নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে অধিকার, মর্যাদা, খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবারের জীবনমান উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কর্মসূচি’র তৃতীয় পর্যায়ে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ১২০ জন সুবিধাভোগীর মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুর ৩টায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মৌলভীবাজার থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
দেশের ২০টি জেলার ২০টি উপজেলার সঙ্গে একযোগে পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১২০টি পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই কার্ডের মাধ্যমে নারীকেন্দ্রিক সামাজিক সুরক্ষা, খাদ্য সহায়তা, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবারভিত্তিক বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও ফরিদপুর-১ আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংসদ হেলেনা জেরিন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ, পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান এবং জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক রুবাইয়াত মো. ফেরদৌস।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিব্বির আহমেদ, সমাজসেবা কর্মকর্তা কারিজুল ইসলাম, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসাইন, সাতৈর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রাফিউল আলম মিন্টু সহ স্থানীয় ও জেলা বিএনপির ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নারীদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড একটি কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলো রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক বিভিন্ন সেবার আওতায় আরও সহজে যুক্ত হতে পারবে। পরে ১০জন সুবিধাভোগীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন আগত অতিথিবৃন্দ। বাকিদের ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে পরবর্তীতে কার্ড দেওয়া হবে। তবে আজ থেকেই মোবাইল ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে সকলেই এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত হয়েছেন।