আন্তর্জাতিক

খাদ্য সংকটে পড়তে যাচ্ছে বিশ্ব: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

চলমান করোনাভাইরাস সঙ্কট সঠিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হলে বিশ্বব্যাপী সম্ভাব্য ’’খাদ্য ঘাটতি’’ দেখা দিতে পারে।

জাতিসংঘের তিনটি বৈশ্বিক সংস্থার প্রধানরা হুশিয়ারি উচ্চারণ করে একথা জানান। খবর ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি ও আল জাজিরার।

বিশ্বজুড়ে অনেক সরকার ভাইরাসের বিস্তার রোধে তাদের জনগণকে লকডাউনে ফেলেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও খাদ্য সরবরাহের চেইনে মারাত্মক ধীরগতি দেখা দিয়েছে।

সংস্থাগুলো (জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা) কারণ হিসেবে বলছে, করানোভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের চেষ্টা হিসেবে বিশ্বজুড়ে প্রতিটি দেশের সরকারই তাদের দেশে লকডাউন, কোয়ারেন্টিনসহ নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

এই অবস্থায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা ভীষণভাবে ভেঙে পড়েছে। আতঙ্কগ্রস্থ বহু মানুষ খাবার মজুত করায় এরই মধ্যে অনেক দেশের সুপার মার্কেটগুলোতে সংকট তৈরি হয়ে গেছে। ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে সরবরাহব্যবস্থা।

এমন পরিস্থিতি বিবেচনায় আশঙ্কার কথা জানিয়ে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রধান কিউ ডংইউ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুসু এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার পরিচালক রবার্ট এজভেডো একটি যৌথ বিবৃতিতে সই করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, খাদ্য-পণ্যের সহজলভ্যের অনিশ্চয়তা রপ্তানি বিধি-নিষেধগুলো বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যের ঘাটতি সৃষ্টি করতে পারে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গৃহীত লকডাউনের মধ্যে প্রতিটি প্রচেষ্টা অবশ্যই এমনভবে নিতে হবে যেন অবাধ বাণিজ্য প্রবাহ যতটা সম্ভব নিশ্চিত করা যায়, বিশেষত খাদ্য ঘাটতি এড়ানো যায়।

এতে আরও বলা হয়, দেশগুলো যখন তাদের নাগরিকদের স্বাস্থ্য ও কল্যাণের সুরক্ষায় কাজ করছে, তখন বাণিজ্য সংক্রান্ত পদক্ষেপগুলো খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে বিঘ্নিত করবে না; সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করা উচিত। দীর্ঘদিন ধরে অবরুদ্ধ অবস্থা এবং চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা চললে কৃষিশ্রমের সহজলভ্যতার অভাব ও বাজারে খাদ্যপণ্য না পৌঁছানোর কারণে কৃষির উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার হুমকিতে পড়বে।

এছাড়া শীর্ষস্থানীয় এই কর্মকর্তারা খাদ্য উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের সুরক্ষা, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিতরণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। একইসঙ্গে জানান, সংকট এড়াতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য।

সান নিউজ/সালি

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

অর্থায়নের উৎস বৈচিত্র্যময় করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

ব্যাংক ঋণ ও সরকারি কোষাগারের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে অর্থায়নের উৎস বৈচিত্র্যময়...

বিনিয়োগে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম গন্তব্য হতে চায় ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জ্বালানি সংকটকে বিনিয়োগে বড় বাধা বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।...

বিজিবির বাধায় নদীপথে ১৫ জনের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ বিএসএফের 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রোকনপুর সীমান্ত দিয়ে নদীপথে ১৫ জনকে বাংল...

মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫৮৬ জন

গত মে মাসে দেশে ৫৭৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৮৬ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ৭০৫...

বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৯২০১

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপ এমসিকিউর (নৈবর্ত্তিক)...

হাইতির সামনে ব্রাজিল, জাগছে ৭-১ স্মৃতি

বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচকে সামনে রেখে আবারও আলোচনায় এসেছে ব্রাজিলের একটি স্মর...

নোয়াখালীতে টিন কেটে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণ, আটক-১

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বসতঘরের টিন কেটে ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে (৩০) ধর্...

মণিপুর-খানপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২.৪৬ লাখ টাকার মাদক জব্দ

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন...

কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে উলিপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় কাঁঠাল সংগ্রহ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যব...

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলিতে বড় পরিবর্তন: এবার সিদ্ধান্ত নেবে স্থানীয় প্রশাসন, কমবে ‘সিন্ডিকেট’ প্রভাব

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়ে...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা