ছবি: সংগৃহীত
সারাদেশ

ভাঙ্গনের মুখে দিঘীরপাড় বাজার

মো. নাজির হোসেন, মুন্সীগঞ্জ: বাঁধের জন্য বরাদ্দ হয়েছে দুই বছর আগে। ভাঙ্গন কবলিত স্থানে জিও ব্যাগ ফেলে নির্মাণ করা হয়েছে স্থায়ী বাঁধ।

আরও পড়ুন: আবারও বন্ধ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র

কিন্তু ওই স্থায়ী বাঁধ ধ্বসে স্থানে স্থানে ফের ভাঙ্গছে নদী। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান জিও ব্যাগ ভর্তি করে বালুর বস্তা ভরে দিঘীরপাড় বাজারে শুকানো স্থানে স্তুপ করে রেখেছেন। ফেলছেন না নদীতে। তাদের গাফিলতির কারণে হুমকির মুখে পড়েছে পুরো দিঘীরপাড় বাজারসহ মূলচর গ্রামটি। এতে আতঙ্কে রয়েছে কয়েক হাজার লোকজন।

জানা গেছে, ৩০ বছরেরও অধিক সময় ধরে টঙ্গীবাড়ি উপজেলার দিঘীরপাড় ইউনিয়নে ভাঙ্গন চলছে। মুন্সীগঞ্জ জেলার এক সময়ের সবচেয়ে বড় এ বাজারটি কয়েকবার ভাঙ্গনে ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে।

আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে মডেল মসজিদের উদ্বোধন

ওই ইউনিয়নের অর্ধেকেরও বেশি ভূমি গ্রাস করেছে পদ্মা। ভাঙ্গন রোধে সরকার উদ্যোগ নিলেও ঠিকাদারের গাফিলতিতে হুমকির মুখে পড়েছে পুরো বাজারসহ আশ-পাশের গ্রামগুলো।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ভাঙ্গন রোধে দিঘীরপাড় বাজারের পাশের পদ্মা নদীতে ফেলা ব্যাগ স্থানে স্থানে ধ্বসে ভাঙ্গন চলছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জিও ব্যাগে বালু ভরে দিঘীরপাড় বাজারের স্থানে স্থানে স্তুপ করে রাখছে, কিন্তু নদীতে ফেলছে না। এতে হুমকির মুখে পরেছে পুরো বাজার। স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করলেও, দেখার মতো কেউ নেই।

আরও পড়ুন: নীলফামারীতে প্রবীণদের চিকিৎসা কেন্দ্র উদ্বোধন

স্থানীয়রা বলছেন, বাজারসহ মূলচর গ্রামটি দৈর্ঘ্য প্রায় সোয়া কিলোমিটার ভাঙ্গন কবলিত এলাকা।

স্থানীয় শফি খান বলেন, এই স্থানে বাঁধ হওয়ার জন্য প্রজেক্ট পাশ হয়েছে। তিন বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা। দুই বছর শেষ হয়ে গেছে। স্থায়ী বাঁধ কবে হবে? আমাদের বাড়িঘর ভেঙ্গে যাওয়ার পরে? একে একে দুইবার ভাঙ্গছে। এবার ভাঙ্গলে আমাদের আর যাওয়ার জায়গা থাকবে না।

দিঘীরপাড় ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য শ্যামল মন্ডল বলেন, ২ বছর আগে এখানে স্থায়ীভাবে বাধ নির্মাণের প্রজেক্ট পাশ হয়। প্রজেক্ট পাশের পরে ভাঙ্গন এলাকায় বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়। কিন্তু সে ব্যাগ স্থানে স্থানে ধ্বসে গিয়ে পূনরায় ভাঙ্গন চলছে। পানির উপরে জিও ব্যাগে বালু ভর্তি করে রাখা হয়েছে। অথচ নদীতে ফেলা হচ্ছে না।

আরও পড়ুন: পাবনায় বিক্ষোভ মিছিল, আটক ৫

মানুষের বাড়িঘর ভেঙ্গে গেলে কি ওগুলো নদীতে ফেলবে? এর আগে দুবার নদীতে বাড়িঘর ভাঙ্গছে। আমাদের দূর্দশার কথা ভেবে প্রধানমন্ত্রী বাঁধ নির্মাণের টাকা দিলেও বাঁধতো হচ্ছে না। এগুলো দেখার কেউ নেই। ৩ বছরের মধ্যে বাঁধ হওয়ার কথা। অথচ দুই বছর শেষ হয়ে গেছে। এখনো স্থায়ী বাঁধ নির্মানের কাজ শুরুই করেনি ঠিকাদাররা।

এদিকে জিও ব্যাগ তৈরি করে রাখলেও কেন কাজ হচ্ছে না- এ বিষয়ে একাধিক ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: ৪ বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

এ ব্যাপারে পানি উন্নায়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রণেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী বলেন, ওই স্থানে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রক্রিয়া চলমান।

স্থায়ী বাঁধ নির্মানের আগে চুক্তি অনুযায়ী, যে কোন মূল্য ওই এলকার নদী ভাঙ্গন রোধ করেবে ঠিকাদাররা। ওই স্থানের অস্থায়ী ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধটিতে সংস্কারের কাজ চলছে। ঠিকাদার ইতিমধ্যে বালুর বস্তা ভরাট কাজ শেষ করেছে। বাকি প্রক্রিয়া শেষ হলে, ওগুলো নদীতে ফেলা হবে।

সান নিউজ/এনজে

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

সাতক্ষীরায় বইছে প্রচন্ড দমকা হাওয়া

মো. মাজহারুল ইসলাম, সাতক্ষীরা: ব্...

ভালুকায় ভয়ংকর কিশোর গ্যাং!

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়...

সাবেক ওসির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা 

মো. মাজহারুল ইসলাম, সাতক্ষীরা: ৮...

আইপিএল চ্যাম্পিয়ন কলকাতা

স্পোর্টস ডেস্ক : ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ফাইনালে স...

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় ধাপের শি...

গাজায় নিহত ছাড়াল ৩৬ হাজার 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বর্বর অভি...

ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ...

শাহরুখের ছোট ছেলের মাসিক খরচ

বিনোদন ডেস্ক: বলিউড বাদশাহ শাহরুখ...

ঠাকুরগাঁওয়ে রেজিয়া হত্যায় গ্রেফতার ২

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ে হত্যাকান্ডের ২৪ ঘন্টার মধ্...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা