সংগৃহীত ছবি
জাতীয়

সরকার ভাগ্যন্নোয়নে কাজ করেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের অর্থনীতিতে বস্ত্র খাতের অবদান অপরিসীম। আওয়ামী লীগ সরকার সবসময়ই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ধারণ করে দেশ ও জাতির ভাগ্যন্নোয়নে কাজ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন : ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা খুঁজছে বিএনপি

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) জাতীয় বস্ত্র দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৫ ভাগ অর্জিত হয় বস্ত্র খাত থেকে। জিডিপিতে এ খাতের অবদান প্রায় ১৩ শতাংশ। তৈরি পোশাক খাতে প্রায় ৪৪ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে যার ৫৩ শতাংশ নারী। পরোক্ষভাবে প্রায় ৪ কোটিরও বেশি মানুষ এ শিল্পের ওপর নির্ভরশীল।

আরও পড়ুন : ৩৩ থানায় আসছে নতুন ওসি

তিনি বলেন, বস্ত্র কারিগরি শিক্ষার হার বৃদ্ধিসহ বস্ত্র শিল্পকে সহায়তার মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ বস্ত্র চাহিদা পূরণ, রপ্তানি বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিসহ নিরাপদ, টেকসই, শক্তিশালী এবং প্রতিযোগিতা সক্ষম বস্ত্রখাত গড়ে তুলতে আমরা ‘বস্ত্রনীতি, ২০১৭’, ‘বস্ত্র আইন, ২০১৮’ এবং ‘বস্ত্রশিল্প (নিবন্ধন ও ওয়ানস্টপ সার্ভিস কেন্দ্র) বিধিমালা, ২০২১’ প্রণয়ন করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রাচীনকাল থেকেই বস্ত্র শিল্পে বাংলাদেশের সুনাম ছিল গৌরবময় এবং জগদ্বিখ্যাত। ঢাকাই মসলিন থেকে শুরু করে জামদানি আর বেনারসি এ দেশের বস্ত্রশিল্পের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। বস্ত্রখাত দেশের অর্থনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে ভূমিকা রেখে চলছে।

আরও পড়ুন : র‍্যাবের ৪৩৫ টহল দল মোতায়েন

সরকারপ্রধান আরও বলেন, বস্ত্র শিল্পকে সহায়তা ও প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের লক্ষ্যে বস্ত্র অধিদপ্তরকে পোশাক কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর বস্ত্রশিল্প গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন বস্ত্র অধিদপ্তর এখাতে দক্ষ জনবল তৈরির জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনা করছে। পাশাপাশি আমাদের সরকার এখাতে রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন নতুন বাজার সৃষ্টিতে কাজ করছে।

সান নিউজ/এমআর

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

নোবিপ্রবির মাহামুদুল এখন অ্যামাজনের সিনিয়র ম্যানেজার ‎ 

‎বিশ্ববিখ্যাত প্রযুক্তি ও রিটেইল জায়ান্ট 'অ্যামাজন'-এর সিনিয়র ম...

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত, কবে ম্যাচ?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত হয়েছে। গ্রুপ...

আলফাডাঙ্গায় কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বড়ভাগ গ্রামে দীর্ঘদিনের পূর্ব শত্রুতা ও গ্রাম্য...

বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার সহায়তা বিশ্বব্যাংকের

বাংলাদেশকে প্রায় প্রায় ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা (১ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)...

সফর শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর 

মালয়েশিয়া ও চীনে প্রথম বিদেশ সফর সম্পন্ন করে দেশে ফিরে বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট...

পাওনা টাকা আদায়ে অটোরিকশাচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পাওনা টাকা আদায়ে এক অটোরিকশাচালককে তুলে নিয়ে দুই দিন শিকল...

পদ্মা সেতু চালু হলেও থমকে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের ৬ লেন কাজ

পদ্মা সেতু নির্মাণ হলেও থমকে আছে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ৬ লেনের কাজ। ফলে প্রতিদ...

মুন্সীগঞ্জে হ্যান্ডকাফ নিয়ে পালানো আসামি ৩ ঘণ্টা পর গ্রেফতার

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতারকৃত আসামি হ্যান্ডকাফ...

ইতালিতে ট্রিপল মার্ডার : এখনো মা জানেন না তার একমাত্র ছেলে বেঁচে নেই

প্রায় ৬০ বছর বয়সী জাহানারা বেগমের সংসারে এক ছেলে ও পাঁচ মেয়ে। একমাত্র ছেলে কা...

ইতালিতে ট্রিপল মার্ডার : সন্দেহভাজনের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে নতুন আলোচনা

ইতালির রাজধানী রোমে বাংলাদেশি দম্পতি ও তাদের শিশু কন্যাকে হত্যার ঘটনায় এক বাং...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা