ফাইল ছবি
জাতীয়

আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের আস্থা রয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন অগ্রগতি আমরা নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছি। এ কারণে আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের আস্থা ও জোরালো সমর্থন অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে শুভেচ্ছা জানাল পাকিস্তান

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে আমরা পেয়েছি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, ৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জয়লাভ, ১৯৬২-এর আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৬-এর ছয় দফা, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানসহ সব আন্দোলন-সংগ্রামে এ সংগঠন দু’টির ভূমিকা ছিল অপরিসীম।

আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবস স্মৃতিসৌধে মানুষের ঢল

১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঘোষণা করেছিলেন, ‘আজ হতে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় এদেশটির নাম হবে পূর্ব-পাকিস্তানের পরিবর্তে শুধুমাত্র বাংলাদেশ।’

শেখ হাসিনা বলেন, ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি সৈন্যরা ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ এর নামে ঘুমন্ত নিরস্ত্র বাঙালিদের হত্যা করতে শুরু করে। ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে পাক সামরিক জান্তা শেখ মুজিবকে গ্রেফতার করে। বাঙালির জননেতাকে পাকিস্তানের মিয়াওয়ালী কারাগারে বন্দি করে অমানুষিক নির্যাতন চালায়।

আরও পড়ুন: ঘোষণার পাঠক ঘোষক হতে পারে না

রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তার প্রাণপ্রিয় স্বাধীন মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তন করে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করেন।

তিনি শূন্য হাতে বন্ধুরাষ্ট্রগুলোর সহায়তা নিয়ে ছিন্নমূল মানুষকে পুনর্বাসন করেন, অবকাঠামো পুনঃস্থাপন ও উন্নয়ন করেন এবং উৎপাদন খাত ও অর্থনীতিকে একটি শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করান। স্বাধীনতা অর্জনের ৯ মাসের মধ্যেই একটি সংবিধান উপহার দেন।

আরও পড়ুন: আজ মহান স্বাধীনতা দিবস

কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, ১৯৭১-এর পরাজিত স্বাধীনতা বিরোধীরা তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত চালাতে থাকে। ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট ঘাতকের নির্মম বুলেটের আঘাতে ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যসহ শাহাদতবরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের ভোটে জয়ী হয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায়। আমরা দায়িত্ব নিয়েই সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি প্রবর্তনের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের জীবনমান পরিবর্তনে দ্রুত কাজে নেমে পড়ি।

আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভাগ্য উন্নয়নের দর্শনে বিশ্বাসী। সাধারণ মানুষের জীবনমান এবং দেশের উন্নয়নে আমরা আশু, স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনা করছি।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত সবকয়টি জাতীয় নির্বাচনে জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন পেয়ে সরকার পরিচালনা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এখন বাস্তবতা।

আরও পড়ুন: কিশোরগঞ্জে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সেবার আওতায় নিয়ে এসেছি। আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ করেছি। মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দৃষ্টিনন্দন তৃতীয় টার্মিনাল, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্প, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের মত মেগা প্রকল্পের বাস্তবায়ন আমাদের সামর্থ্যের বহিঃপ্রকাশ।

তিনি আরও বলেন, জাতির পিতার নিজের লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘আমার দেখা নয়াচীন’ প্রকাশ করেছি। আমার বিশ্বাস, এই বইগুলো পড়লে নতুন প্রজন্ম স্বাধীনতার ইতিহাসে জাতির পিতার দৃপ্ত পদচারণা সম্পর্কে সম্যক জ্ঞানলাভ করতে পারবে।

আরও পড়ুন: মহান স্বাধীনতা দিবসে ইসলামী ব্যাংকের শ্রদ্ধা

স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসে এ মাহেন্দ্রক্ষণে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের স্বপ্নের উন্নত-সমৃদ্ধ অসাম্প্রদায়িক স্মার্ট ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণের শপথ গ্রহণ করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশে এবং প্রবাসে বসবাসকারী সব বাংলাদেশি নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ৪ নেতা, মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ সম্ভ্রমহারা মা-বোনকে স্মরণ করেন। সেই সঙ্গে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাসহ সব অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মান জানিয়ে সব বন্ধুরাষ্ট্র, সংগঠন, সংস্থা, ব্যক্তি এবং বিশেষ করে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

সান নিউজ/এনজে

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

মুন্সীগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৬

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মান্দ্রায় বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মধ্যরাত থেকে সকাল পর...

গণহত্যার দায়ে জামায়াত-আ.লীগ একই সূত্রে গাঁথা: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, বিএনপির বিরুদ্ধ...

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২৮ জনকে বিএসএফের পুশ-ইন, সতর্ক বিজিবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি সীমান্তে ২৮ জন বাংলাদেশিকে পুশ...

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় চট্টগ্রামে আটকে কোটি টাকার স্ক্র্যাপ জাহাজ

চট্টগ্রামের শিপব্রেকিং শিল্পে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নি...

নৌবাহিনীতে যুক্ত ৭০ টনের ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির...

ঝড়-বৃষ্টিতে শূন্যরেখায় রাত কাটালেন ২৮ জন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাংগাবাড়ি সীমান্তে আটকে থাকা ২৮ জনের অনিশ...

সিরাজগঞ্জে বাসের ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রীসহ নিহত ৩

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় এক হৃদয়বিদারক সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজন...

তাপপ্রবাহের দাপট, সপ্তাহজুড়ে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এখনো তাপপ্রবাহের প্রভাব অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে ১৭টি জেল...

দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মায় ডুবল বাস

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঘটন...

জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্ববাসীর কঠিন বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রীর বাণী

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন আরও স্পষ্ট ও তীব্র হয়ে উঠছে, যা বিশ্বজুড়ে...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা