সাবেক মন্ত্রী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি একটি মামলায় জামিন পেয়েছেন। তবে একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা আরও ছয়টি মামলায় কেন তাকে জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (৩ জুন) হাইকোর্ট সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এর আগে মঙ্গলবার (২ জুন) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের করা সাতটি মামলায় জামিন আবেদন শুনানির পর আদেশের জন্য দিন নির্ধারণ করেন।
শুনানির ধারাবাহিকতায় আদালত এক মামলায় দীপু মনিকে জামিন মঞ্জুর করলেও বাকি ছয় মামলার বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়ে রুল জারি করেন। ফলে তার আইনি লড়াই এখনো অব্যাহত রয়েছে।
ডা. দীপু মনি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এরপর ১৯ আগস্ট রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই সময় থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে হত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি এবং সহিংসতার নির্দেশসহ প্রায় ৩৮টিরও বেশি মামলা রয়েছে।
হাইকোর্টের সাম্প্রতিক এই সিদ্ধান্তে তার এক মামলায় সাময়িক স্বস্তি মিললেও বাকি মামলাগুলোর আইনি প্রক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ জামিন পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।