মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়িতে এক গৃহবধূর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও গোপনে ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ উঠেছে এক ইমামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নূর আলম শেখ (৩২) নামে ওই ইমামকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার (১ নভেম্বর) রাতে শ্রীনগর উপজেলার একটি মাদ্রাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর ব্যবহৃত একটি মুঠোফোনও জব্দ করা হয়েছে।
প্রায় এক মাস আগে বিষয়টি জানাজানি হলে মসজিদ কমিটি তাঁকে ইমামতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করে। এরপর থেকে ওই গৃহবধূকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন তিনি। একপর্যায়ে নিজের ধারণ করা আপত্তিকর ভিডিও গৃহবধূর পরিবারের এক সদস্যের কাছে অনলাইনে পাঠিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চাপ দেন। অন্যথায় ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনার তথ্য পাওয়ার পর মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম পিপিএমের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. কামরান হোসেনের তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশ পরিদর্শক অর্জুন কুমার দাশের নেতৃত্বে এসআই আবুল কালাম আজাদ বিপিএম ও এসআই রেজাউল কাজীসহ একটি দল এ অভিযান চালায়।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক অর্জুন কুমার দাশ বলেন, অভিযোগের তথ্য পাওয়ার পর আমরা অভিযান পরিচালনা করি। রোববার রাতে জেলার শ্রীনগরের একটি মাদ্রাসা থেকে অভিযুক্তকে তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়িতে এক গৃহবধূর আপত্তিকর ভিডিও গোপনে ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে নূর আলম শেখ (৩২) নামে এক ইমামকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার (১ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে জেলার শ্রীনগর উপজেলার একটি মাদ্রাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনটিও জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার নূর আলম বিবাহিত এবং চার সন্তানের জনক। তাঁর বিরুদ্ধে টঙ্গীবাড়ি থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। সোমবার (২ নভেম্বর) মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নূর আলম শেখ প্রায় ১৮ মাস ধরে টঙ্গীবাড়ি উপজেলার বালিগাঁওতে একটি জামে মসজিদে ইমামতি করতেন। পাশাপাশি স্থানীয় ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে বাড়িতে গিয়ে ধর্মীয় শিক্ষা দিতেন। এ সুবাদে শিশুটির মায়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে ওই গৃহবধূর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তাঁদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও গোপনে ধারণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রায় এক মাস আগে বিষয়টি জানাজানি হলে মসজিদ কমিটি তাঁকে ইমামতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করে। এরপর থেকে ওই গৃহবধূকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন তিনি। একপর্যায়ে নিজের ধারণ করা আপত্তিকর ভিডিও গৃহবধূর পরিবারের এক সদস্যের কাছে অনলাইনে পাঠিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চাপ দেন। অন্যথায় ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনার তথ্য পাওয়ার পর মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম পিপিএমের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. কামরান হোসেনের তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশ পরিদর্শক অর্জুন কুমার দাশের নেতৃত্বে এসআই আবুল কালাম আজাদ বিপিএম ও এসআই রেজাউল কাজীসহ একটি দল এ অভিযান চালায়।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক অর্জুন কুমার দাশ বলেন, অভিযোগের তথ্য পাওয়ার পর আমরা অভিযান পরিচালনা করি। রোববার রাতে জেলার শ্রীনগরের একটি মাদ্রাসা থেকে অভিযুক্তকে তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সান নিউজ/ রাব্বি