জাতীয়
মুজিব বর্ষের উপহার

গ্রামে গ্রামে পাঁকা ঘর গৃহহীনদের জন্য

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গৃহহীনদের জন্য মাথা গোজার ঠাঁই করে দিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান শুরু করেছিলেনর গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প। তাঁর সেই কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আদর্শ গ্রাম, আশ্রয়ণ, গৃহায়ণসহ বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষকে ঘরবাড়ি দিয়ে যাচ্ছে সরকার।

২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দিন পর্যন্ত ঘোষিত ‘মুজিব বর্ষ’ উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহন করেছে বর্তমান সরকার। এ উপলক্ষে দেশের ৬৮ হাজার ৬৮টি গ্রামে একটি করে ঘর পাবে গৃহহীন পরিবার।

একটি করে দুস্থ ও দরিদ্র পরিবারকে পাকা বাড়ি নির্মাণ করে দিতে খরচ ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৬০ টাকা। চলতি ও আগামী অর্থবছরের মধ্যে নির্মাণ করা হবে এসব বাড়ি। এ জন্য দুই বছরে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২ হাজার ৪০ কোটি ১৮ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮০ টাকা।

অর্থ মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র জানায়, উপজেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে সারা দেশের উপকূলীয় অঞ্চল, নদী ভাঙনের শিকার, হতদরিদ্র, সহায় সম্বলহীন, ভূমিহীন ও প্রান্তিক পর্যায়ের সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে এসব বাড়ি নির্মাণ করে দেয়ার ।

‘মুজিব বর্ষ’ উদযাপনের প্রধান সমন্বয়কারী সাবেক সিনিয়র সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘মুজিব বর্ষ’ উপলক্ষে সরকারের গৃহিত বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে গৃহহীনদের বাড়ি নির্মাণ করে দেয়ার প্রকল্প হাতে নিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) ও কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) কর্মসূচির বিশেষ বরাদ্দ বাতিল করে ৩০ হাজার বাড়ি নির্মাণ খাতে ৮৯৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকা স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হয় এই প্রকল্পে।

আর এর মাধ্যমে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ অনুযায়ী প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন সহজ হবে বলে মনে করছে সরকার।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৮-৯% মানুষ চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। আর বিশ্বব্যাংকের তথ্য মতে, দেশের প্রায় ৪ কোটি মানুষ এখনো দরিদ্র। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটা অংশ রয়েছে যারা ভূমিহীন ও গৃহহীন। প্রান্তিক এলাকার পাশাপাশি খোদ রাজধানী ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরেও গৃহহীন মানুষ রয়েছে।

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসের স্টেনোটাইপিস্ট মিজানের ঘুষ বাণিজ্য

ঘুষ, অনিয়ম ও প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে কার্যত জিম্মি হয়ে আছে মুন্সীগঞ্জ...

সংবিধান সংস্কার আদৌ হবে কি?

নির্বাচনের ফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বানের যে...

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল অভিযানের প্রস্ততি!

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে প্রথমবারের মতো মেরিন স্থল সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে যুক্তর...

ঈদের পরে বিরোধী জোটের বড় কর্মসূচি আসছে

হ্যাঁ জয়ী হওয়ায় আদেশ অনুযায়ী, ত্রয়োদশ সংসদ দ্বৈত ভূমিকা পালন করবে। নির্বাচিত...

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল অভিযানের প্রস্ততি!

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে প্রথমবারের মতো মেরিন স্থল সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে যুক্তর...

ঈদের পরে বিরোধী জোটের বড় কর্মসূচি আসছে

হ্যাঁ জয়ী হওয়ায় আদেশ অনুযায়ী, ত্রয়োদশ সংসদ দ্বৈত ভূমিকা পালন করবে। নির্বাচিত...

সংবিধান সংস্কার আদৌ হবে কি?

নির্বাচনের ফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বানের যে...

মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসের স্টেনোটাইপিস্ট মিজানের ঘুষ বাণিজ্য

ঘুষ, অনিয়ম ও প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে কার্যত জিম্মি হয়ে আছে মুন্সীগঞ্জ...

শক্ত অবস্থানে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় এখনো ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব অক্ষত আছে। দেশট...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা