দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার কাজিহাল ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ কাঞ্চন মিয়ার অপসারণের দাবিতে ইউপি সদস্যদের সভা অনুষ্ঠিত।
সম্প্রতি কাজিহাল ইউনিয়ন পরিষদ সভাকক্ষে ইউপি সদস্য মোঃ খাজানুর ইসলামকে আহ্বায়ক করে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ কাঞ্চন মিয়ার সীমাহীন দূর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি, স্বেচ্ছাচারীতার কারণে এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ধার্যকৃত হোল্ডিং ট্যাক্স ও রিক্সাভ্যানের লাইসেন্স এর লাখ, লাখ টাকা আত্মসাৎ ইউপি তহবিল লুটপাট, বনবিভাগ থেকে ৭ লক্ষ টাকার ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ, ভূয়া ফ্যামেলি কার্ড দিয়ে ইউনিয়নের সাধারণ জনগণের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা আত্মসাৎসহ ইউপি সদস্যদের ভাতা ও বিবিধ বিষয়ের উপর এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে যথাযথ তদন্তপূর্বক স্থানীয় সরকার আইনে ইউনিয়ন পরিষদ সর্ম্পকিত বিধি বিধানের আলোকে ৩ নং কাজিহাল ইউনিয়নে প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ কাঞ্চন মিয়াকে অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বিভাগীয় কমিশনার রংপুর, জেলা প্রশাসক দিনাজপুর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক দিনাজপুর, ১১ জন ইউপি সদস্য/সদস্যা গণ স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ গত ২৩ শে আগস্ট প্রেরণ করেন।
উল্লেখ্য যে, প্যানেল ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কাঞ্চন মিয়া দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ইউনিয়ন পরিষদকে নিজের সম্পদ মনে করে নিজের ইচ্ছে মতো ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনা করেছেন। কোনো ইউপি সদস্যকে ইউনিয়ন পরিষদের কাজ কর্মে পাত্তা দেননি। এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মোঃ তসলিমুদ্দিন সরকার এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সত্য, কিন্তু সে দায়িত্বে থেকে ব্যাপক অনিয়ম করেছেন, তদন্ত সাপেক্ষে তার অপসারণ ও অনিয়মের বিচারের দাবি করছি।
অভিযোগের বাদী মোঃ খাজানুর ইসলাম (সুমন) এর সাথে যোগাযোগ করলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ হাসান এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে সকল ইউপি সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ কাঞ্চন মিয়ার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন। তার বিভিন্ন অপকর্মের তদন্ত চেয়ে প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিযোগকারীরা।
সান নিউজ/আরএ