আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত ঋণ প্রস্তাবের সমস্ত খুঁটিনাটি ও বকেয়া বিষয়গুলোর সুরাহা করতে আগামী সপ্তাহ থেকেই আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। ব্যাংককে অনুষ্ঠিত আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভা শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
ব্যাংককে আইএমএফ প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী গণমাধ্যমকে জানান যে, নীতিগতভাবে সহায়তার বিষয়টি অনেকদূর এগিয়ে গেছে। এখন দুই পক্ষের প্রতিনিধিদল বসে চুক্তিটি চূড়ান্ত করার প্রাথমিক কাজগুলো সম্পন্ন করবে। মূলত বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পাঠানো ঋণ প্রস্তাবের সার্বিক পর্যালোচনা নিয়েই ওই বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
অর্থমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকারের সঙ্গে বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) সহ দেশের সকল প্রধান বহুপক্ষীয় ও দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলো অত্যন্ত নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আগামী বছরটি দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হওয়ায় অংশীজনরাও সর্বোচ্চ সহযোগিতার মনোভাব দেখাচ্ছে।
আসন্ন অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও কাঠামোগত সংস্কারের অংশ হিসেবে বিশ্বব্যাংকের নিকট একটি নতুন কান্ট্রি পার্টনারশিপ ফ্রেমওয়ার্ক (সিপিএফ) সইয়ের প্রস্তাব পাঠিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কাঠামোও তৈরি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২৬ সালের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সান নিউজ / রাজীব