বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ভবিষ্যৎ তারকা তৈরির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিট। দেশের ক্রিকেটের পাইপলাইন আরও শক্তিশালী করতে প্রতি মৌসুমেই এইচপি কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেই ধারাবাহিকতায় এবার জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের বিপক্ষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছে বিসিবি।
সূত্র বলছে, আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের জন্য এখনো আনুষ্ঠানিক দল ঘোষণা না হলেও নেতৃত্বের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন ওপেনার জাকির হাসান। তার নেতৃত্বে তরুণ ও সম্ভাবনাময় ক্রিকেটারদের নিয়ে সাজানো হচ্ছে বাংলাদেশ এইচপি স্কোয়াড।
সম্ভাব্য স্কোয়াডে রয়েছেন আলিস আল ইসলাম, রোহানাত দৌলা বর্ষণ, মুশফিক হাসান, আব্দুল গাফফার সাকলাইন এবং রাকিবুল হাসানের মতো উদীয়মান ক্রিকেটাররা। এছাড়া মইন খান, শাহাদাত হোসেন দিপু, ইফতেখার ইফতি, অমিত হাসান, ইয়াসির আলী রাব্বি, চৌধুরী রিজওয়ান, সামিউন বশির রাতুল এবং আশিকুর রহমান শিবলিকেও দেখা যেতে পারে এই দলে।
আগামী ৬ জুন থেকে সিরিজ উপলক্ষে প্রস্তুতি ক্যাম্প শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ৩ জুন বাংলাদেশে পৌঁছাবে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দল। এরপর ৮, ১০ ও ১৩ জুন অনুষ্ঠিত হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে বগুড়া ও রাজশাহীর ভেন্যুতে।
ওয়ানডে সিরিজ শেষে দুই দলের মধ্যে দুটি চার দিনের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। দীর্ঘ পরিসরের এই ম্যাচগুলো তরুণ ক্রিকেটারদের দক্ষতা যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রথম দুই ওয়ানডের জন্য সম্ভাব্য স্কোয়াডে থাকছেন জাকির হাসান, শাহাদাত হোসেন, অমিত হাসান, ইফতেখার হোসেন ইফতি, ইয়াসির আলী চৌধুরী, আকবর আলী, সামিউন বশির রাতুল, আব্দুল গাফফার সাকলাইন, চৌধুরী রেজওয়ান, খালেদ আহমেদ, মুশফিক হাসান, আলিস আল ইসলাম, রোহানাত দৌলা বর্ষণ এবং রাকিবুল হাসান।
অন্যদিকে তৃতীয় ওয়ানডের জন্য স্কোয়াডে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। সেখানে সুযোগ পেতে পারেন আশিকুর রহমান শিবলি, জাকের আলী, রবিউল ইসলাম, আবু হাশিম, মঈন খান এবং হাসান মাহমুদের মতো ক্রিকেটাররা।
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, এই সিরিজটি শুধু জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লড়াই নয়; বরং জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ সদস্যদের নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের একটি বড় মঞ্চ। তাই তরুণ ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সের দিকে বিশেষ নজর থাকবে নির্বাচকদের।