ছবি: সংগৃহীত
স্বাস্থ্য

বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক:আজ বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস। ২০১০ সাল থেকে সারা বিশ্বে দিবসটি পালন শুরু হলেও বাংলাদেশে পালন হয় ২০১৪ সাল থেকে। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘ফার্মেসি স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ’।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে দক্ষতার সাথে কাজ করছে ইউনিসেফ

অনেক সময় চিকিৎসক না মিললে পেট ব্যথা বা মাথা ধরার মতো নানা অসুখের জন্য ধারে কাছে কোনো ওষুধের দোকান পেলেই চিকিৎসার হয়ে যায়। ওষুধের দোকানে থাকা মানুষটিই তখন চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ওষুধটি দিয়ে সাহায্য করেন।

এ মানুষটিকে আমরা সাধারণত ওষুধ বিক্রেতা বলে জানি। এ ভূমিকায় থাকা মানুষগুলোকে ফার্মাসিস্টও বলা হয়। ওষুধ প্রস্তুতি ও ব্যবহারবিদদেরকে ইংরেজিতে বলা হয় ফার্মাসিস্ট, কেমিস্ট বা ড্রাগিস্ট।

আরও পড়ুন: সহিংসতা তালিকায় বাংলাদেশ ২২তম

চিকিৎসকেরা রোগীদের ওষুধ দেওয়ার আগে ওষুধগুলোকে নানা রকম যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। এরপর ওষুধের নানা ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলে। শেষমেশ সেগুলো সকলের ব্যবহারের জন্য বাজারে ছাড়া হয়। ওষুধগুলোর ডোজ ও বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরেই চিকিৎসকেরা ওষুধ রোগীদের দিয়ে থাকেন।

তাই চিকিৎসা ক্ষেত্রে ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা কিছুটা আড়ালে থাকলেও সাধারণ মানুষের জন্য ওষুধ তৈরি ও বিতরণের ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত ৯০৯ জনের মৃত্যু

ফার্মাসিস্টরা চিকিৎসকদের যথোপযুক্ত পরামর্শ দিয়ে ওষুধের নিয়ন্ত্রণের দিকটি নজরে রাখেন। উল্লেখ্য, গ্রামাঞ্চলে চিকিৎসকের অভাবে অনেক সময় ফার্মাসিস্টরাই রোগীদের ওষুধ দিয়ে থাকেন।

বৈশ্বিকভাবে প্রথম সারির সর্বোচ্চ বিশ্বস্ত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী পেশার মধ্যে ফার্মাসিস্ট একটি। তারা যেমন একাধারে ওষুধ তৈরি, বিপণন ও নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করেন, তেমনি ফার্মেসির সাথে শিক্ষকতা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এ কারণ একটি ফার্মেসি নিঃসন্দেহে আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য বিশ্বস্ত সঙ্গী।

আরও পড়ুন: মোরেলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত

দেশের অধিকাংশ ওষুধ ফার্মাসিস্টের পরামর্শে বিক্রি হয়। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থান থেকে এটাই বাস্তব চিত্র যে, অধিকাংশ রোগীর কাছে ফার্মাসিস্টই প্রথম পরামর্শক, চিকিৎসক ও আরোগ্য সহায়ক।

ফার্মেসিতে গেলেই অনেক রোগী জানতে পারে তাদের উচ্চ রক্তচাপ রোগ বা ডায়াবেটিসের কথা, জানতে পারে গর্ভধারণের খবর। জীবনের প্রতিটা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রোগী প্রথম যাকে কাছে পায়, তিনি ফার্মাসিস্ট।

আরও পড়ুন: স্যালাইন নিয়ে আর কোনো সংকট হবে না

একজন ফার্মাসিস্টের জন্য বিষয়টি যতটা আত্মতুষ্টির, ততটা নাজুকও বটে। কারণ প্রাথমিক পরামর্শক হিসেবে তার কাঁধে বর্তায় সঠিক তথ্য, সঠিক ওষুধ ও সঠিক পরামর্শ প্রদানের দায়িত্ব।

সেই সাথে রোগীকে ড্রাগ-ড্রাগ ইন্টারেকসন, ড্রাগ-ফুড ইন্টারেক্সান বুঝিয়া দেওয়া, ওষুধের বিরূপ প্রতিক্রিয়া হলে তার তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরে প্রতিবেদন হিসেবে পাঠানো ও বাড়িতে ওষুধ সংরক্ষণের সঠিক উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো- এ সবই একজন ফার্মাসিস্টের ওপর দায়িত্ব বর্তায়, যা আমাদের দেশে অনেকাংশেই অনুপস্থিত।

আরও পড়ুন: ২ বছর ধরে অ্যান্টিভেনম নেই শরণখোলা হাসপাতালে

প্রতি বছর দেশে সাড়ে ৩-৪ হাজার গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট বের হলেও তাদের ৮০ ভাগই ওষুধ উৎপাদনে কাজ করছেন। হাসপাতাল বা ফার্মেসিতে কাজের সুযোগ না থাকায় প্রতি মাসেই বিশাল সংখ্যক ফার্মাসিস্ট দেশ ছাড়ছেন।

এতো ফার্মাসিস্ট বের হওয়ার পরও স্বাস্থ্য সেবায় কাজে লাগাতে না পারার ঘটনায় বিশেষজ্ঞরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।

সান নিউজ/এনজে

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

কোপার শিরোপা আর্জেন্টিনার

স্পোর্টস ডেস্ক : কোপা আমেরিকার ফাইনালে লাউতারো মার্টিনেজের গ...

শিক্ষার্থীদের আটকাতে ব্যারিকেড

নিজস্ব প্রতিবেদক: কোটা সংস্কারের ১ দফা দাবি আদায়...

টিভিতে আজকের খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক: প্রতিদিনের মতো আজ রোববার (১৪ জুলাই) বেশ কিছু...

ক্যাম্পাসে ফিরেছেন শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি চাকরিতে...

বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন 

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনে ৩ দিনের সফর...

বাফুফের জন্মদিন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালের (১৬...

২ বিভাগ- ১ জেলায় তাপপ্রবাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে দেশের ২ বিভ...

বহিরাগতদের জন্যই পুলিশ মোতায়েন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্য...

ঢাবিতে রাতেও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ সারা দিনভর দ...

অনুরোধ প্রত্যাখ্যান শিক্ষার্থীদে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীর...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা