আন্তর্জাতিক

ঘণ্টায় বোমা হামলার শিকার তিন ফিলিস্তিনি শিশু 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের বোমা হামলায় ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গত সোমবার থেকে শুরুর পর প্রতি ঘণ্টায় তিন জন করে নিষ্পাপ শিশু হামলার শিকার হচ্ছে বলে জানিয়েছে শিশুদের নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন।

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সামরিক সংঘাত শুরুর পর থেকে গত এক সপ্তাহে গাজায় অন্তত ৫৮ শিশু এবং ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে দুই শিশু নিহত হয়েছে। এছাড়া ইসরায়েলের বর্বরোচিত হামলায় গাজায় ৩৬৬ শিশুসহ সহস্রাধিক ফিলিস্তিন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

সেভ দ্য চিলড্রেনের ফিলিস্তিন কান্ট্রি ডিরেক্টর জেসন লি বলেছেন, ‌‌‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যবস্থা নেওয়ার আগে আর কতগুলো পরিবার তাদের প্রিয়জনকে মরতে দেখবে? নিজের ঘরে যখন বিমান হামলা চলে তখন এসব শিশু আর কোথায় পালিয়ে তাদের জীবন বাঁচাবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘গাজার অনেক পরিবার ও আমাদের কর্মীরা আমাদেরকে এটা বলছেন যে, এমন পরিস্থিতি দেখে তাদের হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে। তাদের মনে হচ্ছে, তারা নরকে বাস করছে। পালিয়ে আশ্রয় নেবেন এমন কোনো জায়গা নেই। এটার কোনো শেষও দেখছেন না তারা।’

ফিলিস্তিনের কর্মকর্তারা বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর গতকাল রোববার ছিল ভয়াবহ দিন। গতকাল ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১৬ নারী, ১০ শিশুসহ ৪২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। শিশুসহ একদিনে এত মৃত্যু গত এক সপ্তাহে হয়নি।

সংঘাত বন্ধের আন্তর্জাতিক আহ্বান উপেক্ষা করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু কাল বলেছেন, হামাসের বিরুদ্ধে সামরিক এই অভিযান ‘পুরোদমে’ চলছে। যতদিন প্রয়োজন ততদিন তা চলবে। প্রয়োজনে হামলা জোরদারের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের সংঘাত কমার কোনো লক্ষণ নেই। গাজায় স্থানীয় সময় গতকাল রোববার রাতে ও আজ সোমবারও বেশ কয়েকটি বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের শহরগুলোতে গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাসও রকেট হামলা চালিয়েছে।

গাজায় ধসে পড়া ভবন ও বাড়িঘরের ধ্বংসস্তুপ থেকে জীবিত মানুষ ও মরদেহের খোঁজে তল্লাশি-উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে গাজা বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী। হামলার ভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছেন হাজার হাজার পরিবার। তারপরও প্রাণে রক্ষা পাচ্ছে না।

সাননিউজ/এএসএম

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

রাশিয়া থেকে সরাসরি ইউরিয়া সার আনবে সরকার

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সার সরবরাহকারী দেশগুলোতে উৎপাদন, পরি...

প্রাইভেট বনাম সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা : আস্থার বাস্তবতা ও দায়বদ্ধতার প্রশ্ন

বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় আজ এক স্পষ্ট দ্বৈত বাস্তবতা দেখা যায়&mdas...

হ্যাটট্রিকের পর আবেগে কেঁদে ফেললেন মেসি

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে দুর্দান্ত সূচনা করেছে আর্জেন্টিনা। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্...

২০ জুন খুলনায় বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় ঐক্যজোট 

আগামী শনিবার(২০ জুন) দুপুর ২টায় খুলনা মহানগরীর ঐতিহাসিক সার্কিট হাউস ময়দানে গ...

বেনজীরকে দেশে আনতে যেসব বাধা থাকতে পারে 

বেনজীর আহমেদ (পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক,আইজিপি) দুবাইয়ে গ্রেফতার হয়েছেন। আগে...

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দক্ষ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী প্রয়োজন: সেনাপ্রধান

বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা নেয়া হয়ে...

ঢাকায় একক কোম্পানির অধীনে বাস চলাচলের পরিকল্পনা

ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরি...

দেশে গম চাষে অগ্রগতি, ২.৮৮ লাখ হেক্টরে আবাদ

দেশে গম চাষের পরিধি ক্রমেই বাড়ছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর র...

ঢাকায় আ.লীগের ঝটিকা মিছিল

ঢাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও দলটির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা সাবেক অন্...

জুনের ১৭ দিনে ১৮২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স, নতুন রেকর্ড

চলতি জুন মাসে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে। বাংলাদেশ ব্...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা