হামলা হলো। ক্লিন হার্টের গল্প জানেন? ৫৫ জন লোককে মারা হয়েছিল। সে কারণে বিএনপির মুখে মানবাধিকার একটি ভাঁওতাবাজি। এটা আমাদের কাছে হাসির খোরাক ছাড়া আর কিছু নয়।

আরও পড়ুন: চীন সীমান্তে নজিরবিহীন সৈন্য মোতায়েন

তিনি বলেন, সম্প্রতি বিএনপি দেশের বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ করেছে। বাস কোম্পানিগুলো রাস্তায় বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছিল। এখানে সরকার কিছু বলেনি। বাস মালিকরা ভয়ে ছিলেন যদি বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। লোকজন ভয়ে রাস্তায় গাড়ি বের করেনি। কারণ বিএনপির কথায় জনগণ বিশ্বাস করে না।

সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা কূটনীতিতে তিনটি বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছি। সেটা হলো অর্থনৈতিক কূটনীতি (ইকোনমি ডিপ্লোম্যাসি), জনকূটনীতি (পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি) এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা। আমরা এই অঞ্চকে শান্তি ও স্থিতিশীলতা চাই। কেননা এটা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন: চীনে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ

ড. মোমেন আরও বলেন বলেন, বিআইআইএসএস আমাদের নানা সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আগামী দিনে আরও গবেষণা করবে বলে আমরা আশা করি।

সান নিউজ/এমএ/এমআর

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

বস্তির অলিগলি থেকে নতুন সেনসেশন আরেক লিওনেল

আর্জেন্টিনা ফুটবলে 'লিওনেল' নামটি মানেই অন্যরকম এক আবেগ। নীল-সাদা জার...

ভালো ফল নয়, দক্ষতা অর্জনে ভাষা শিখতে হবে: ববি হাজ্জাজ

ভাষাশিক্ষাকে কেবল পরীক্ষায় ভালো ফল অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে...

প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রানে অলআউট টাইগাররা, জবাবে ব্যাট করছে আফগানরা

আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করে স...

কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন আটক

রাজধানী দিল্লি ও এর আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাঁড়াশি অভিয...

আফগানদের প্রতিরোধে ধুঁকছে বাংলাদেশ

আবুধাবিতে যেন প্রতীক্ষার এক মহাকাব্য রচিত হলো টেস্টের দ্বিতীয় দিনে। ব্যাট ও ব...

খাগড়াছড়িতে কৃষি পণ্যের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মতবিনিময় সভা

পার্বত্য চট্রগ্রামের খাগড়াছড়িতে উৎপাদিত কৃষি পণ্...

এবার আচারের বয়ামে হীরা, সোনা, প্লাটিনাম ও রুবি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এবার আচারের...

জমি দখলের প্রতিবা‌দে সমা‌বেশ-বি‌ক্ষোভ মি‌ছিল

রাতের আধাঁরে দুই শত বছরের পুরানো কাঁঠাল গাছসহ বিভি...

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, ছুটি ঘোষণা

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন এবং পালন সংক্রান্ত...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা