ছবি : সংগৃহিত
আন্তর্জাতিক

সিরিয়ায় ভবন ধসে নিহত ১৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় শহর আলেপ্পোতে একটি আবাসিক ভবন ধসে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু ঘটেছে। ধ্বংসস্তুপের নিচে আরও অনেকে আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, তাদের উদ্ধারে দেশটির উদ্ধারকর্মীরা অভিযান পরিচালনা করছেন।

আরও পড়ুন : কোরআন পোড়ানো অত্যন্ত অসম্মানজনক

রোববার (২২ জানুয়ারি) আলেপ্পোর শেখ মাকসুদ জেলায় ভবন ধসের ঘটনাটি ঘটেছে বলে দেশটির সরকারি সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, সিরিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর আলেপ্পোর শেখ মাকসুদ জেলায় পাঁচ তলা ভবন ধসে পড়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পানি লিকেজ হয়ে যাওয়ায় ভবনটির ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়েছিল।

ছয় বছর আগে রাশিয়া ও সিরিয়ার ব্যাপক বোমা হামলায় দেশটির বিদ্রোহীরা আলেপ্পোর নিয়ন্ত্রণ হারায়। হামলায় শহরটির অনেক ভবন ক্ষত-বিক্ষত হওয়ায় গত কয়েক বছরে আলেপ্পোতে বেশ কিছু ভবন ধসে পড়েছে।

আরও পড়ুন : গ্রিড বিপর্যয়, বিদ্যুৎহীন পাকিস্তান

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, বাস্তুচ্যুত বহু সিরিয় নাগরিককে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত আলেপ্পোর ভবনগুলোতে স্থানান্তর করা হয়েছে। আবাসিক এলাকাগুলোর পুনর্নির্মাণ যথাযথ প্রক্রিয়ায় হয়নি এবং সেখানে রাষ্ট্রীয় ন্যূনতম পরিষেবাও অপ্রতুল রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে যেসব জেলায় বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়েছিল, সেসব জেলার বাসিন্দাদের শায়েস্তা করতে সিরিয়ার এই প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন ধরনের সরকারি পরিষেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন : ইরানের মুদ্রার সর্বনিম্ন দরপতন!

স্থানীয়রা বলছেন, অনেক ক্ষেত্রে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত ভবন সংস্কারের কাজ করা হয় এবং স্থানীয় লোকজনকে ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয়।

প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সরকার দেশটিতে জনগণের ভোগান্তি এবং পুনর্গঠনের কাজ ধীরগতির কারণ হিসেবে যুদ্ধ ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞাকে দায়ী করে।

আরও পড়ুন : পাত্রী খুঁজছেন রাহুল গান্ধী!

তবে দেশটির সরকার বিদ্রোহীদের কাছ থেকে পুনর্দখলে নেওয়া শহরগুলোতে বৈরী ও বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

দেশের সব এলাকায় স্বাভাবিক পরিষেবা পুনরায় চালুর বিষয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছে। এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।

সান নিউজ/এইচএন

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ইজিবাইক চালক শাহজালাল হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার–২

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ইজিবাইক চালক মো. শাহজালাল (২৭) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাট...

পানছড়ি সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ মালামাল উদ্ধার করেছে বিজিবি

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার কচুছড়ি মুখ সীমান্ত এলাকায় বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিম...

মুন্সীগঞ্জে বসতঘরে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় আসামিদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার মানিকপুর এলাকায় প্রবাসীর বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘ...

ইসলামী ব্যাংকের আমানত এখন ১ লক্ষ ৮৩ হাজার কোটি টাকা

চ্যালেঞ্জকে সম্ভাবনায় রূপান্তর করে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংকের আ...

চাঞ্চল্যকর জান্নাত হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়াতে আলোচিত জান্নাত হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ ৩ জনক...

বসতঘরের বিদ্যুৎ লাইন মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কলেজছাত্রের মৃত্যু

ঝালকাঠির নলছিটিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নাজমুল ইসলাম (২০) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থ...

মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মহিউদ্দিনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে বাং...

জুলাইবিরোধী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের শাস্তি নির্ধারণে ইবিতে নতুন কমিটি গঠন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জুলাই বিপ্লববিরোধী ভূমিকায় থাকা শিক্ষক, কর্মকর্ত...

এয়ারগান দিয়ে পাখি শিকারের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

কুষ্টিয়ায় এয়ারগান দিয়ে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে পাখি শিকারের অভিযোগ উঠেছে।...

ঝালকাঠিতে শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বীর জামায়াতে যোগদান

ঝালকাঠির সদর উপজেলার কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়নে সনাতন ধর্মাবলম্বী শতাধিক মানুষ বাংল...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা