জাতীয়

৭ মার্চকে ‘জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস’ ঘোষণার নির্দেশ

সান নিউজ ডেস্ক:

বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অনন্য দিন ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেদিন লাখ লাখ মুক্তিকামী মানুষের উপস্থিতিতে বজ্রকন্ঠে ঘোষণা করেন, “রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”

মূলত এই দিনই স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন বঙ্গবন্ধু। এরপরই দেশের মুক্তিকামী মানুষ ঘরে ঘরে চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। এই ৭ মার্চকে ঐতিহাসিক জাতীয় দিবস ঘোষণা করে আগামী এক মাসের মধ্যে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব আদেশ দেন।

এছাড়া, দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় যথাযথ স্থানে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এর পাশাপাশি আদেশ বাস্তবায়নের বিষয়ে এক মাসের মধ্যে আদালতে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছেন আদালত।

২০০৯ সালে এ বিষয়ে দেয়া হাইকোর্টের আদেশ কেন বাস্তবায়ন করা হয়নি, এক মাসের মধ্যে লিখিতভাবে তা ব্যাখ্যা দিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে পাঠ্য বইয়ে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ইতিহাস কেন অন্তর্ভুক্ত করা হবে না, তা জানতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মামলার সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ড. বশির আহমেদ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

এর আগে ২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর এক রিটের শুনানি নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক ভাষণের স্থানে মঞ্চ পুনর্নির্মাণ করে সেখানে তার ভাস্কর্য এবং ৭ মার্চকে ঐতিহাসিক জাতীয় দিবস হিসেবে কেন ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদেরকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

পরে গত ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের স্মৃতি বিজড়িত স্থান রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নিয়ে সরকারের নেওয়া পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন হাইকোর্ট।

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

বোয়ালমারীতে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পুকুরের পানিতে ডুবে আবিদ শেখ...

‎শিশু ধর্ষণ: পাঁচ বছর পর আদালতের রায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় স্কুলে যাওয়ার পথে আট বছরের...

বিএনপির সাবেক ৫ বারের এমপি আব্দুল হাই আর নেই

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক উপমন্...

হামজার লাল কার্ড নিয়ে ফুঁসছেন শেফিল্ড কোচ

ফ্র্যাটন পার্কের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে পোর্টসমাউথের মাঠে ৩-২ গোলে হেরেছে শেফিল্ড ই...

মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

দ্বিতীয় দফায় মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য...

আগামী সপ্তাহ থেকে আইএমএফের সঙ্গে বৈঠকে বসছে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত ঋণ প্রস্তাবের সমস্ত খু...

জাতীয় দলে ফিরতে চান জাহানারা আলম

মানসিক স্বাস্থ্যজনিত জটিলতা ও ব্যক্তিগত নানা প্রতিকূলতার কারণে দীর্ঘ প্রায় দ...

নতুন পরীক্ষার মুখে চীন!

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট...

শারদীয় দুর্গোৎসব নিরাপত্তা ও স্বস্তিতে উদ্‌যাপনের ব্যবস্থা নিতে জামায়াত আমিরের আহ্বান

শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের লক্ষ্যে হিন্দু সম্প্রদায়...

ঘোর বিপদে ইউক্রেন!

রাশিয়ার অবিরাম ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে সামরিক দিক থেকে চরম অস্তিত্ব...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা