মক্কা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে তুরস্ক। গত ৭ আগস্ট পবিত্র নগরী মক্কায় পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের নেতারা ওই চুক্তিতে সই করেন। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে সহায়তার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তিনি বলেন, সৌদির পাশে দাঁড়াতে তুরস্ক দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং বিশেষ করে সামরিক প্রযুক্তিগত বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এনটিভিকে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাকান ফিদান বলেন, সৌদি আরবের ভৌগোলিক অখণ্ডতার ওপর গুরুতর হামলা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সৌদির কিছু সামরিক সহায়তা প্রয়োজন হলে, বিশেষ করে প্রযুক্তিগত বিষয়ে, তুরস্কের সহযোগিতা দিতে কোনো সমস্যা নেই।
এর আগে শনিবার হুথি বিদ্রোহীরা দাবি করে, তারা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর কয়েকটি স্থাপনাকেও লক্ষ্যবস্তু করার দাবি করে তারা।
হামলার পর রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দরের আশপাশে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলি দেখা যায়। পরে জানা যায়, বিমানবন্দরের কাছাকাছি আরামকোর একটি ডিপোতে ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। ওই ডিপোটিতে বিমানের জ্বালানি বা জেট ফুয়েল সংরক্ষণ করা হতো।
হামলার প্রভাব পড়ে রিয়াদের বিমান চলাচলেও। বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনায় ব্যাপক বিঘ্ন ঘটে। এ সময় শত শত ফ্লাইট বাতিলের পাশাপাশি আরও কয়েকশ ফ্লাইট বিলম্বিত হয় বলে জানা গেছে।
সান নিউজ/ রাব্বি