আন্তর্জাতিক

হোয়াইট হাউসের বাইরে নিহত নাসির বেস্ট সম্পর্কে যা জানা গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের বাইরে শনিবার (২৩ মে) গুলিতে নিহত হওয়া ২১ বছর বয়সী নাসির বেস্ট এর আগেও একাধিকবার সিক্রেট সার্ভিসের নজরে এসেছিলেন বলে জানিয়েছে সিএনএন।

আদালতের নথি অনুযায়ী, এর মধ্যে একবার তাকে জোরপূর্বক মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। আরেক ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ তাকে আটক করেছিল, যখন তিনি দাবি করেছিলেন যে ‘তিনি যিশুখ্রিস্ট’।

এদিকে বেস্টের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টগুলোতেও উদ্বেগজনক কিছু বার্তা পাওয়া গেছে। একটি পোস্টে তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সহিংসতার হুমকি দিয়েছেন বলে মনে হয়েছে। অন্য একটি পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমি আসলে ঈশ্বরের পুত্র।’

সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসের বাইরে একটি নিরাপত্তা চৌকির দিকে এগিয়ে এসে এক ব্যক্তি কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র নিশ্চিত করে, নিহত ওই ব্যক্তি ছিলেন নাসির বেস্ট। গোলাগুলির সময় এক পথচারীও আহত হন।

ঘটনার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসেই ছিলেন। তবে তিনি অক্ষত রয়েছেন।

আদালতের হলফনামা অনুযায়ী, গত গ্রীষ্মে হোয়াইট হাউসের আশপাশে বেস্টের সঙ্গে একাধিকবার দেখা হয়েছিল কর্মকর্তাদের। নথিতে বলা হয়, হোয়াইট হাউস কমপ্লেক্সের বিভিন্ন প্রবেশপথ দিয়ে কীভাবে ভেতরে যাওয়া যায়, তা জানতে চেয়ে ঘোরাঘুরি করার কারণে তিনি ‘সিক্রেট সার্ভিসের পরিচিত ব্যক্তি’ ছিলেন।

২০২৫ সালের ২৬ জুন হোয়াইট হাউস কমপ্লেক্সের একটি অংশে গাড়ি প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তাকে জোরপূর্বক মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর ২০২৫ সালের ১০ জুলাই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে বেস্ট হোয়াইট হাউসের বাইরের একটি সংরক্ষিত এলাকায় প্রবেশ করেন। সেখানে কয়েকজন কর্মকর্তা তাকে ঘিরে ধরেন। ওই সময় বেস্ট নিজেকে যিশুখ্রিস্ট দাবি করেন এবং বলেন যে ‘তিনি গ্রেপ্তার হতে চান।’

সাননিউজ/আরএ

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

যুবদল নেতা নান্নুর মিলাদে নয়নের ক্ষোভ

যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নু হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে বিগত ১...

দুদকের মামলায় চেয়ারম্যানের স্ত্রীর ৩ বছরের কারাদণ্ড

ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলায় ইস...

ইসলামী ব্যাংকের ‘গ্রাহক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর হেড অফিস কমপ্লেক্স কর্পোরেট শাখায় এক গ্রাহক...

৭ অঞ্চলে ঝড়ের পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

দেশের কয়েকটি অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে সাত অঞ...

মালয়েশিয়ায় গ্রেফতার ৩২ বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে পরিচালিত যৌথ অভিবাসনবিরোধী...

কেশবপুরে ফল মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত 

“করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস”— এই প্রতিপাদ্যকে সা...

খুবির নারী হলে গোপনে ভিডিও ধারণ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ‘বিজয় ২৪’ হলের নারী শিক্ষার্থীদের ওয়...

ভোলায় স্বপন বাহিনীর প্রধান আটক, অস্ত্র উদ্ধার

ভোলার মনপুরা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে স্বপন বাহিনীর প্রধান ও একাধিক মামলার আসামি...

পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন!

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু...

ব্যাংক একীভূতকরণ: বিশ্বে সফল, বাংলাদেশে কী হবে?

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত এক নজিরবিহীন পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিনের...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা