দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আজও বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনার কারণে ভূমিধসের উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা বহাল রাখা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, ভারতের মধ্য-উত্তর প্রদেশ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপ এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১১ থেকে ১২ জুলাইয়ের মধ্যে এসব পাহাড়ি জেলায় মোট ১০০ থেকে ৩০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।
১৩ অঞ্চলের নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত
আজ ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়া বার্তায় জানানো হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ সময় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিও হতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অধিকাংশ বিভাগেই বৃষ্টির সম্ভাবনা
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ সারাদেশের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
তাপমাত্রায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সারা দেশে দিনের ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে টানা বৃষ্টির কারণে নিচু এলাকা ও পাহাড়ি অঞ্চলে জলাবদ্ধতা এবং ভূমিধসের আশঙ্কা থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।