আয়োজক হিসেবে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ খেলতে নামছে কানাডা। টরন্টোতে তাদের প্রথম প্রতিপক্ষ বসনিয়া-হার্জেগোভিনা। অন্য দুই প্রতিপক্ষ কাতার ও সুইজারল্যান্ড। গ্রুপ তুলনামূলকভাবে সহজ হওয়ায় কানাডার সামনে বিশ্বকাপে প্রথম পয়েন্ট ও প্রথম জয়ের সুযোগ।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের আগে কানাডা দুটি আসর খেলেছিল, ১৯৮৬ ও ২০২২ সালে। গ্রুপ পর্বে ৬ ম্যাচ খেলে সবগুলো হেরেছে তারা। কোনো পয়েন্টই পায়নি।
প্রায় চার বছর আগের কানাডার চেয়ে এই দল বেশ অভিজ্ঞ। ইতোমধ্যে উজবেকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়েছে তারা, ১-১ গোলে ড্র করেছে আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের সঙ্গে। দুটি প্রীতি ম্যাচে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে তারা। ঘরের মাঠে নিজেদের দর্শকদের সামনে উৎসবের অপেক্ষায় কানাডা।
২০১৪ সালে শেষবার বিশ্বকাপ খেলা স্কোয়াডের দুজন বসনিয়ান খেলোয়াড় এবার আছেন। ৪০ বছর বয়সী স্ট্রাইকার এডিন জেকো ও অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার সিড কোলাসিনাচ। এছাড়া পুরো দলটিই তরুণ।
বাংলাদেশ সময় রাত একটায় মুখোমুখি হবে কানাডা ও বসনিয়া।
বিশ্বকাপের আগে কানাডার জন্য সবচেয়ে বড় খবর হলো, ফ্রান্সের নিস ক্লাবের হয়ে খেলা সেন্টার-ব্যাক মোইসে বোম্বিতো ফিট না থাকায় টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছেন। এটা তাদের জন্য একটা বড় ধাক্কা, কারণ বোম্বিতো সম্ভবত তাদের সেরা ডিফেন্ডার। স্কোয়াডে নাম আসার পর অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার মার্সেলো ফ্লোরেসের অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেছে, যা আরেকটি বড় ধাক্কা। তাই, মার্শের উচ্চ-পর্যায়ের খেলার ধরনে আলফোনসো ডেভিস, জোনাথন ডেভিড ও তাহন বুকাননের মতো খেলোয়াড়দের ওপরই অনেক কিছু নির্ভর করবে।
টুর্নামেন্টের জন্য বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার ঘোষিত মূল স্কোয়াড থেকে রিজার্ভ গোলরক্ষক ওসমান হাদজিকিচকে চোটের কারণে নাম প্রত্যাহার করতে হয়েছে। বাছাইপর্বের প্লে-অফে ইতালিকে হারানো দলটির সাথে এই স্কোয়াডটি প্রায় একই রকম। দলে অভিজ্ঞতার ঝুলি ভারী করছেন এডিন জেকো।
এই বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ৪০ বছর বা তার বেশি বয়সী খেলোয়াড়দের বিশেষ ক্লাবের এই সদস্যকে কেন্দ্র করেই দল গঠিত হয়েছে।
সান নিউজ/ জামান