খেলা

ম্যারাডোনাকে বাঁচানো সম্ভব ছিল, আদালতে চিকিৎসক

ক্রীড়া ডেস্ক

আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান। এতে এক চিকিৎসক দাবি করেছেন, সামান্য একটি সাধারণ ওষুধ (ডাইউরেটিক) ম্যারাডোনাকে মাত্র ‘৪৮ ঘণ্টার মধ্যে’ সুস্থ করে তুলতে পারত। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সান ইসিদ্রোর আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় এই মন্তব্য করেন ডা. মারিও শিটার।

আদালতে এই নিবিড় পরিচর্যা বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘প্রায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই তার শারীরিক অবস্থার দৃশ্যমান উন্নতি সম্ভব ছিল।’

২০০০ সালের শুরুতে ম্যারাডোনার চিকিৎসায় নিয়োজিত ছিলেন ডা. শিটার। ২০২০ সালে ম্যারাডোনার ময়নাতদন্তেও উপস্থিত ছিলেন। সে বছর ২৫ অক্টোবর মারা যান আর্জেন্টিনাকে ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জেতানো কিংবদন্তি।

শিটার ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘প্রতিদিন আইসিইউতে আমি হার্ট ফেইলিউরের এমন অনেক রোগী দেখি। আমরা তাদের শরীরে জমে থাকা তরল কমাতে ডাইউরেটিক জাতীয় ওষুধ দিই। এতে মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই অনেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন।’

মারিও শিটারের আগে আরও বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মৃত্যুর সময় ম্যারাডোনার শরীরে বেশ কিছু অঙ্গে অতিরিক্ত তরল জমে ছিল। গত বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তে অংশ নেওয়া অন্য চিকিৎসক কার্লোস ক্যাসিনেলি বলেন, ‘ম্যারাডোনার শরীরের সব জায়গায় পানি জমে গিয়েছিল।’

ক্যাসিনেলির মতে, এ তরল জমতে অন্তত ‘এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিন’ সময় লাগে। অর্থাৎ, ম্যারাডোনার চিকিৎসকেরা চাইলেই সেই সময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি লক্ষ করতে পারতেন।

২০২০ সালে ম্যারাডোনার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর তাকে হাসপাতালে রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন ডা. শিটার। কিন্তু ম্যারাডোনা বুয়েনস এইরেসের উত্তরে একটি ভাড়া বাড়িতে থেকে সুস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সেখানেই ৬০ বছর বয়সে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়।

ম্যারাডোনার চিকিৎসায় অবহেলার দায়ে বর্তমানে সাতজন স্বাস্থ্যকর্মী বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের ২৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এই বিচারপ্রক্রিয়া আগামী জুলাই মাস পর্যন্ত চলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সাননিউজ/আরএ

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

প্রাণনাশের হুমকি, ছাত্রদল নেতাসহ ২ জনের বিরুদ্ধে জিডি

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভায় সম্পত্তি দ...

সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে মণ্ডপে মণ্ডপে বিএনপি নেতা  ইমরান

শারদীয় দুর্গাপূজার মহা নবমীতে সম্প্রতি ও সৌহার্দ্য...

স্বাস্থ্য খাতকে ‘মাদার অব অল দুর্নীতি’ বললেন এমপি নাসের

দেশের স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক অবস্থাকে ‘মাদা...

জেলেনস্কি, ফিনল্যান্ড ও নরওয়ের শীর্ষ বৈঠকের দোরগোড়ায় ইউরোপ

ইউরোপীয় ভূরাজনীতিতে চলমান উত্তেজনা এবং ইউক্রেন সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের পথ খু...

পার্ক দে প্রিন্সেসে পিএসজি-বার্সেলোনা মহারণের চূড়ান্ত প্রস্তুতি

ফরাসি রাজধানীর রাজপথে যখন নাগরিক বিক্ষোভ, তীব্র সহিংসতা এবং ভাঙচুরের দাবানল ব...

সৌদিতে ফের ফ্লাইট চালু করেছে বিমান বাংলাদেশ

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন...

কাল থেকে সাজেকে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ

বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের সরিয়...

৭ জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্তরা লাখ টাকা করে পাবে

ক্যান্সার ও কিডনি রোগসহ সাতটি জটিল এবং দীর্ঘমেয়াদি...

রাজধানীর সড়কে প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ, ছাত্রলীগ নেতা আটক

ঢাকার মিরপুরে দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শনের সময় প্রধা...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা