ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

এক-দুই সপ্তাহের মধ্যেই ইসরায়েল লক্ষ্য অর্জন করবে: আইডিএফ

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা আগামী এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যেই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংসে তাদের সবকটি প্রধান লক্ষ্য পূরণ করতে পারবে বলে আশাবাদী। মঙ্গলবার (১৮ জুন) সাংবাদিকদের এমনটাই জানিয়েছেন আইডিএফ কর্মকর্তারা।

অপারেশনের লক্ষ্য হিসেবে ইসরায়েল শুরু থেকেই বলে আসছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংসই তাদের প্রধান উদ্দেশ্য।

ইতোমধ্যেই আইডিএফ দুটি প্রধান পারমাণবিক সমৃদ্ধিকরণ কেন্দ্র নাতাঞ্জ ও ইসফাহানে বোমাবর্ষণ করে বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করেছে। পাশাপাশি ইসরায়েলের দাবি, ইরানের অন্তত নয়জন শীর্ষ পারমাণবিক বিজ্ঞানী যাঁরা পরমাণু বোমা প্রকল্পে সরাসরি জড়িত ছিলেন, তাঁদের হত্যা করা হয়েছে। অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কার্যালয় ও কমান্ড সেন্টারেও হামলা চালানো হয়েছে।

তবে আইডিএফ জানিয়েছে, তেহরানের কাছে অবস্থিত ভূগর্ভস্থ ফরদো পারমাণবিক স্থাপনাটি এখনো লক্ষ্যবস্তু হয়নি, তবে তা তাদের ‘টার্গেট ব্যাংক’-এ রয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেন, ফরদো অবশ্যই মোকাবিলা করা হবে।

এ ছাড়া, আইডিএফ-এর হিসাবে, ইরানের মোট ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লাঞ্চারের প্রায় ৪০ শতাংশ আনুমানিক ২০০টি ইতোমধ্যে ধ্বংস বা অকার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে গত দুই দিনে ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অনেকটাই কমে গেছে।

আইডিএফ দাবি করেছে, তারা ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এবং ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডের প্রায় সবাইকে হত্যা করেছে। সামরিক কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা প্রাথমিক পরিকল্পনার তুলনায় তিন গুণ বেশি ইরানি কমান্ডারকে হত্যা করতে পেরেছে।

আইডিএফ আরও জানায়, পুরো অভিযানের প্রস্তুতি মাসখানেক আগেই শুরু হয়েছিল, যেখানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল ইরানের শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অতিক্রম করা। বর্তমানে পশ্চিম ইরান ও তেহরান অঞ্চলের আকাশে ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে দাবি করেছে আইডিএফ।

সাননিউজ/ইউকে

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

৩ নভেম্বরের মহাসমাবেশ সফল করতে রংপুরে মাদ্রাসা শিক্ষকদের প্রস্তুতি সভা

সারাদেশের স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে আগামী ৩ নভেম্বর ঢাক...

স্কুলের গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই স্কুলের ৪টি গাছ কেটে ফেলা...

অটিজম-ডাউন সিনড্রোম চিকিৎসায় সাড়া ফেলেছেন ডা. মুছা

একটি শিশু যখন কথা বলতে পারে না, নিজের পায়ে হাঁটতে...

মুন্সীগঞ্জে ৩ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার

মুন্সীগঞ্জের পদ্মা সেতু উত্তর থানার খানবাড়ি বাসস্ট...

নারীর আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল, গ্রেপ্তার ৩

মুন্সীগঞ্জে এক নারীর অজ্ঞাতে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ ক...

দানা বাঁধছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত

বঙ্গোপসাগর এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে ইতোমধ্...

ফিটনেসবিহীন বাস বন্ধ ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্রদলের স্মারকলিপি

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন...

সবজি আনতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নারীর মৃত্যু, মেয়ে আহত

নোয়াখালীর সেনবাগে বাড়ির পাশের খেত থেকে সবজি আনতে গ...

রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কার না হলে নতুন শাসকও শেখ হাসিনা হয়ে উঠবেন: নাহিদ

রাষ্ট্রকাঠামোর মৌলিক সংস্কার না হলে ক্ষমতায় যিনিই...

চাইলেই রাখতে পারতেন টাকা, সততার পথ বেছে নিলেন অটোচালক

অটোরিকশায় যাত্রীর ফেলে যাওয়া টাকাসহ ব্যাগ পেয়ে তা...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা