২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে ৬.৭১ শতাংশ। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন।
এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে সম্মিলিত পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২.১২ শতাংশ, যা গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, এবার মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল একযোগে প্রকাশ করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়াসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৮.০৪ শতাংশ। এ বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ১ হাজার ৩১৩ জন শিক্ষার্থী। বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৪৪.৮৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৫০ জন।
অন্যদিকে, যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৪.৯২ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২২৮ জন। দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৪৫.৯৮ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ২ হাজার ৯৫৩ জন।
এ ছাড়া সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫০.৯০ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন। রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৪৫.০৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৪ হাজার ৫২০ জন শিক্ষার্থী।
উল্লেখ্য, গত ২ জুলাই শুরু হয়েছিল চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এ বছর নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। তবে বিভিন্ন কারণে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠিয়েও পরীক্ষার ফলাফল জানা যাবে। এ জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং পরবর্তী স্পেস দিয়ে পরীক্ষার বছর লিখতে হবে। এরপর মেসেজটি পাঠাতে হবে ১৬১৪০ নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে পরীক্ষার ফলাফল।
সান নিউজ/ রাব্বি