সংগৃহিত ছবি
আন্তর্জাতিক

পশ্চিম তীরে আরো বিপুল এলাকা দখলের অনুমোদন ইসরাইলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর এলাকায় নতুন করে আরও ১৩টি বসতি স্থাপনের একটি প্রস্তাব ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। অন্যদিকে, এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা। শুক্রবার (৩ জুলাই) নিউ আরবের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা বলছেন, ভূখণ্ডগত বিভাজনকে আরও গভীর করবে এ ধরনের বসতি সম্প্রসারণ। এর ফলে আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেম।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ৭ জানিয়েছে, মন্ত্রিসভা বৃহস্পতিবার মধ্য পশ্চিম তীরের অন্যতম বৃহৎ বসতি এলাকা বিনিয়ামিন আঞ্চলিক পরিষদে নতুন বসতি নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে।

ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, আগামী মাসগুলোতে প্রকল্পটির প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে চার থেকে ছয়টি বসতি স্থাপন করা হবে। এ ছাড়া বিদ্যমান বেশ কয়েকটি বসতি চৌকিকেও বৈধতা দেওয়া হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রকল্পে লাখ লাখ শেকেল বিনিয়োগ করা হবে এবং বেশ কয়েকটি বিদ্যমান পশুপালন কেন্দ্রও আনুষ্ঠানিক আইনি ভিত্তি পাবে। ফলে সেগুলো সরকারি তহবিল এবং অবকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ পাবে।

চ্যানেল ৭ এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, প্রায় ১ বিলিয়ন শেকেল বিনিয়োগে এই প্রকল্পের অর্থায়ন করা হবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট বসতিগুলো সরকারি তহবিল এবং রাস্তা, বিদ্যুৎ ও পানির মতো মৌলিক অবকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ পাবে।

বুধবার প্যালেস্টাইনিয়ান সেন্টার ফর ইসরায়েলি স্টাডিজ (মাদার) বলেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েলের বসতি চৌকি স্থাপনের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

কেন্দ্রটি জানিয়েছে, ২০১২ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বার্ষিক গড়ে আটটি বসতি চৌকি স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু ২০২৩ সালে তা বেড়ে ৩২টি, ২০২৪ সালে ৬২টি এবং ২০২৫ সালে ৮৬টিতে পৌঁছেছে। এটিকে ইসরায়েলের বসতি স্থাপন কার্যক্রমের নজিরবিহীন সম্প্রসারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্রীয় অর্থায়ন করা হয়েছে। ইসরায়েলি সরকার ২০২৩ সালে বসতি চৌকিগুলোর জন্য ২৮ মিলিয়ন শেকেল এবং ২০২৪ সালে ৭৫ মিলিয়ন শেকেল বরাদ্দ করেছে। পাশাপাশি মোট ৭০টি চৌকিতে অর্থায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।

১৯৬৭ সালের যুদ্ধে ইসরায়েলের দখল করা পূর্ব জেরুজালেমসহ অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন বসতিতে বর্তমানে সাত লাখের বেশি বসতি স্থাপনকারী বাস করছেন। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এসব বসতি অবৈধ।

ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা বলছেন, দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের কার্যকারিতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে বসতি সম্প্রসারণ অব্যাহত থাকায়। অন্যদিকে, জাতিসংঘের একাধিক প্রস্তাব এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের মতেও এসব বসতির কোনো আইনি বৈধতা নেই। একটি ন্যায়সংগত ও স্থায়ী সমাধান অর্জনের পথে প্রধান বাধা হলো ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের দখলদারিত্ব।

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

ফাইনালে রেফারির নির্দলীয় ভূমিকা চায় স্পেন

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ আনলেন স্প্যানিশ ড...

পাঁচ দিনের সরকারি সফরে তুরস্কে সেনাপ্রধান

তুরস্ক সরকারের বিশেষ আমন্ত্রণে পাঁচ দিনের সরকারি সফরে রোববার (১৯ জুলাই) তুরস্...

কাটছে না ঢাকার ভ্যাপসা গরম

রাজধানী ঢাকা আজও পুড়ছে ভ্যাপসা গরমে। তবে এর মধ্যেই রাজধানী ও আশপাশের এলাকায়...

মুন্সীগঞ্জে বন্ধু ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরি'কে জরিমানা

মুন্সীগঞ্জের সদর উপজেলার মুক্তারপুর বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবে...

গজারিয়াতে কনস্ট্রাকশন সাইটে সংঘবদ্ধ ডাকাতি, গ্রেপ্তার ১৯

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় একটি নির্মাণাধীন প্রকল্পে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় ১৯ জনকে...

দুর্নীতি ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা হাসনাত আবদুল্লাহর

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলে...

গজারিয়াতে কনস্ট্রাকশন সাইটে সংঘবদ্ধ ডাকাতি, গ্রেপ্তার ১৯

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় একটি নির্মাণাধীন প্রকল্পে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় ১৯ জনকে...

মুন্সীগঞ্জে বন্ধু ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরি'কে জরিমানা

মুন্সীগঞ্জের সদর উপজেলার মুক্তারপুর বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবে...

মাদারীপুরে স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা, স্বামী আটক

মাদারীপুরের কালকিনিতে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যার অভিযোগ উঠে...

২০৩০-এর পথে বাংলাদেশ: এসডিজি অর্জনে কতটা এগিয়েছে দেশ?

দারিদ্র্য কমেছে, নারীর ক্ষমতায়ন বেড়েছে, অবকাঠামোতে এসেছে দৃশ্যমান পরিবর্তন।...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা