মতামত

নিখোঁজ মিরাজ শেখ : গুম সংস্কৃতি ফিরে আসার আশংকা

মতামত

।। এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।।
যখন আর্ন্তজাতিক গুম দিবস পালিত হচ্ছে সারা বিশ্বের সাথে সাথে বাংলাদেশে ঠিক তখন বাগেরহাটের মোংলা থেকে কোস্টগার্ডের পরিচয়ে তুলে নেয়া মিরাজ শেখের নিখোঁজের ১৪১ দিন। প্রায় তিন মাস পেরিয়ে গেলেও ওই যুবকের কোনো সন্ধান পাচ্ছে না তার পরিবার। এই ঘটনাকে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে গুমের প্রথম ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) ও বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) । গুম সংস্কৃতি বলতে রাষ্টীয় বা প্রভাবশালী মহলের নির্দেশে ভিন্নমতাবলম্বী ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে গোপনে তুলে নিয়ে গিয়ে নিখোঁজ রাখা এবং এর মাধ্যমে সমাজে ভীতি সৃষ্টির অপসংস্কৃতিকে বোঝায়। বাংলাদেশে বিগত দেড় দশকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশের মাধ্যমে এই বেআইনি চর্চা ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে, যা মানবাধিকার ও আইনের শাসনের পরিপন্থী।

অতিতের মতই বাগেরহাটের মোংলার নিখোঁজ মিরাজ শেখকে আটক, হেফাজতে নেওয়া বা গুম করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। তারা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাদের অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধানে মিরাজ শেখকে আটক বা জিজ্ঞাসাবাদ করার কোনো তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে। অতিতের গুমের ঘটনাগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে তখনকার সময় আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী যেভাবে সংগঠিত ঘটনাগুলো অস্বীকার করতো ঠিক তেমনই অস্বীকার করছে তারা।

দীর্ঘ ফ্যাসীবাদী শাসনের অবসানের পর জনগনের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের আমলে প্রথম গুমের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করা মিরাজ শেখকে জীবিত অবস্থায় পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করেছে জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টি (জেডিপি)। ‘নতুন করে কোথায় আয়নাঘর গড়ে তোলা হয়েছে?’—এমন প্রশ্ন তুলে দলটি অভিমত প্রকাশ করেছে যে, কোনোভাবেই বাংলাদেশে আবার গুমের সংস্কৃতি ফিরতে দেওয়া হবে না।

গণঅভ্যুত্থানের পর একটি গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে একজন নাগরিকের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনা রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুতর সতর্কবার্তা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, তারা মিরাজ শেখকে গুম করেনি। তাহলে মিরাজ শেখ কোথায়—এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি তাঁকে খুঁজে বের করাও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব এবং এই দায়িত্বে অবহেলা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দায় এড়াতে পারবে না। এই দায় বহন করতে হবে সরকারকেও।

মিরাজ শেখ গত ১০ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর পরিবারের অভিযোগ, কোস্টগার্ডের সদস্যরা তাঁকে নিয়ে গেছেন। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সাম্প্রতিক অনুসন্ধানেও মিরাজকে কোস্টগার্ডের হেফাজতে নেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে। এসব সংগঠন ঘটনাটিকে বিএনপি সরকারের আমলের প্রথম গুমের ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। অন্যদিকে, কোস্টগার্ড মিরাজকে আটক, জিজ্ঞাসাবাদ বা হেফাজতে নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। অবিলম্বে এই ঘটনায় স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত করতে হবে এবং মিরাজ শেখকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে।

মিরাজ শেখকে আদালতে হাজির করার জন্য হাইকোর্ট ইতোমধ্যে নির্দেশ দিয়েছিলো। ১২ জুলাই দেওয়া ওই আদেশে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাঁকে আদালতে হাজির করতে বলা হয়। কিন্তু এরপরও তাঁর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। তাহলে কি তাঁকে নতুন কোনো আয়নাঘরে বন্দি করে রাখা হয়েছে? সেই আয়নাঘর কোথায়? এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে জনমনে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জাতির প্রত্যাশা, তিনি অবিলম্বে মিরাজ শেখকে সুস্থভাবে তাঁর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেবেন এবং তাঁর অধীনস্থ বাহিনীগুলোর মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করবেন। যদি মিরাজ শেখের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে প্রচলিত আইনের মাধ্যমে তাঁর বিচার করা হোক। আর যদি মিরাজ শেখ বেঁচে না থাকেন, তাহলেও তাঁর পরিবার ও দেশবাসীকে সত্যটি জানানো হোক। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে মানুষের জীবন নিয়ে কোনো ধরনের লুকোচুরি কাম্য হতে পারে না।

মিরাজ শেখের পরিবারের ওপরও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মর্মান্তিক আচরণ করেছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবার। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মিরাজ শেখের মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি পালনের জের ধরে তাঁর স্ত্রী, মা ও বোনকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রচণ্ড নির্যাতনের শিকার হয়েছে। পরে তাঁদের আটক করা হয়। এরপর তাঁদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দেওয়া হয়। ওই মামলায় মিরাজের স্ত্রী, মা ও বোনকে কারাগারে পাঠানো হয়। তাঁরা প্রায় ২৭ দিন কারাগারে ছিলেন। যা অত্যান্ত দুরভাগ্যজনক।

মিরাজের স্ত্রী মুক্তা খানম অভিযোগ করেন, গত ১০ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্থানীয়দের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন যে তার স্বামীকে আটকে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, খবর পেয়ে আমি কোস্টগার্ডের পন্টুনে গিয়ে দেখি তাকে আটকে রাখা হয়েছে। সেখানে কোস্টগার্ডের পোশাকে ৮থেকে ১০ জন এবং সাদাপোশাকে আরও ছয়-সাতজন উপস্থিত ছিলেন। মিরাজকে কালো কাঁচের একটি ঘরে ঢোকানো হয়। প্রায় ৩০ মিনিট পর একটি স্পিডবোট এসে তাকে কোস্টগার্ডের হাড়বাড়িয়া ক্যাম্পের দিকে নিয়ে যায়। পরে এক ইউপি সদস্যের মাধ্যমে নম্বর জোগাড় করে হাড়বাড়িয়া কোস্টগার্ড ফাঁড়িতে ফোন করেন মুক্তা। তিনি বলেন, ‘ফোন ধরে একজন জানান যে মিরাজকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হবে। কিন্তু পরদিন সকালে মোংলার দিগরাজে কোস্টগার্ড অফিসে গেলে ডিউটিতে থাকা নতুন দল জানায়, তারা এ বিষয়ে কিছুই জানে না। অতিতের গুমের ঘটনাগুলো বিশ্লেষন করলে এমনই চিত্র উঠে আসে। একই স্কিপ , একি রকম বক্তব্য। এযেন অতিতেরই পুনরাবৃত্তি।

মিরাজের মা তাসলিমা বেগম বলেন, ‘আমি কোস্টগার্ডের পা ধরে বলছি, আমার ছেলেটাকে দিয়ে দেন। তারা আমাকে আর আমার ছেলের বউকে মারছে। তারপর থানায় নিয়ে মামলা দিছে। এক মাস জেলে থাকার পর বের হয়ে দেখি, গ্রামের সবাইরে মামলা দিছে, মারধর করছে, বাড়িঘর ভেঙে ফেলছে। তাদের ভয়ে সবাই রাতে পালিয়ে থাকে। আমরাও বাড়ি থাকতে পারি না তাদের জন্য।’ তিনি বলেন, ‘কোস্টগার্ড আমার ছেলেকে নিয়ে গেছে, এটা সবাই দেখছে, ভিডিও আছে। এখন কোস্টগার্ডের ভয়ে কেউ কিছু বলছে না।’

এইচআরডব্লিউর এশিয়া অঞ্চলের উপ-পরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলী বলেন, ‘শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনামলে হাজার হাজার মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন। এখনকার এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে সত্যিকারের সংস্কার ছাড়া এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে। এটা পরিষ্কার যে বাংলাদেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে এই ধরনের চর্চা গেঁথে গেছে।’ ‘নতুন সরকারের উচিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাঠামোগত সংস্কার ও জবাবদিহির ব্যবস্থা করা।’ বিবৃতিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার গুম প্রতিরোধ ও স্বাধীন তদন্তের লক্ষ্যে একটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। কিন্তু বর্তমান নির্বাচিত সরকার সেটি বাতিল করে নতুন একটি আইন প্রস্তাব করেছে। এই প্রস্তাবিত আইনে মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীন তদন্তের ক্ষমতা ক্ষুন্ন হবে এবং গুমের তদন্তভার পুলিশের হাতেই থাকবে।' এতের করে ন্যায় বিচারের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে।

মিরাজ শেখ নামে এক যুবক নিখোঁজ হওয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ‘একজন ব্যক্তি যে কারণেই নিখোঁজ হন না কেন, তাকে খুঁজে বের করার দায়িত্ব সরকারের। সরকার নিশ্চয়ই সে দায়িত্ব পালন করবে।’ এই কথার উপর আস্থা রাখতে চায় দেশবাসী। কিন্তু, সেই আস্থা কত দিন ? কত সময় রাখতে পারবে জনগন সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

গুমের শিকার সকল নিখোঁজ মিরাজ শেখকে জরুরি ভিত্তিতে খুঁজে বের করা, প্রতিটি গুমের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিতে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন গঠন, দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গুমের শিকার ব্যক্তি ও তার পরিবারের যথাযথ পুনর্বাসন নিশ্চিত করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাষ্ট্র ও সরকারের দায়িত্ব। রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় বাহিনীর বিরাগভাজন তথা নিখোঁজ হওয়ার ভয়ে মানুষ মুক্তবুদ্ধির চর্চা, মতপ্রকাশ কিংবা সরকারের বা রাষ্ট্রীয় বাহিনীর কর্মকান্ডের যে কোনও ধরনের সমালোচনা করা থেকে নিজেদের বিরত রাখে। যা প্রকৃতপক্ষে মানবাধিকার, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও সুশাসনের বিকাশে বাধাঁ। বাংলাদেশে আর যেন গুমের আতঙ্ক এখন সর্বত্র পরিব্যাপ্ত না হয় সে জন্য সরকারকেই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। গুমের মতো সমাজবিরোধী, মানবতাবিরোধী ও রাষ্ট্রবিরোধী এই অমানবিক দুষ্কর্মের অবসান ঘটানো সম্ভব কেবল ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন হবে।

মিরাজ শেখের সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে আন্দোলন গড়ে তোলা দেশের সকল রাজনৈতিক দল, জুলাইয়ের আন্দোলনের সংগঠন, বিভিন্ন সংস্থা ও অ্যাক্টিভিস্টদের গুমের ইস্যুতে সোচ্চার হওয়ার প্রয়োজন। আশা করি, হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী সরকার জীবিত ও সুস্থ অবস্থায় খুঁজে বের করে অবিলম্বে মিরাজকে আদালতে হাজির করবে এবং পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। মানবাধিকার কর্মীরা দাবী করেছেন, গুম পুরোপুরি বন্ধ করতে হলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে স্বাধীনভাবে যেকোনো আটক কেন্দ্র পরিদর্শনের ক্ষমতা দিতে হবে, অন্যথায় পুরনো শাসনব্যবস্থার মতো গুমের পুনরাবৃত্তি ঘটার ঝুঁকি থেকে যাবে। এই বিষয়েও সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, মিরাজ শেখকে তারা কখনও আটক বা হেফাজতে নেয়নি। অভিযোগ পাওয়ার পর অপারেশনাল রেকর্ড, টহল কার্যক্রম ও অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান পর্যালোচনা করেও বাহিনীর সম্পৃক্ততার তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অভিযোগে উল্লেখ করা তারিখে জয়মনি এলাকায় কোনো অভিযান পরিচালিত হয়নি বলেও দাবি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বাহিনীর বক্তব্য যা-ই হোক, প্রত্যেক নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা সরকারের দায়িত্ব। কোনও বাহিনী কাউকে তুলে নিয়ে গেছে কি না কিংবা একজন ব্যক্তি কেন নিখোঁজ হয়েছেন—এসব প্রশ্ন উত্থাপন এবং সরকারকে জবাবদিহির মধ্যে রাখাকে উৎসাহিত করেন। এ ধরনের প্রশ্ন ও চাপের মধ্য দিয়েই একটি গণতান্ত্রিক সমাজে ‘চেক অ্যান্ড ব্যালান্স’ কার্যকর থাকে। সরকারের উচিত মানবাধিকার কমিশনের ওপর যেকোনো ধরনের হস্তক্ষেপ দূর করা এবং গুমের ঘটনা তদন্তে তাদের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া। পুলিশের ওপর গুমের তদন্তভার ছেড়ে দিলে জবাবদিহি নিশ্চিত হবে না এবং এ ধরনের চর্চা বন্ধে প্রয়োজনীয় চাপও তৈরি হবে না।

(লেখক : রাজনীতিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলাম লেখক )
E-mail : [email protected]

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ফুলছড়িতে ব্রহ্মপুত্র নদে বালু উত্তোলনে হুমকির মুখে উন্নয়ন প্রকল্প

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বালাসীঘাট এলাকায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ব্রহ্...

পদ্মা সেতু : এক্সপ্রেসওয়েতে এ যাবৎ ৫৪৮ দুর্ঘটনা, নিহত ১৪৭

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকে ঢাকা–মাওয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহা...

গৌরীপুরের ৪ দপ্তরে এক ইউএনও, ব্যাহত নাগরিক সেবা

ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী গৌরীপুর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে পৃথক প্রশাসক, চলমান কর্মকর...

রাজশাহীতে এক হাজার তালগাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

দেশজুড়ে ক্রমবর্ধমান বজ্রপাত প্রতিরোধ এবং জলবায়ু ও...

এলোমেলো নোঙর, ঝুঁকিপূর্ণ নৌরুট-

*মুন্সীগঞ্জ–নারায়ণগঞ্জ নৌপথে প্রশাসনের নির্দেশনা মানছে না সিমেন্ট কারখা...

রাতের আঁধারে সাবেক সচিবের জায়গা দখলের অভিযোগ

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো.ইসমা...

ফুলবাড়ীতে প্যানেল চেয়ারম্যান এর অপসারণের দাবি

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার কাজিহাল ইউনিয়নের প্যানে...

নিখোঁজ মিরাজ শেখ : গুম সংস্কৃতি ফিরে আসার আশংকা

।। এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।। যখন আর্ন্তজাতিক গুম দিবস পালিত হচ্ছে সারা...

এলোমেলো নোঙর, ঝুঁকিপূর্ণ নৌরুট-

*মুন্সীগঞ্জ–নারায়ণগঞ্জ নৌপথে প্রশাসনের নির্দেশনা মানছে না সিমেন্ট কারখা...

রাজশাহীতে এক হাজার তালগাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

দেশজুড়ে ক্রমবর্ধমান বজ্রপাত প্রতিরোধ এবং জলবায়ু ও...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা