অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে একটি কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন যেখানে দাঁড়িয়ে আছে, সেখান থেকে সামনে এগোতে দুই বছরের কৃচ্ছ্রসাধন প্রয়োজন হবে। এরপর অর্থনীতি স্থিতিশীল হবে এবং চতুর্থ ও পঞ্চম বছরে গিয়ে পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াবে। জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়নে আমরা সক্ষম হবো বলে বিশ্বাস করি।”
আজ (শুক্রবার) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উত্তর সংবাদ সম্মেলন এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের শ্রমশক্তিকে দক্ষ করে তোলাই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এজন্য শিক্ষা, কারিগরি ও ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ করা হচ্ছে, যাতে দেশের ভেতরে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ে এবং শ্রমিকরা উচ্চ আয়ের চাকরি পেতে সক্ষম হন।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব কমাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, পুনঃপ্রশিক্ষণ (রিস্কিলিং) এবং দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রামীণ অর্থনীতিকে মূলধারায় আনতে ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কর্মসূচির মাধ্যমে কামার, কুমার, তাঁতি, কারুশিল্পী, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের জন্য ঋণ, প্রশিক্ষণ, ডিজাইন সহায়তা ও বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করছেন অর্থ সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার।
সান নিউজ/ জামান