ছবি: সংগৃহীত
ঐতিহ্য ও কৃষ্টি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আজ নবাব খাজা সলিমুল্লাহর জন্ম

সান নিউজ ডেস্ক : নবাব খাজা সলিমুল্লাহ বাহাদুর ছিলেন ঢাকার চতুর্থ নবাব। তিনি বাংলার মুসলিমদের শিক্ষার পেছনে বিশেষ অবদান রেখেছেন।

আরও পড়ুন : আজ ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস

খাজা সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা রাখেন। এ জন্য রমনা এলাকায় কিছু জমিও দান করেন তিনি।

এছাড়া আহসানউল্লাহ স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং (বর্তমানে বুয়েট) প্রতিষ্ঠার পেছনেও তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তিনি বঙ্গভঙ্গের একজন একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন। ১৯০৭ সালে তিনি মুসলিম লীগের সভাপতির দায়িত্ব নেন। তিনি ছিলেন নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও ব্রিটিশ-ভারতের অন্যতম একজন মুসলিম নেতা।

আরও পড়ুন : ইংল্যান্ডে ১ম বিশ্বকাপ ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হয়

নবাব সলিমুল্লাহ ছিলেন ঢাকার তৃতীয় নবাব খাজা আহসানউল্লাহর বড় ছেলে। ১৮৭১ সালের ৭ জুন আহসান মঞ্জিলে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯০১ সালে তার বাবার মৃত্যুর পর তিনি ঢাকার নবাব পদে অধিষ্ঠিত হন। এর আগে ময়মনসিংহে ব্যবসা করতেন তিনি।

১৯০৩ সালে লর্ড কার্জন ঢাকা সফরে আসেন। এ সময় স্যার সলিমুল্লাহ লর্ড কার্জনকে পূর্ব বাংলার সমস্যাগুলো সম্পর্কে অবহিত করেন।

আরও পড়ুন : আলেকজান্ডার পুশকিন’র জন্ম

সে সময় আসামের উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য রফতানির জন্য চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের কথা ভাবছিল ব্রিটিশরা। ফলে নবাবের আবেদন ও ব্রিটিশদের বাণিজ্যিক স্বার্থে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা আসে। ফলে বাঙালি হিন্দুদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

নবাব সলিমুল্লাহর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ঢাকার নবাব পরিবারকে ভারতীয় উপমহাদেশে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়। তার নামে বাংলাদেশের বেশ কিছু স্থানের নামকরণ হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকা, নবাব সলিমুল্লাহ রোড, নারায়ণগঞ্জ।

১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি মাত্র ৪৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন ঢাকার চতুর্থ নবাব খাজা সলিমুল্লাহ।

সান নিউজ/এনজে

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

যুবদল নেতা নান্নুর মিলাদে নয়নের ক্ষোভ

যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নু হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে বিগত ১...

দুদকের মামলায় চেয়ারম্যানের স্ত্রীর ৩ বছরের কারাদণ্ড

ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলায় ইস...

ইসলামী ব্যাংকের ‘গ্রাহক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর হেড অফিস কমপ্লেক্স কর্পোরেট শাখায় এক গ্রাহক...

৭ অঞ্চলে ঝড়ের পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

দেশের কয়েকটি অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে সাত অঞ...

আবারো মুখোমুখি স্পেন ও আর্জেন্টিনা

ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা লড়াই নির্ধারণ হলেও স্পেন ও...

পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন!

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু...

ব্যাংক একীভূতকরণ: বিশ্বে সফল, বাংলাদেশে কী হবে?

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত এক নজিরবিহীন পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিনের...

বিদ্যুৎ বিতরণ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত সরকারের

সেবার মান উন্নয়ন, জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং বিল আদায়ের দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সর...

কিশোরগঞ্জে সাতদিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও মেলা শুরু

"বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ"— এই প্রতিপাদ্যকে সা...

নদীর নাব্য সংকটে খুলনা নদীবন্দরে পণ্য খালাস অর্ধেকে, বিপাকে ব্যবসা-শ্রমিক

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পণ্য পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম নদীপথ। এই পথ ব্...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা